
বাসস

বিভিন্ন সভা-সমাবেশে হাসিখুশি দেখালেও ‘অসম্ভব চাপ’ অনুভব করছেন বলে জানিয়েছেন তারেক রহমান। একজন সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বের জন্যই এ চাপ অনুভব করছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন (সাংবাদিক) তার বক্তব্যে বলেছেন, উনি নির্বাচনের পর বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন, উনি মানুষের চোখে-মুখে খুশি দেখেছেন। আমার মনে হয়, একই জিনিস আমিও দেখেছি। কিন্তু তারপরও অবশ্যই দায়িত্বের একটা চাপ অনুভব করছি। কারণ এখানে প্রচুর সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অ্যাট দ্য সেইম টাইম, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সো অসম্ভব একটা চাপ অনুভব করছি দায়িত্বে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে রাজধানী ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
নিজের বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে আমি অফিস থেকে যখন বাসায় যাচ্ছি, আমার সঙ্গে গাড়িতে যারা ছিল, তখন আমি তাদের বলছিলাম— আব্বা একসময় উনার একজন সহকর্মীকে বলেছিলেন, ‘দিনটা যদি ৪৮ ঘণ্টা হতো তাহলে আমরা আরেকটু বেটার কাজ করতে পারতাম’।
‘আব্বার মতো আমি ওদিন বলছিলাম, দিনটা, মানে কখন অফিসের ঢুকছি এবং কখন সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে, বুঝতেই পারছি না। দম ফেলার টাইম পাওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য আমারও মনে হয়, আসলে দিন ২৪ ঘণ্টা না হয়ে যদি ৪৮ ঘণ্টা হতো তাহলে একটু ভালো হতো,’— বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলানোর আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি জেলের মধ্য থেকে এসেছি। শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছি, মানসিকভাবে নির্যাতিত হয়েছি। এক্সরে করলে হয়তো দেখা যাবে আমার পিঠের হাড্ডি এখনো একটু বাঁকা আছে, যেহেতু প্রায় অনেকদিন এটা করে ফেলে রাখা হয়েছিল। প্রোপার টাইমে চিকিৎসা করা হয়নি, সেজন্য হয়তো একটু বাঁকাভাবে রয়ে গেছে।’
‘আমি এখন যদি সেজন্য কাউকে দায়ী করে বেড়াই, তবে আমার তো হাড্ডি জোড়া লাগবে না। আমি এখনো যে পেইনটা মাঝে মাঝে অনুভব করি, আমার সেই পেইনটা চলে যাবে না। সুতরাং ক্ষতি যা হয়ে গেছে, সেটা নিয়ে না ভেবে দেশের কল্যাণের কথা ভাবতে হবে।’

সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, আমাদের নিজের চিন্তা কিছুটা পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। হ্যাঁ, আমার সঙ্গে যা হয়েছে, এখন প্রতিশোধ নিলে সেটা ফেরত পাব না। তাই প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আমরা দেশের জন্য কী করতে পারি সেই চেষ্টা করতে পারি। সফল (সাকসেসফুল) হওয়া পরের ব্যাপার, অন্তত দেশের জন্য কাজ করার মাইন্ডসেট নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব।’
গণমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের কোনো শত্রুতা নেই উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি সরকার বারবার প্রমাণ করেছে, গণমাধ্যমের সঙ্গে তাদের শত্রুতা নেই। আর তাই বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়। সরকারের ভুল হতে পারে, গঠনমূলক আলোচনা হোক।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটা আমাদের জন্য, বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজকের এই দিনে বাংলাদেশের সব সংবাদপত্র একসময় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, হাতেগোনা মাত্র চারটি সংবাদপত্র ছিল। সেখান থেকে আজকে আমরা এতগুলো সাংবাদিক ভাইদের সাথে কথা বলছি। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, ওই সময় সংবাদপত্রের যে গলা চেপে ধরা হয়েছিল সেটি অন্তত এখন নেই, এই মুহূর্তে নেই।’
গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে অনেক সাহায্য করতে পারেন। শুধু সরকার একা পারবে না, আপনার সহযোগিতা আমার লাগবে। আপনার সহযোগিতা না পেলে আমি বুঝতে পারবো না যে, কাজটা ভালো হচ্ছে না খারাপ হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু, সুজাউদ্দৌলা সুজন, শাহাদাত হোসেন স্বাধীনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন সভা-সমাবেশে হাসিখুশি দেখালেও ‘অসম্ভব চাপ’ অনুভব করছেন বলে জানিয়েছেন তারেক রহমান। একজন সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বের জন্যই এ চাপ অনুভব করছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন (সাংবাদিক) তার বক্তব্যে বলেছেন, উনি নির্বাচনের পর বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন, উনি মানুষের চোখে-মুখে খুশি দেখেছেন। আমার মনে হয়, একই জিনিস আমিও দেখেছি। কিন্তু তারপরও অবশ্যই দায়িত্বের একটা চাপ অনুভব করছি। কারণ এখানে প্রচুর সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অ্যাট দ্য সেইম টাইম, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সো অসম্ভব একটা চাপ অনুভব করছি দায়িত্বে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে রাজধানী ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
নিজের বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে আমি অফিস থেকে যখন বাসায় যাচ্ছি, আমার সঙ্গে গাড়িতে যারা ছিল, তখন আমি তাদের বলছিলাম— আব্বা একসময় উনার একজন সহকর্মীকে বলেছিলেন, ‘দিনটা যদি ৪৮ ঘণ্টা হতো তাহলে আমরা আরেকটু বেটার কাজ করতে পারতাম’।
‘আব্বার মতো আমি ওদিন বলছিলাম, দিনটা, মানে কখন অফিসের ঢুকছি এবং কখন সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে, বুঝতেই পারছি না। দম ফেলার টাইম পাওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য আমারও মনে হয়, আসলে দিন ২৪ ঘণ্টা না হয়ে যদি ৪৮ ঘণ্টা হতো তাহলে একটু ভালো হতো,’— বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলানোর আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি জেলের মধ্য থেকে এসেছি। শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছি, মানসিকভাবে নির্যাতিত হয়েছি। এক্সরে করলে হয়তো দেখা যাবে আমার পিঠের হাড্ডি এখনো একটু বাঁকা আছে, যেহেতু প্রায় অনেকদিন এটা করে ফেলে রাখা হয়েছিল। প্রোপার টাইমে চিকিৎসা করা হয়নি, সেজন্য হয়তো একটু বাঁকাভাবে রয়ে গেছে।’
‘আমি এখন যদি সেজন্য কাউকে দায়ী করে বেড়াই, তবে আমার তো হাড্ডি জোড়া লাগবে না। আমি এখনো যে পেইনটা মাঝে মাঝে অনুভব করি, আমার সেই পেইনটা চলে যাবে না। সুতরাং ক্ষতি যা হয়ে গেছে, সেটা নিয়ে না ভেবে দেশের কল্যাণের কথা ভাবতে হবে।’

সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, আমাদের নিজের চিন্তা কিছুটা পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। হ্যাঁ, আমার সঙ্গে যা হয়েছে, এখন প্রতিশোধ নিলে সেটা ফেরত পাব না। তাই প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আমরা দেশের জন্য কী করতে পারি সেই চেষ্টা করতে পারি। সফল (সাকসেসফুল) হওয়া পরের ব্যাপার, অন্তত দেশের জন্য কাজ করার মাইন্ডসেট নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব।’
গণমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের কোনো শত্রুতা নেই উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি সরকার বারবার প্রমাণ করেছে, গণমাধ্যমের সঙ্গে তাদের শত্রুতা নেই। আর তাই বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়। সরকারের ভুল হতে পারে, গঠনমূলক আলোচনা হোক।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটা আমাদের জন্য, বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজকের এই দিনে বাংলাদেশের সব সংবাদপত্র একসময় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, হাতেগোনা মাত্র চারটি সংবাদপত্র ছিল। সেখান থেকে আজকে আমরা এতগুলো সাংবাদিক ভাইদের সাথে কথা বলছি। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, ওই সময় সংবাদপত্রের যে গলা চেপে ধরা হয়েছিল সেটি অন্তত এখন নেই, এই মুহূর্তে নেই।’
গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে অনেক সাহায্য করতে পারেন। শুধু সরকার একা পারবে না, আপনার সহযোগিতা আমার লাগবে। আপনার সহযোগিতা না পেলে আমি বুঝতে পারবো না যে, কাজটা ভালো হচ্ছে না খারাপ হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু, সুজাউদ্দৌলা সুজন, শাহাদাত হোসেন স্বাধীনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জৈন ধর্ম মানুষের মুক্তির জন্য নৈতিকতার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে। এই ধর্ম অনুযায়ী, বন্দি অবস্থা থেকে আত্মার মুক্তির উপায় তিনটি— সম্যগ দর্শন বা সত্যের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, সম্যগজ্ঞান বা সংশয়শূন্য ও ভ্রমমুক্ত বিশদ জ্ঞান এবং সম্যগ চারিত্র বা হিত আচরণে প্রবৃত্ত হওয়া এবং অহিতকর আচরণ থেকে সম্প
৬ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের দুই ছেল এবং আত্মীয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় নবগঠিত কয়েকটি ইউনিয়নের নামকরণের অভিযোগের পর এবার তার নামে একটি স্কুলের নামকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষা সচিবের কাছে পাঠানো এক পত্রে এই প্রস্তাব নাকচ করেছেন তিনি।
১৫ ঘণ্টা আগে
‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ পারস্পরিক আলোচনা ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছা
১৬ ঘণ্টা আগে
এর আগে গত ১৫ জুন বগুড়া প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ এবং ‘দ্য নিউ নেশন’ পত্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি তানভীর আলম রিমন ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশকসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন। পরে বগুড়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সদর থ
১৬ ঘণ্টা আগে