
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. জিয়াউল হকের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার অসুস্থতার খবর জানার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তার সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) মঙ্গলবার এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
হাসপাতালে গিয়ে ডা. মনোয়ারুল কাদির দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করে শুভেচ্ছা ও শুভকামনার বার্তা পৌঁছে দেন।
এ সময় ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) বলেন, ‘দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্বের অসুস্থতার সংবাদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার নির্দেশনায় সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়েছে। আমরা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতিও আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ অসুস্থ এই প্রবীণ রাজনীতিকের প্রতি রাষ্ট্রীয় সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলে তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. জিয়াউল হকের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার অসুস্থতার খবর জানার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তার সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) মঙ্গলবার এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
হাসপাতালে গিয়ে ডা. মনোয়ারুল কাদির দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করে শুভেচ্ছা ও শুভকামনার বার্তা পৌঁছে দেন।
এ সময় ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) বলেন, ‘দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্বের অসুস্থতার সংবাদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার নির্দেশনায় সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়েছে। আমরা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতিও আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ অসুস্থ এই প্রবীণ রাজনীতিকের প্রতি রাষ্ট্রীয় সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলে তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে প্রতিবাদকারীরা ডাকসু সংগ্রহশালার ফটকের সামনের মেঝেতে দুটি এবং ভেতরের মেঝেতে দুটি ছবি সাঁটিয়ে দেন। এ সময় তারা জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি পদদলন করে প্রতিবাদ জানান।
৩ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ মনগড়া নয় বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব সাইদুর রহমান খান।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ রোগীদের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় মাসে প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩৬ জনের। দেশের ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘ
৪ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
৪ ঘণ্টা আগে