
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ৩৬টি পুশ-ইন চেষ্টা বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি সফলভাবে প্রতিরোধ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফের পুশ-ইন করা দুই হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে দুই হাজার ১৭৫ জনকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ১১ জনকে বিএসএফের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং ১৮৩ জনকে পুশ-ব্যাক করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন। বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সীমান্ত সম্মেলনে বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংসদ সদস্যের প্রশ্নের লিখিত জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহতদের পরিবারকে ভারত সরকারের সরাসরি আর্থিক সহায়তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা বা চুক্তি হয়নি। তবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ সরকার সবসময়ই সীমান্তে আত্মরক্ষার অজুহাতে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে এবং ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহিতার জন্য চাপ দিয়ে আসছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, সীমান্ত হত্যার ঘটনা কমাতে ঝুঁকিপূর্ণ ও সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের যৌথ নৈশ টহল বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে কোম্পানি বা ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে দ্রুত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
আরেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের প্রশ্নের লিখিত জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পতাকা বৈঠকে সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করে নন-লেথাল অস্ত্র ব্যবহারের জন্য বিএসএফকে অনুরোধ করা হচ্ছে। সংবেদনশীল সীমান্তে সমন্বিত টহল এবং নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকাকে ‘উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করে সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিওপির অধীন ৫-৭ কিলোমিটার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি দিনরাত ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্থায়ী বা অস্থায়ী পোস্ট নির্মাণ করা হয়েছে এবং মাদক ও চোরাকারবারের রুট বন্ধ করতে রাতের টহল বাড়ানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সীমান্তের নদী ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। রাত বা ঘন কুয়াশার সুযোগে পুশ-ইন, মাদক বা চোরাকারবার বন্ধ করতে থার্মাল ইমেজার, নাইট ভিশন ডিভাইস ও সিসিটিভির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংবেদনশীল এলাকায় ড্রোন নজরদারির মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্তে অপরাধের চেষ্টা তাৎক্ষণিকভাবে নস্যাৎ করা হচ্ছে।
পুশ-ইন ও চোরাকারবারিদের ঠেকাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্টজনদের নিয়ে একটি ‘বর্ডার কমিউনিটি ওয়াচ গ্রুপ’ গঠন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, মাইকিংয়ের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় জনসচেতনতা বাড়ানো হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ৩৬টি পুশ-ইন চেষ্টা বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি সফলভাবে প্রতিরোধ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফের পুশ-ইন করা দুই হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে দুই হাজার ১৭৫ জনকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ১১ জনকে বিএসএফের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং ১৮৩ জনকে পুশ-ব্যাক করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন। বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সীমান্ত সম্মেলনে বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংসদ সদস্যের প্রশ্নের লিখিত জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহতদের পরিবারকে ভারত সরকারের সরাসরি আর্থিক সহায়তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা বা চুক্তি হয়নি। তবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ সরকার সবসময়ই সীমান্তে আত্মরক্ষার অজুহাতে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে এবং ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহিতার জন্য চাপ দিয়ে আসছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, সীমান্ত হত্যার ঘটনা কমাতে ঝুঁকিপূর্ণ ও সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের যৌথ নৈশ টহল বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে কোম্পানি বা ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে দ্রুত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
আরেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের প্রশ্নের লিখিত জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পতাকা বৈঠকে সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করে নন-লেথাল অস্ত্র ব্যবহারের জন্য বিএসএফকে অনুরোধ করা হচ্ছে। সংবেদনশীল সীমান্তে সমন্বিত টহল এবং নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকাকে ‘উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করে সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিওপির অধীন ৫-৭ কিলোমিটার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি দিনরাত ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্থায়ী বা অস্থায়ী পোস্ট নির্মাণ করা হয়েছে এবং মাদক ও চোরাকারবারের রুট বন্ধ করতে রাতের টহল বাড়ানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সীমান্তের নদী ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। রাত বা ঘন কুয়াশার সুযোগে পুশ-ইন, মাদক বা চোরাকারবার বন্ধ করতে থার্মাল ইমেজার, নাইট ভিশন ডিভাইস ও সিসিটিভির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংবেদনশীল এলাকায় ড্রোন নজরদারির মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্তে অপরাধের চেষ্টা তাৎক্ষণিকভাবে নস্যাৎ করা হচ্ছে।
পুশ-ইন ও চোরাকারবারিদের ঠেকাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্টজনদের নিয়ে একটি ‘বর্ডার কমিউনিটি ওয়াচ গ্রুপ’ গঠন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, মাইকিংয়ের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় জনসচেতনতা বাড়ানো হয়েছে।

বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার এবং চট্টগ্রামের দোহাজারী পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে মাতামুহুরী নদী বান্দরবানের লামা পয়
২ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত চলতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপসচিব পদের ১৭৯ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৭২ জন প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মরত, বাকি সাতজন দেশের বাইরে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত।
২০ ঘণ্টা আগে