
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম দফায় যে ছয়টি কমিশন গঠন করে দিয়েছিল সেগুলোর মেয়াদ আরেক দফা বাড়িয়েছে সরকার।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপন জারি করে সংস্কার কমিশনগুলোর মেয়াদ আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
সংস্কার কমিশনগুলো হলো- নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ও সংবিধান সংস্কার কমিশন।
গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হলে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ নেয়। শুরুতেই সরকার বেশ কিছু ক্ষেত্রে সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। আর সে লক্ষ্যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির জন্য মোট ১১টি কমিশন গঠন করা হয়। এর মধ্যে ৩ অক্টোবর প্রথম দফায় ছয়টি কমিশন গঠন করা হয়।
কমিশনগুলোর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য প্রথমে ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই হিসেবে সংবিধান সংস্কার কমিশন ছাড়া সব কমিশনের মেয়াদ ২ জানুয়ারি শেষ হয়। সংবিধান সংস্কার কমিশনের মেয়াদ শেষ হয় ৪ জানুয়ারি। এরপর ২ জানুয়ারি দেওয়া প্রজ্ঞাপনে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের মেয়াদ ৩১ জানুয়ারি এবং বাকি পাঁচ কমিশনের মেয়াদ ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
এবার আরেক দফা বাড়ানো হলো সংস্কার কমিশনগুলোর মেয়াদ। ইতোমধ্যে চারটি কমিশন তাদের প্রাথমিক সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম দফায় যে ছয়টি কমিশন গঠন করে দিয়েছিল সেগুলোর মেয়াদ আরেক দফা বাড়িয়েছে সরকার।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপন জারি করে সংস্কার কমিশনগুলোর মেয়াদ আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
সংস্কার কমিশনগুলো হলো- নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ও সংবিধান সংস্কার কমিশন।
গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হলে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ নেয়। শুরুতেই সরকার বেশ কিছু ক্ষেত্রে সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। আর সে লক্ষ্যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির জন্য মোট ১১টি কমিশন গঠন করা হয়। এর মধ্যে ৩ অক্টোবর প্রথম দফায় ছয়টি কমিশন গঠন করা হয়।
কমিশনগুলোর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য প্রথমে ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই হিসেবে সংবিধান সংস্কার কমিশন ছাড়া সব কমিশনের মেয়াদ ২ জানুয়ারি শেষ হয়। সংবিধান সংস্কার কমিশনের মেয়াদ শেষ হয় ৪ জানুয়ারি। এরপর ২ জানুয়ারি দেওয়া প্রজ্ঞাপনে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের মেয়াদ ৩১ জানুয়ারি এবং বাকি পাঁচ কমিশনের মেয়াদ ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
এবার আরেক দফা বাড়ানো হলো সংস্কার কমিশনগুলোর মেয়াদ। ইতোমধ্যে চারটি কমিশন তাদের প্রাথমিক সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংসদ অধিবেশন নিয়ে তিনি বলেন, “সংবিধানে আছে রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। প্রশ্ন এসেছিল আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকব কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে আর আমাদের পরবর্তী নিয়মিত অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে—এই দুটি সময় ব্যাপ্তির মিল থাকায় বিশেষ অধিবেশনের আপ
৪ ঘণ্টা আগে
সরকার মনে করলে আগস্টে বিশেষ অধিবেশন হতে পারে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানে আছে রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। প্রশ্ন এসেছিলো আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকবো কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে আর আমাদের নেক্সট অধিবেশন ৬০দিনের মধ্যে, ২টি টাইম ম্যাচ করছে সেহেতু বিশেষ অধিবেশনের
৪ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরে জানতে পারেন তাহসিনের কথা, মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে তার বোনকে হারানোর ইতিহাস। বিষয়টি জানার পর তিনি তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে তাহসিন ও তার পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব জানান, এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহ
১৭ ঘণ্টা আগে