
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মে মাসে মিয়ানমার ও ভারত সীমান্ত হত্যার শিকার হয়েছেন ১০ ব্যক্তি। আগের মাস অর্থাৎ এপ্রিলে এই সংখ্যা ছিল ৮ জন। এ ছাড়া মে মাসে কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে ৭ বন্দির। তাদের মধ্যে ৩ জন কয়েদি এবং ৪ জন হাজতি ছিলেন। এপ্রিলে এ সংখ্যা ছিল ৬ জন।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এপ্রিল এবং মে মাসে দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করে আজ রোববার এসব তথ্য জানিয়েছে। দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং নিজস্ব অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে এ প্রতিবেদন তৈরি করে এমএসএফ।
এমএসএফের পর্যালোচনায়, দেশে মে মাসে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসের ঘটনায় ৩২ জন নিহত হয়েছেন। এপ্রিলে এই সংখ্যা ছিল ২১। চুরি, ধর্ষণচেষ্টা ও জমি বিরোধের কারণে এসব সহিংসতার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া মে মাসে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয়েছে ৫৩টি।
সংগঠনটি বলছে, এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত করে যে দেশে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। অভিযোগের ধরন দেখায় যে সামাজিক বিরোধগুলো ক্রমেই সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে।
সীমান্তে হত্যা বেড়েছে
সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে মানবাধিকার সংগঠনটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, মে মাসে মিয়ানমার ও ভারত সীমান্তে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়েছে। এপ্রিল মাসে যেখানে সীমান্তে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ছিল ৮ জন, সেখানে মে মাসে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ জন। আর এপ্রিলে নির্যাতনে আহতের সংখ্যা ছিল ২ জন, মে মাসে তা বেড়ে ১৩ জনে পৌঁছায়। মে মাসে ভারতীয় সীমান্তে ১০ জনকে পুশ ইন (বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো) করার ঘটনাও ঘটেছে।
এমএসএফ বলছে, এই সংখ্যা সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় মানবাধিকার সুরক্ষার ঘাটতি নির্দেশ করে। বিশেষ করে ভারতীয় সীমান্তে নির্যাতন ও পুশ ইন বৃদ্ধি দ্বিপক্ষীয় মানবাধিকার ইস্যু হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।
কারা হেফাজতে ৭ জনের মৃত্যু
এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে কারা হেফাজতে ৭ বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ জন কয়েদি এবং ৪ জন হাজতি ছিলেন। এপ্রিলে এ সংখ্যা ছিল ৬ জন। কারাগারে মৃত্যুর ধারাবাহিকতা কারা ব্যবস্থার মানবাধিকার পরিস্থিতির দুর্বলতাই ফুটে ওঠে। নির্যাতনের ঘটনা কিছুটা কমলেও আতঙ্কজনিত মৃত্যু নতুন ধরনের ঝুঁকি নির্দেশ করে।
সহিংসতায় হতাহত বেড়েছে
এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে ৬৯টি সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। গরু চুরি, বাকবিতণ্ডা, ধর্ষণচেষ্টা, চাঁদাবাজি, জমির বিরোধ ও ডাকাতির অভিযোগে এসব সহিংসতা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব ঘটনায় ৩২ জন নিহত ও ৭১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এপ্রিল মাসে এ ধরনের ঘটনায় ২১ জন নিহত এবং ৪৯ জন আহত হন। অর্থাৎ মে মাসে এ ধরনের সন্ত্রাসের শিকার হয়ে নিহত ও আহত ব্যক্তির সংখ্যা দুটোই বেড়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সহিংসতার শিকার হচ্ছে উল্লেখ করে এমএসএফ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, এটি রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের দুর্বলতা নির্দেশ করে। তা ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বনলতা এক্সপ্রেস নামক সিনেমা প্রদর্শনেও বাধা দেওয়া হয়েছে, সেটিও একটি মব বটে।
অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার ৫৩টি
মে মাসে ৫৩টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এমএসএফ। তাদের তথ্যমতে, এপ্রিলের তুলনায় এ মাসে লাশ উদ্ধার কমলেও তা এখনো অনেক বেশি। এপ্রিলে লাশ উদ্ধার হয় ৫৬টি। নদী, সড়ক, রেললাইন, ফসলি জমি থেকে এসব লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার সম্ভাব্য বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম বা অপরাধের অপ্রকাশিত মাত্রা নির্দেশ করে। এই সংখ্যা কার্যকর তদন্ত ও জবাবদিহির অভাব স্পষ্ট করে।
রাজনৈতিক সহিংসতা কমেছে
এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা এপ্রিলের তুলনায় কমেছে। এপ্রিলে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৩০৩ জন আহত হলেও মে মাসে হয়েছেন ১৯৩ জন। আর নিহত হয়েছেন ৩ জন।
সংগঠনটি বলছে, এই পরিসংখ্যান আংশিক ইতিবাচক হলেও এখনো উচ্চমাত্রায় সহিংসতা বিদ্যমান। বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের মধ্যে সংঘর্ষ এবং দলীয় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব পরিস্থিতিকে জটিল করছে।
সাংবাদিকের চাপের ধরন বদলেছে
এসএমএফ জানায়, মে মাসে ৩৪ জন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এপ্রিলের তুলনায় এই সংখ্যা কমেছে। এপ্রিলে সাংবাদিক নির্যাতনের সংখ্যা ছিল ৪৬ জন। তবে মে মাসে আইনি হয়রানির সংখ্যা বেড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিকের ওপর চাপের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। শারীরিক হামলার পরিবর্তে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
মানবাধিকার পরিস্থিতির সার্বিক মূল্যায়ন সম্পর্কে এমএসএফ বলছে, বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি সংখ্যাগত কিছু উন্নতি সত্ত্বেও কাঠামোগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়ে গেছে। বিশেষ করে আইনের শাসনের দুর্বলতা, জবাবদিহির অভাব এবং প্রাতিষ্ঠানিক চাপ— এই তিনটি বিষয় ভবিষ্যতে পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
রাজনীতি/আইআর

মে মাসে মিয়ানমার ও ভারত সীমান্ত হত্যার শিকার হয়েছেন ১০ ব্যক্তি। আগের মাস অর্থাৎ এপ্রিলে এই সংখ্যা ছিল ৮ জন। এ ছাড়া মে মাসে কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে ৭ বন্দির। তাদের মধ্যে ৩ জন কয়েদি এবং ৪ জন হাজতি ছিলেন। এপ্রিলে এ সংখ্যা ছিল ৬ জন।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এপ্রিল এবং মে মাসে দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করে আজ রোববার এসব তথ্য জানিয়েছে। দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং নিজস্ব অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে এ প্রতিবেদন তৈরি করে এমএসএফ।
এমএসএফের পর্যালোচনায়, দেশে মে মাসে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসের ঘটনায় ৩২ জন নিহত হয়েছেন। এপ্রিলে এই সংখ্যা ছিল ২১। চুরি, ধর্ষণচেষ্টা ও জমি বিরোধের কারণে এসব সহিংসতার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া মে মাসে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয়েছে ৫৩টি।
সংগঠনটি বলছে, এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত করে যে দেশে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। অভিযোগের ধরন দেখায় যে সামাজিক বিরোধগুলো ক্রমেই সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে।
সীমান্তে হত্যা বেড়েছে
সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে মানবাধিকার সংগঠনটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, মে মাসে মিয়ানমার ও ভারত সীমান্তে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়েছে। এপ্রিল মাসে যেখানে সীমান্তে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ছিল ৮ জন, সেখানে মে মাসে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ জন। আর এপ্রিলে নির্যাতনে আহতের সংখ্যা ছিল ২ জন, মে মাসে তা বেড়ে ১৩ জনে পৌঁছায়। মে মাসে ভারতীয় সীমান্তে ১০ জনকে পুশ ইন (বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো) করার ঘটনাও ঘটেছে।
এমএসএফ বলছে, এই সংখ্যা সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় মানবাধিকার সুরক্ষার ঘাটতি নির্দেশ করে। বিশেষ করে ভারতীয় সীমান্তে নির্যাতন ও পুশ ইন বৃদ্ধি দ্বিপক্ষীয় মানবাধিকার ইস্যু হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।
কারা হেফাজতে ৭ জনের মৃত্যু
এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে কারা হেফাজতে ৭ বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ জন কয়েদি এবং ৪ জন হাজতি ছিলেন। এপ্রিলে এ সংখ্যা ছিল ৬ জন। কারাগারে মৃত্যুর ধারাবাহিকতা কারা ব্যবস্থার মানবাধিকার পরিস্থিতির দুর্বলতাই ফুটে ওঠে। নির্যাতনের ঘটনা কিছুটা কমলেও আতঙ্কজনিত মৃত্যু নতুন ধরনের ঝুঁকি নির্দেশ করে।
সহিংসতায় হতাহত বেড়েছে
এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে ৬৯টি সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। গরু চুরি, বাকবিতণ্ডা, ধর্ষণচেষ্টা, চাঁদাবাজি, জমির বিরোধ ও ডাকাতির অভিযোগে এসব সহিংসতা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব ঘটনায় ৩২ জন নিহত ও ৭১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এপ্রিল মাসে এ ধরনের ঘটনায় ২১ জন নিহত এবং ৪৯ জন আহত হন। অর্থাৎ মে মাসে এ ধরনের সন্ত্রাসের শিকার হয়ে নিহত ও আহত ব্যক্তির সংখ্যা দুটোই বেড়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সহিংসতার শিকার হচ্ছে উল্লেখ করে এমএসএফ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, এটি রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের দুর্বলতা নির্দেশ করে। তা ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বনলতা এক্সপ্রেস নামক সিনেমা প্রদর্শনেও বাধা দেওয়া হয়েছে, সেটিও একটি মব বটে।
অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার ৫৩টি
মে মাসে ৫৩টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এমএসএফ। তাদের তথ্যমতে, এপ্রিলের তুলনায় এ মাসে লাশ উদ্ধার কমলেও তা এখনো অনেক বেশি। এপ্রিলে লাশ উদ্ধার হয় ৫৬টি। নদী, সড়ক, রেললাইন, ফসলি জমি থেকে এসব লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার সম্ভাব্য বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম বা অপরাধের অপ্রকাশিত মাত্রা নির্দেশ করে। এই সংখ্যা কার্যকর তদন্ত ও জবাবদিহির অভাব স্পষ্ট করে।
রাজনৈতিক সহিংসতা কমেছে
এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা এপ্রিলের তুলনায় কমেছে। এপ্রিলে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৩০৩ জন আহত হলেও মে মাসে হয়েছেন ১৯৩ জন। আর নিহত হয়েছেন ৩ জন।
সংগঠনটি বলছে, এই পরিসংখ্যান আংশিক ইতিবাচক হলেও এখনো উচ্চমাত্রায় সহিংসতা বিদ্যমান। বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের মধ্যে সংঘর্ষ এবং দলীয় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব পরিস্থিতিকে জটিল করছে।
সাংবাদিকের চাপের ধরন বদলেছে
এসএমএফ জানায়, মে মাসে ৩৪ জন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এপ্রিলের তুলনায় এই সংখ্যা কমেছে। এপ্রিলে সাংবাদিক নির্যাতনের সংখ্যা ছিল ৪৬ জন। তবে মে মাসে আইনি হয়রানির সংখ্যা বেড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিকের ওপর চাপের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। শারীরিক হামলার পরিবর্তে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
মানবাধিকার পরিস্থিতির সার্বিক মূল্যায়ন সম্পর্কে এমএসএফ বলছে, বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি সংখ্যাগত কিছু উন্নতি সত্ত্বেও কাঠামোগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়ে গেছে। বিশেষ করে আইনের শাসনের দুর্বলতা, জবাবদিহির অভাব এবং প্রাতিষ্ঠানিক চাপ— এই তিনটি বিষয় ভবিষ্যতে পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
রাজনীতি/আইআর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুবাইয়ে আটকের পরই ১৪৪ পৃষ্ঠার মামলার নথি আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, খ্যাতিমান হকি খেলোয়াড় ও সংগঠক আবদুস সাদেক আর নেই। আজ শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
৬ ঘণ্টা আগে
জৈন ধর্ম মানুষের মুক্তির জন্য নৈতিকতার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে। এই ধর্ম অনুযায়ী, বন্দি অবস্থা থেকে আত্মার মুক্তির উপায় তিনটি— সম্যগ দর্শন বা সত্যের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, সম্যগজ্ঞান বা সংশয়শূন্য ও ভ্রমমুক্ত বিশদ জ্ঞান এবং সম্যগ চারিত্র বা হিত আচরণে প্রবৃত্ত হওয়া এবং অহিতকর আচরণ থেকে সম্প
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের দুই ছেল এবং আত্মীয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় নবগঠিত কয়েকটি ইউনিয়নের নামকরণের অভিযোগের পর এবার তার নামে একটি স্কুলের নামকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষা সচিবের কাছে পাঠানো এক পত্রে এই প্রস্তাব নাকচ করেছেন তিনি।
১৯ ঘণ্টা আগে