
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকায় বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১ লাখ দক্ষ ও প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
এছাড়া দুর্যোগের সময় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে রাজধানীর খেলার মাঠ ও স্কুলগুলোকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ১১ মার্চ এ বিষয়ে চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা হবে।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ঢাকা অত্যন্ত জনবহুল ও অপরিকল্পিত নগরী। বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে এখানে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা বড় চ্যালেঞ্জ। তাই প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকায় ১ লাখ দক্ষ ও প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে তারা যেন তাৎক্ষণিক সাড়া দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী খোলামেলা জায়গা হিসেবে খেলার মাঠ ও বিভিন্ন স্কুলকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করার কথা বলেছেন। যেন দুর্যোগের পরপরই মানুষকে সেখানে সরিয়ে নেওয়া যায়।
মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে আমরা একটি প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করছি। আগামী ১১ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী ঢাকায় বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১ লাখ দক্ষ ও প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
এছাড়া দুর্যোগের সময় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে রাজধানীর খেলার মাঠ ও স্কুলগুলোকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ১১ মার্চ এ বিষয়ে চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা হবে।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ঢাকা অত্যন্ত জনবহুল ও অপরিকল্পিত নগরী। বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে এখানে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা বড় চ্যালেঞ্জ। তাই প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকায় ১ লাখ দক্ষ ও প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে তারা যেন তাৎক্ষণিক সাড়া দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী খোলামেলা জায়গা হিসেবে খেলার মাঠ ও বিভিন্ন স্কুলকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করার কথা বলেছেন। যেন দুর্যোগের পরপরই মানুষকে সেখানে সরিয়ে নেওয়া যায়।
মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে আমরা একটি প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করছি। আগামী ১১ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান বলেছেন, তিনি পুরস্কারটি গ্রহণ করলেও এর অর্থ গ্রহণ করবেন না। পুরস্কারের অর্থ তিনি সামর্থ্যহীন কবি, লেখক বা সাংস্কৃতিক কর্মীদের কল্যাণে প্রদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের নীতিমালারও আমূল সংস্কার দাবি করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ফ্লাইট বাতিলের ফলে অন্তত ১০ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন, যাদের বড় অংশই প্রবাসী। যাত্রীদের অনেকের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আবার অনেকে বাড়ি ফিরে গেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এয়ারলাইন্সগুলো যাত্রীদের মুঠোফোনে অবহিত করবে।
৫ ঘণ্টা আগে
নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি কলেজের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, পেশাগত সহযোগিতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে