
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশে বাড়ছে ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব। ক্যান্সারের ধরন থেকে রোগীর সংখ্যা— সবকিছুর গ্রাফই ঊর্ধ্বমুখী। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্যান্সারের চিকিৎসার সুযোগ কি বেড়েছে? ক্যান্সার শনাক্তের জন্য স্ক্রিনিং সেবা কি পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে প্রান্তিক এলাকায়? সরকারি হাসপাতালগুলোতে কি সুলভে মিলছে সেবা? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে রাজনীতি ডটকমের চার পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব পড়ুন আজ।
দেশে ক্যান্সার চিকিৎসার অপ্রতুলতার মধ্যেও আশার আলো হিসেবে টিকে রয়েছে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। ক্যান্সারের জন্য বিশেষায়িত হলেও হাসপাতালটি নিজেই ভুগছে নানা সংকটে। জনবল আর সুযোগ-সুবিধার অভাব তো আছেই, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির তীব্র সংকট।
হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক জানিয়েছেন, হাসপাতালের ছয়টি রেডিওথেরাপি মেশিনের মধ্যে চারটি নষ্ট ছিল আগে থেকেই। এর মধ্যে গত বছরের শেষ ভাগে বাকি দুটি মেশিনও নষ্ট হয়ে গেছে। মেশিন নষ্ট থাকায় হাসপাতালটিতে এক্সরে ও এমআরআই সেবা বন্ধ ছিল দীর্ঘ দিন। পরে একটি মেশিন ঠিক হলেও অন্যটি আর ঠিক করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেডিওথেরাপি মেশিন ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, ২০২২ সালে বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ কোটি। সে হিসাবে প্রতি ছয়টি মৃত্যুর একটির কারণ ছিল ক্যান্সার। বাংলাদেশেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সবশেষ এক গবেষণার তথ্য বলছে, দেশের মোট মৃত্যুর মধ্যে ১২ শতাংশের কারণ ক্যান্সার। দেশের প্রতি লাখ মানুষে ১০৬ জন এই প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে যে পরিমাণ ক্যান্সার রোগী রয়েছেন তাদের ন্যূনতম চিকিৎসা নিশ্চিত করতে অন্তত ৩০০টি রেডিওথেরাপি মেশিন থাকা প্রয়োজন। অথচ সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে রেডিওথেরাপি মেশিন রয়েছে মাত্র ৩৭টি। এর মধ্যে দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে রেডিওথেরাপি মেশিন রয়েছে ছয়টি, যার মধ্যে সচল মাত্র একটি। অন্যান্য চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রের রেডিওথেরাপি মেশিনগুলোর বেশির ভাগও অচল।
জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক জানান, এই হাসপাতালের ছয়টি রেডিওথেরাপি মেশিনের মধ্যে চারটি নষ্ট গত কয়েক বছর ধরে। বাকি দুটি মেশিন দিয়ে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২০০ রোগীকে রেডিওথেরাপি দেওয়া হতো। গত বছরের শেষ সপ্তাহে পর পর দুদিন বাকি দুটি মেশিনও নষ্ট হয়ে যায়। পরে এপ্রিলের দিকে একটি মেশিন ঠিক করা গেছে।
হাসপাতালের চিকিৎসকসহ রোগী ও স্বজনরা বলছেন, বিশেষায়িত এই হাসপাতালে রেডিওথেরাপির পূর্ণ কোর্সের খরচ ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা, বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে যা কয়েক গুণ। ফলে এই হাসপাতালে ক্যান্সার রোগীর চাপ বেশি। কিন্তু রেডিওথেরাপি মেশিনের সংকটে এখন রোগীদের ফিরে যেতে হচ্ছে চিকিৎসা না পেয়ে।
মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় এই ক্যান্সার হাসপাতালে গিয়ে হতাশ হয়ে রোগীদের ফিরে যেতে দেখা গেল। এসব রোগীদের বেশির ভাগই এসেছেন ঢাকার বাইরে দূর-দূরান্ত থেকে। তাদের কেউ কেউ রেডিওথেরাপির কোর্স শুরু করেছেন, কেউ কেউ শুরু করবেন। এই হাসপাতালের তুলনামূলক কম খরচের রেডিওথেরাপির টাকা জোগাড় করাই স্বল্প আয়ের এসব রোগীর জন্য কঠিন। এখন সেবা সীমিত হয়ে পড়ায় বেসরকারি কোনো হাসপাতালে গিয়ে রেডিওথেরাপি নেওয়ার কথা চিন্তাও করতে পারছেন না তারা।
রহিমা বেওয়া নামে একজন রোগীকে রেডিওথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। পরিবারের উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম দুটি গাভী বিক্রি করে এসেছিলেন তিনি ক্যান্সার হাসপাতালে। চিকিৎসা না নিয়েই ফিরে যেতে হয় তাকে। যে টাকা আছে, তা দিয়ে বাইরে কোথাও চিকিৎসা নিতে পারেননি তিনি।
রোজিনা আক্তার নামে আরেক রোগীরও একই অবস্থা। ১৫টি রেডিওথেরাপির মধ্যে পাঁচটি নিয়েছিলেন ধারদেনা করে। পরে ক্যান্সার হাসপাতালে আর থেরাপি নিতে পারেননি। বেসরকারি হাসপাতালে থেরাপি নেওয়ার মতো টাকা ধারদেনা করেও জোগাড় করার উপায় নেই তার।
জানতে চাইলে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘দুটি নষ্ট মেশিনের মধ্যে একটি ঠিক করা সম্ভব হয়েছে। আরেকটি মেশিন ঠিক হবে না বলেই মনে হচ্ছে। তবে আমরা একটি নতুন মেশিন কেনার জন্য যোগাযোগ করছি। যদি সেটা কেনা হয়ে যায়, তাহলে সমস্যা হবে না।’
সবগেুলো মেশিন নষ্ট থাকার সময় রোগীদের সেবা দিতে না পারার কথা স্বীকার করলেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির। তিনি বলেন, ‘অনেক রোগী এসে ফিরে গেছে। এখন আরেকটি মেশিন কিনতে পারলে সেবা আরেকটু বাড়ানো সম্ভব হবে।’
কবে নাগাদ মেশিনটি কেনা সম্ভব হবে— জানতে চাইলে ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের এই ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বলেন, ‘যোগাযোগ করছি। কাগজপত্র বিনিময় চলছে। তবে কিছুটা সময় তো লাগবেই।’

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশে বাড়ছে ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব। ক্যান্সারের ধরন থেকে রোগীর সংখ্যা— সবকিছুর গ্রাফই ঊর্ধ্বমুখী। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্যান্সারের চিকিৎসার সুযোগ কি বেড়েছে? ক্যান্সার শনাক্তের জন্য স্ক্রিনিং সেবা কি পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে প্রান্তিক এলাকায়? সরকারি হাসপাতালগুলোতে কি সুলভে মিলছে সেবা? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে রাজনীতি ডটকমের চার পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব পড়ুন আজ।
দেশে ক্যান্সার চিকিৎসার অপ্রতুলতার মধ্যেও আশার আলো হিসেবে টিকে রয়েছে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। ক্যান্সারের জন্য বিশেষায়িত হলেও হাসপাতালটি নিজেই ভুগছে নানা সংকটে। জনবল আর সুযোগ-সুবিধার অভাব তো আছেই, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির তীব্র সংকট।
হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক জানিয়েছেন, হাসপাতালের ছয়টি রেডিওথেরাপি মেশিনের মধ্যে চারটি নষ্ট ছিল আগে থেকেই। এর মধ্যে গত বছরের শেষ ভাগে বাকি দুটি মেশিনও নষ্ট হয়ে গেছে। মেশিন নষ্ট থাকায় হাসপাতালটিতে এক্সরে ও এমআরআই সেবা বন্ধ ছিল দীর্ঘ দিন। পরে একটি মেশিন ঠিক হলেও অন্যটি আর ঠিক করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেডিওথেরাপি মেশিন ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, ২০২২ সালে বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ কোটি। সে হিসাবে প্রতি ছয়টি মৃত্যুর একটির কারণ ছিল ক্যান্সার। বাংলাদেশেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সবশেষ এক গবেষণার তথ্য বলছে, দেশের মোট মৃত্যুর মধ্যে ১২ শতাংশের কারণ ক্যান্সার। দেশের প্রতি লাখ মানুষে ১০৬ জন এই প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে যে পরিমাণ ক্যান্সার রোগী রয়েছেন তাদের ন্যূনতম চিকিৎসা নিশ্চিত করতে অন্তত ৩০০টি রেডিওথেরাপি মেশিন থাকা প্রয়োজন। অথচ সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে রেডিওথেরাপি মেশিন রয়েছে মাত্র ৩৭টি। এর মধ্যে দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে রেডিওথেরাপি মেশিন রয়েছে ছয়টি, যার মধ্যে সচল মাত্র একটি। অন্যান্য চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রের রেডিওথেরাপি মেশিনগুলোর বেশির ভাগও অচল।
জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক জানান, এই হাসপাতালের ছয়টি রেডিওথেরাপি মেশিনের মধ্যে চারটি নষ্ট গত কয়েক বছর ধরে। বাকি দুটি মেশিন দিয়ে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২০০ রোগীকে রেডিওথেরাপি দেওয়া হতো। গত বছরের শেষ সপ্তাহে পর পর দুদিন বাকি দুটি মেশিনও নষ্ট হয়ে যায়। পরে এপ্রিলের দিকে একটি মেশিন ঠিক করা গেছে।
হাসপাতালের চিকিৎসকসহ রোগী ও স্বজনরা বলছেন, বিশেষায়িত এই হাসপাতালে রেডিওথেরাপির পূর্ণ কোর্সের খরচ ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা, বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে যা কয়েক গুণ। ফলে এই হাসপাতালে ক্যান্সার রোগীর চাপ বেশি। কিন্তু রেডিওথেরাপি মেশিনের সংকটে এখন রোগীদের ফিরে যেতে হচ্ছে চিকিৎসা না পেয়ে।
মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় এই ক্যান্সার হাসপাতালে গিয়ে হতাশ হয়ে রোগীদের ফিরে যেতে দেখা গেল। এসব রোগীদের বেশির ভাগই এসেছেন ঢাকার বাইরে দূর-দূরান্ত থেকে। তাদের কেউ কেউ রেডিওথেরাপির কোর্স শুরু করেছেন, কেউ কেউ শুরু করবেন। এই হাসপাতালের তুলনামূলক কম খরচের রেডিওথেরাপির টাকা জোগাড় করাই স্বল্প আয়ের এসব রোগীর জন্য কঠিন। এখন সেবা সীমিত হয়ে পড়ায় বেসরকারি কোনো হাসপাতালে গিয়ে রেডিওথেরাপি নেওয়ার কথা চিন্তাও করতে পারছেন না তারা।
রহিমা বেওয়া নামে একজন রোগীকে রেডিওথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। পরিবারের উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম দুটি গাভী বিক্রি করে এসেছিলেন তিনি ক্যান্সার হাসপাতালে। চিকিৎসা না নিয়েই ফিরে যেতে হয় তাকে। যে টাকা আছে, তা দিয়ে বাইরে কোথাও চিকিৎসা নিতে পারেননি তিনি।
রোজিনা আক্তার নামে আরেক রোগীরও একই অবস্থা। ১৫টি রেডিওথেরাপির মধ্যে পাঁচটি নিয়েছিলেন ধারদেনা করে। পরে ক্যান্সার হাসপাতালে আর থেরাপি নিতে পারেননি। বেসরকারি হাসপাতালে থেরাপি নেওয়ার মতো টাকা ধারদেনা করেও জোগাড় করার উপায় নেই তার।
জানতে চাইলে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘দুটি নষ্ট মেশিনের মধ্যে একটি ঠিক করা সম্ভব হয়েছে। আরেকটি মেশিন ঠিক হবে না বলেই মনে হচ্ছে। তবে আমরা একটি নতুন মেশিন কেনার জন্য যোগাযোগ করছি। যদি সেটা কেনা হয়ে যায়, তাহলে সমস্যা হবে না।’
সবগেুলো মেশিন নষ্ট থাকার সময় রোগীদের সেবা দিতে না পারার কথা স্বীকার করলেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির। তিনি বলেন, ‘অনেক রোগী এসে ফিরে গেছে। এখন আরেকটি মেশিন কিনতে পারলে সেবা আরেকটু বাড়ানো সম্ভব হবে।’
কবে নাগাদ মেশিনটি কেনা সম্ভব হবে— জানতে চাইলে ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের এই ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বলেন, ‘যোগাযোগ করছি। কাগজপত্র বিনিময় চলছে। তবে কিছুটা সময় তো লাগবেই।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত
১০ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্তাভরস লামব্রিনিদিস এবং জি৭৭ ও চীনের চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের মধ্যে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
এর ফলে উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আগের মতো ৫০ হাজার টাকাই থাকছে। বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তারাও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের এ খরচ পেয়ে থাকেন। তাদের জন্যও এ খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েও তা থেক
১৪ ঘণ্টা আগে