
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর ও সুশৃঙ্খল রাখতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটগ্রহণে দেশের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে সম্পূর্ণ ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
সম্প্রতি ইসির এক পত্রে সব রিটার্নিং অফিসারকে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত ভোটার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ভোটদান নিশ্চিত করতেই কমিশনের পক্ষ থেকে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব রিটার্নিং অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণ চলাকালে ভোটদান কেন্দ্রগুলোকে ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্দেশনা অনুযায়ী, বর্ণিত অবস্থায় কমিশনের উল্লিখিত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর ও সুশৃঙ্খল রাখতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটগ্রহণে দেশের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে সম্পূর্ণ ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
সম্প্রতি ইসির এক পত্রে সব রিটার্নিং অফিসারকে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত ভোটার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ভোটদান নিশ্চিত করতেই কমিশনের পক্ষ থেকে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব রিটার্নিং অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণ চলাকালে ভোটদান কেন্দ্রগুলোকে ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্দেশনা অনুযায়ী, বর্ণিত অবস্থায় কমিশনের উল্লিখিত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশ চরম অর্থনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও গণতান্ত্রিক বিপর্যয়ের মধ্যে ছিল। দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অপশাসনে রাষ্ট্রের কাঠামো ভেঙে পড়ে। সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে শত শত বিলিয়ন ডলার পাচার হয়, খেলাপি ঋণে বিপর্যস্ত হয় ব্যাংকিং খাত। এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক
২ ঘণ্টা আগে
জরুরি সেবা, গণমাধ্যম, বিদেশি যাত্রী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকলেও সাধারণ যান চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হবে। মূলত নির্বাচনী নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রধান এই প্রবেশদ্বার স্থবির হয়ে পড়ায় জাতীয় সরবরাহ ব্যবস্থা ও বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে