
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নিজের ভাইবোনকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার হস্তগত করার অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দাখিল করা চার্জশিটটি আদালতে গৃহীত হয়েছে। শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান ও মো. সামসুজ্জামান পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ’র আদালত এ আদেশ দেন।
আগামী ২ ফেব্রুয়ারি মামলা পরবর্তী শুনানির জন্য ধার্য করা হয়েছে।
অপর এক মামলায় সিমিনসহ ৫ আসামিকে অব্যাহতির বিরুদ্ধে বাদীর করা নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
বাদীপক্ষে আইনজীবী মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এ মামলায় চার্জশিট গৃহীত হওয়ায় সিমিনসহ তিন আসামি অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এছাড়া অপর এক মামলায় নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করায় আমরা বাদীপক্ষ সংক্ষুব্ধ। আদালতে এ আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আমরা উচ্চ আদালতে রিভিশন করব।
বাদীপক্ষের শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মোসলেহ উদ্দিন জসিম, মনির হোসেন ও আমিনুল হক।
আসামিপক্ষে শুনানি করেন, অ্যাডভোকেট শাহাবুদ্দিন মোল্লা সবুজ, খোরশেদ আলম, ঢাকা বারের সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মোহসীন মিয়া, ইকবাল হোসেনসহ ২০/২৫ জন আইনজীবী।
গত ১১ জানুয়ারি পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর সৈয়দ সাজেদুর রহমান আদালতে এ বিষয়ে চার্জশিট দাখিল করেছেন।
তিনি জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের ভাইবোনকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে গোপনে ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে ট্রান্সকম গ্রুপের ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে সিমিন রহমান ছাড়াও ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক মো. কামরুল হাসান, মো. মোসাদ্দেক, আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক, মো. সামসুজ্জামান পাটোয়ারী এবং লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ভাইবোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে গুলশান থানায় এই মামলা করেছিলেন লতিফুর রহমানের আরেক মেয়ে শাযরেহ হক।
অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ১৩ জুন ঢাকায় বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। মিটিংয়ের ‘অ্যাজেন্ডা’ ছিল– আগের মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুমোদন, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মিটিংয়ে অংশগ্রহণ ও ইলেকট্রনিক সিগনেচারের অনুমোদন, লতিফুর রহমান কর্তৃক শেয়ার হস্তান্তরের বিষয়ে অনুমোদন।
এ মিটিংয়ে হাজিরা শিটে লতিফুর রহমানকে ছুটিতে দেখানো হয়। হাজিরা শিটে আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের স্বাক্ষর থাকলেও মিটিংয়ের সময় তিনি কুমিল্লায় অবস্থান করছিলেন। বোর্ড মিটিংয়ে তৃতীয় অ্যাজেন্ডার মাধ্যমে লতিফুর রহমানের ২৩ হাজার ৬০০ শেয়ারের মধ্যে তার বড় মেয়ে সিমিন রহমানকে ১৪ হাজার ১৬০টি এবং ছেলে আরশাদ ওয়ালিউর রহমান ও ছোট মেয়ে শাযরেহ হককে ৪ হাজার ৭২০টি করে শেয়ার হস্তান্তর করা হয়।
এ মিটিংয়ের বিষয়ে বাদী দাবি করেন, এ ধরনের বোর্ড মিটিং ২০২০ সালের ১৩ জুন অনুষ্ঠিত হয়নি।
তদন্তকালে কোম্পানির বর্তমান পরিচালককে ২০২০ সালের ১৩ জুনের বোর্ড মিটিং ও রেজল্যুশনের কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য বলা হলে আসামিপক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তদন্তে বোর্ড মিটিংয়ের আগে কোনো ইমেইল অথবা ডাকযোগে কোনো নোটিশ বা চিঠির কপি পাওয়া যায়নি।

নিজের ভাইবোনকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার হস্তগত করার অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দাখিল করা চার্জশিটটি আদালতে গৃহীত হয়েছে। শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান ও মো. সামসুজ্জামান পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ’র আদালত এ আদেশ দেন।
আগামী ২ ফেব্রুয়ারি মামলা পরবর্তী শুনানির জন্য ধার্য করা হয়েছে।
অপর এক মামলায় সিমিনসহ ৫ আসামিকে অব্যাহতির বিরুদ্ধে বাদীর করা নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
বাদীপক্ষে আইনজীবী মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এ মামলায় চার্জশিট গৃহীত হওয়ায় সিমিনসহ তিন আসামি অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এছাড়া অপর এক মামলায় নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করায় আমরা বাদীপক্ষ সংক্ষুব্ধ। আদালতে এ আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আমরা উচ্চ আদালতে রিভিশন করব।
বাদীপক্ষের শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মোসলেহ উদ্দিন জসিম, মনির হোসেন ও আমিনুল হক।
আসামিপক্ষে শুনানি করেন, অ্যাডভোকেট শাহাবুদ্দিন মোল্লা সবুজ, খোরশেদ আলম, ঢাকা বারের সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মোহসীন মিয়া, ইকবাল হোসেনসহ ২০/২৫ জন আইনজীবী।
গত ১১ জানুয়ারি পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর সৈয়দ সাজেদুর রহমান আদালতে এ বিষয়ে চার্জশিট দাখিল করেছেন।
তিনি জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের ভাইবোনকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে গোপনে ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে ট্রান্সকম গ্রুপের ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে সিমিন রহমান ছাড়াও ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক মো. কামরুল হাসান, মো. মোসাদ্দেক, আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক, মো. সামসুজ্জামান পাটোয়ারী এবং লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ভাইবোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে গুলশান থানায় এই মামলা করেছিলেন লতিফুর রহমানের আরেক মেয়ে শাযরেহ হক।
অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ১৩ জুন ঢাকায় বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। মিটিংয়ের ‘অ্যাজেন্ডা’ ছিল– আগের মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুমোদন, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মিটিংয়ে অংশগ্রহণ ও ইলেকট্রনিক সিগনেচারের অনুমোদন, লতিফুর রহমান কর্তৃক শেয়ার হস্তান্তরের বিষয়ে অনুমোদন।
এ মিটিংয়ে হাজিরা শিটে লতিফুর রহমানকে ছুটিতে দেখানো হয়। হাজিরা শিটে আরশাদ ওয়ালিউর রহমানের স্বাক্ষর থাকলেও মিটিংয়ের সময় তিনি কুমিল্লায় অবস্থান করছিলেন। বোর্ড মিটিংয়ে তৃতীয় অ্যাজেন্ডার মাধ্যমে লতিফুর রহমানের ২৩ হাজার ৬০০ শেয়ারের মধ্যে তার বড় মেয়ে সিমিন রহমানকে ১৪ হাজার ১৬০টি এবং ছেলে আরশাদ ওয়ালিউর রহমান ও ছোট মেয়ে শাযরেহ হককে ৪ হাজার ৭২০টি করে শেয়ার হস্তান্তর করা হয়।
এ মিটিংয়ের বিষয়ে বাদী দাবি করেন, এ ধরনের বোর্ড মিটিং ২০২০ সালের ১৩ জুন অনুষ্ঠিত হয়নি।
তদন্তকালে কোম্পানির বর্তমান পরিচালককে ২০২০ সালের ১৩ জুনের বোর্ড মিটিং ও রেজল্যুশনের কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য বলা হলে আসামিপক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তদন্তে বোর্ড মিটিংয়ের আগে কোনো ইমেইল অথবা ডাকযোগে কোনো নোটিশ বা চিঠির কপি পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় দেশটির ৭ হাজার ১৩২টি পণ্যকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে বাংলাদেশ। এর বিপরীতে বাংলাদেশের ২ হাজার ৫০০ পণ্যকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া চাকরি থেকে পদত্যাগের আবেদন করেছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর এ আবেদন করেন বলে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস শেষ কর্মদিবসে আজ সোমবার তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন। এরপর তাদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশ নেনে তিনি। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে ট্রান্সকম গ্রুপের ১৪ হাজার ১৬০ শেয়ার আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান এবং তার মা ট্রান্সকম গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান শাহনাজ রহমানসহ ছয়জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
৫ ঘণ্টা আগে