
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনীতে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে যারা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন, তাদের ফের আবেদন করার সুযোগ দিয়েছে সরকার। ওই সময়ের মধ্যে যারা চাকরিচ্যুত, বরখাস্ত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত, বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত বা অন্য কোনোভাবে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন বলে মনে করবেন, তাদের জন্যই এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আবেদন করতে পারবেন।
এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে একই সুযোগ দিয়েছিল। সে সময় যারা আবেদন করেছিলেন তাদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে ১৫০ জনকে স্বাভাবিক অবসর অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেয় সরকার।
মঙ্গলবার জারি করা নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন করে যারা আবেদন করবেন তাদের আবেদন পর্যালোচনায় সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সেনাবাহিনীর একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশ দেবে কমিটি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়ে অপসারিত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত কিংবা বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা আবেদন করতে পারবেন।
তবে আগে বাহিনীর সদর দপ্তরের গঠিত পর্ষদ বা অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত কমিটির কাছে যারা আবেদন করেননি অথবা যাদের আবেদন আগে বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি, কেবল তাদেরই আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
এর আগে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সশস্ত্র বাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আবেদন নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
সেসব আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর চলতি গত ১ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনে তিন বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্ত হওয়া ১৫০ জন কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক অবসর অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেয় বিএনপি সরকার।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনীতে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে যারা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন, তাদের ফের আবেদন করার সুযোগ দিয়েছে সরকার। ওই সময়ের মধ্যে যারা চাকরিচ্যুত, বরখাস্ত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত, বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত বা অন্য কোনোভাবে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন বলে মনে করবেন, তাদের জন্যই এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আবেদন করতে পারবেন।
এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে একই সুযোগ দিয়েছিল। সে সময় যারা আবেদন করেছিলেন তাদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে ১৫০ জনকে স্বাভাবিক অবসর অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেয় সরকার।
মঙ্গলবার জারি করা নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন করে যারা আবেদন করবেন তাদের আবেদন পর্যালোচনায় সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সেনাবাহিনীর একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশ দেবে কমিটি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়ে অপসারিত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত কিংবা বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা আবেদন করতে পারবেন।
তবে আগে বাহিনীর সদর দপ্তরের গঠিত পর্ষদ বা অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত কমিটির কাছে যারা আবেদন করেননি অথবা যাদের আবেদন আগে বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি, কেবল তাদেরই আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
এর আগে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সশস্ত্র বাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আবেদন নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
সেসব আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর চলতি গত ১ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনে তিন বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্ত হওয়া ১৫০ জন কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক অবসর অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেয় বিএনপি সরকার।

নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতে সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে অনুরোধ জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশকরা। এ সময় মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান আইনি কাঠামো ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখেই অনলাইন স
৫ ঘণ্টা আগে
রিমান্ডে পাঠানো দুই আসামি হলেন শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিম। কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান ও বায়েজিদ।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ভার্চ্যুয়াল শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন
৭ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৭ ঘণ্টা আগে