
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত ‘যুদ্ধাপরাধীদের’ নাম শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। একই সঙ্গে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় না দাঁড়িয়ে ‘জাতীয় সংগীত অবমাননা’ করায় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রচার, পাঠাগার ও পাঠচক্র বিভাগের সম্পাদক আজমীর তারেক চৌধুরীর সই করা এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে।
বিবৃতিতে বলা হয়, মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা, স্বাধীনতার চেতনা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা জাতীয় সংসদের অন্যতম দায়িত্ব। অথচ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষে যাদের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে এবং যারা দণ্ডপ্রাপ্ত— এমন ‘কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারদের’ নাম জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা ‘শুধু ইতিহাস কলঙ্কিত করা নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতিও চরম অবমাননা’।
উদীচীর নেতৃদ্বয় বলেন, জাতীয় সংসদ দেশের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান। সেখানে এ ধরনের ঘটনা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে দেয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয় সংগীত শুধু একটি গান নয়, এটি মুক্তিযুদ্ধ, আত্মত্যাগ এবং জাতিসত্তার প্রতীক। জাতীয় সংগীতের প্রতি অবমাননাকর আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণ দেশের সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং জাতির মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করে। জাতীয় সংগীতের সময় যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের বিষয়ে সাংবিধানিকভাবেও বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস চলতে পারে না বলে মনে করে উদীচী। যুদ্ধাপরাধীদের মহিমান্বিত করার যে কোনো প্রচেষ্টা এবং জাতীয় প্রতীকসমূহের অবমাননার বিরুদ্ধে দেশের সব প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত ‘যুদ্ধাপরাধীদের’ নাম শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। একই সঙ্গে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় না দাঁড়িয়ে ‘জাতীয় সংগীত অবমাননা’ করায় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রচার, পাঠাগার ও পাঠচক্র বিভাগের সম্পাদক আজমীর তারেক চৌধুরীর সই করা এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে।
বিবৃতিতে বলা হয়, মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা, স্বাধীনতার চেতনা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা জাতীয় সংসদের অন্যতম দায়িত্ব। অথচ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষে যাদের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে এবং যারা দণ্ডপ্রাপ্ত— এমন ‘কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারদের’ নাম জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা ‘শুধু ইতিহাস কলঙ্কিত করা নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতিও চরম অবমাননা’।
উদীচীর নেতৃদ্বয় বলেন, জাতীয় সংসদ দেশের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান। সেখানে এ ধরনের ঘটনা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে দেয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয় সংগীত শুধু একটি গান নয়, এটি মুক্তিযুদ্ধ, আত্মত্যাগ এবং জাতিসত্তার প্রতীক। জাতীয় সংগীতের প্রতি অবমাননাকর আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণ দেশের সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং জাতির মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করে। জাতীয় সংগীতের সময় যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের বিষয়ে সাংবিধানিকভাবেও বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস চলতে পারে না বলে মনে করে উদীচী। যুদ্ধাপরাধীদের মহিমান্বিত করার যে কোনো প্রচেষ্টা এবং জাতীয় প্রতীকসমূহের অবমাননার বিরুদ্ধে দেশের সব প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
২ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
২ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক দিনের সফরে সিলেটে যান রাষ্ট্রপতি। সফরের শুরুতেই তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গিয়ে জিয়ারত করেন। এরপর যান হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারে। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে