
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে ইউরোপের দেশ গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ভাসমান নৌকায় থাকা কমপক্ষে ২১ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানব পাচার চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আমাদের মিশন থেকে কিছু তথ্য পেয়েছি। বেসিক্যালি এই স্মাগলিংটা যারা করে, তাদের মধ্যে লিবিয়ার নাগরিক আছে, বাংলাদেশের নাগরিকও আছে। আমরা ধারণা করছি, এটি একটা চক্র, যারা সবসময় বিভিন্ন দেশে নাগরিকদের বিপদে ফেলে, তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা-পয়সা দিয়ে তারা নিয়ে যায়। এই চক্রকে খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি জানান, ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানির শিকার বাংলাদেশিদের সম্পর্কেও বিস্তারিত খোঁজখবর করছে গ্রিসের বাংলাদেশ দূতাবাস।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভূমধ্যসাগরে ওই নৌকাডুবির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে জানা যায়, ওই নৌকায় অভিবাসনপ্রত্যাশী ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ২১ জনই বাংলাদেশের। নিহত ২১ বাংলাদেশির মধ্যে আবার ১০ জনের বাড়িই সুনামগঞ্জ জেলায়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় ওই নৌকায় বেশ কিছু দেশের নাগরিক ছিল। তার মধ্যে বাংলাদেশের কিছু নাগরিক ছিলেন। আরও দুঃখজনক, তাদের মধ্যে একজন ছিলেন নারী, একটি শিশুও ছিল। আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না। তাদের উদ্ধার করে কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, কয়েকজনকে তাদের একটা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, দূতাবাস তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে আরও বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেছে। এখন তারা একটা প্রসেসের মধ্যে ঢুকে গেছেন। গ্রিসের ওখানে সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তারা ওই সরকারের নিয়ম মেনে ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করে কীভাবে তাদের ফিরিয়ে আনা যায়, সে চেষ্টা করছে। এ কাজে একটু আমাদের সময় লাগবে, কাজ চলছে।
পাচারকারী চক্র অমানবিক অবস্থায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ফেলে রেখে গেছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এরা কী পরিমাণ অমানবিক ও ক্রিমিনা! তারা হয়তো ভেবেছিল দুয়েকদিনে সাগর পার হয়ে যাবে। কিন্তু লেগেছে ছয়-সাত দিন। এই সময়ের জন্য তাদের সঙ্গে খাবার-পানি কিছুই ছিল না। এমনকি যারা মারা গেছেন, তাদের জাহাজ থেকে পানিতে পর্যন্ত ফেলে দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এ ঘটনায় স্পষ্ট প্রতীয়মান, আমরা কত ঝুঁকির মধ্যে আছি। এই যে পাচারকারী চক্র, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। আমি আমার মন্ত্রণালয়কে বলেছি, এদের শনাক্ত করতে হবে যে কারা এটা করছে। এখানে লিবিয়ার লোকজনও আছে, বাংলাদেশের লোকজনও আছে। তাদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মানব পাচার চক্রকে শাস্তির আওতায় আনার প্রত্যয় জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে হোক বা বাংলাদেশি আইনে— তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে। এসব বিষয় নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় তদন্ত করছে, আমরাও সচেষ্ট। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হচ্ছে এটা বন্ধ করা। সেটা কীভাবে করা যায়, তার উপায় আমাদের অবশ্যই বের করতে হবে।

লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে ইউরোপের দেশ গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ভাসমান নৌকায় থাকা কমপক্ষে ২১ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানব পাচার চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আমাদের মিশন থেকে কিছু তথ্য পেয়েছি। বেসিক্যালি এই স্মাগলিংটা যারা করে, তাদের মধ্যে লিবিয়ার নাগরিক আছে, বাংলাদেশের নাগরিকও আছে। আমরা ধারণা করছি, এটি একটা চক্র, যারা সবসময় বিভিন্ন দেশে নাগরিকদের বিপদে ফেলে, তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা-পয়সা দিয়ে তারা নিয়ে যায়। এই চক্রকে খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি জানান, ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানির শিকার বাংলাদেশিদের সম্পর্কেও বিস্তারিত খোঁজখবর করছে গ্রিসের বাংলাদেশ দূতাবাস।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভূমধ্যসাগরে ওই নৌকাডুবির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে জানা যায়, ওই নৌকায় অভিবাসনপ্রত্যাশী ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ২১ জনই বাংলাদেশের। নিহত ২১ বাংলাদেশির মধ্যে আবার ১০ জনের বাড়িই সুনামগঞ্জ জেলায়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় ওই নৌকায় বেশ কিছু দেশের নাগরিক ছিল। তার মধ্যে বাংলাদেশের কিছু নাগরিক ছিলেন। আরও দুঃখজনক, তাদের মধ্যে একজন ছিলেন নারী, একটি শিশুও ছিল। আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না। তাদের উদ্ধার করে কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, কয়েকজনকে তাদের একটা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, দূতাবাস তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে আরও বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেছে। এখন তারা একটা প্রসেসের মধ্যে ঢুকে গেছেন। গ্রিসের ওখানে সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তারা ওই সরকারের নিয়ম মেনে ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করে কীভাবে তাদের ফিরিয়ে আনা যায়, সে চেষ্টা করছে। এ কাজে একটু আমাদের সময় লাগবে, কাজ চলছে।
পাচারকারী চক্র অমানবিক অবস্থায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ফেলে রেখে গেছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এরা কী পরিমাণ অমানবিক ও ক্রিমিনা! তারা হয়তো ভেবেছিল দুয়েকদিনে সাগর পার হয়ে যাবে। কিন্তু লেগেছে ছয়-সাত দিন। এই সময়ের জন্য তাদের সঙ্গে খাবার-পানি কিছুই ছিল না। এমনকি যারা মারা গেছেন, তাদের জাহাজ থেকে পানিতে পর্যন্ত ফেলে দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এ ঘটনায় স্পষ্ট প্রতীয়মান, আমরা কত ঝুঁকির মধ্যে আছি। এই যে পাচারকারী চক্র, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। আমি আমার মন্ত্রণালয়কে বলেছি, এদের শনাক্ত করতে হবে যে কারা এটা করছে। এখানে লিবিয়ার লোকজনও আছে, বাংলাদেশের লোকজনও আছে। তাদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মানব পাচার চক্রকে শাস্তির আওতায় আনার প্রত্যয় জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে হোক বা বাংলাদেশি আইনে— তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে। এসব বিষয় নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় তদন্ত করছে, আমরাও সচেষ্ট। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হচ্ছে এটা বন্ধ করা। সেটা কীভাবে করা যায়, তার উপায় আমাদের অবশ্যই বের করতে হবে।

রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ভারতের ম্যাক্স হেলথকেয়ারের যৌথ উদ্যোগে কিডনি প্রতিস্থাপন, বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন এবং জটিল রক্তরোগের আধুনিক চিকিৎসা নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এরপর পুলিশ সদস্যরা তার কাছ থেকে মাইক্রোফোন সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ট্রাইব্যুনালের এজলাসে তাদের সঙ্গে লতিফ সিদ্দিকীর উচ্চবাচ্য হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাঠগড়া থেকে তাকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় এক সাংবাদিক জানতে চান, ট্রাইব্যুনালে তিনি কী বলতে চাচ্ছিলেন। জবাবে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘বলতে চাচ্ছিলাম যে আমা
৫ ঘণ্টা আগে
টুথপেস্ট বা অন্যান্য পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক কিংবা ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি নিয়ে কোনো বেসরকারি সংস্থা গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে অবহিত করা এবং বিষয়টি যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে এ ধরনের গবেষণা
৫ ঘণ্টা আগে
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা ২৩ জনের মধ্যে ১৩ জন নোয়াখালীর বাসিন্দা। এ ছাড়া সিলেটের তিনজন এবং কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ঢাকা ও অন্যান্য জেলার বাসিন্দারাও রয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে