জাইকার সঙ্গে ৬৭০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল করতে ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা করছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, সহজ শর্তে ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য এই ঋণ প্রকল্প দুটির বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এই লক্ষ্যে জাইকা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে দুটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যার পরিমাণ মোট ৮৫ হাজার ৮১৯ মিলিয়ন ইয়েন, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এই ঋণ সামগ্রিকভাবে দুটি প্রকল্পে বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে ২৮ হাজার ৬৯৯ মিলিয়ন ইয়েন নিরাপদ খাদ্য প্রকল্পের জন্য এবং ৫৭ হাজার ১২০ মিলিয়ন ইয়েন মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের গবেষণা কর্মকর্তা মো. তাইফ আলী জানান, গত ২৫ মার্চ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে দুটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং জাইকার চীফ রিপ্রেজেনটেটিভ তুমুহিদে ইচিগুচি নিজ নিজ সরকার ও সংস্থার পক্ষে সই করেন।

তাইফ জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে গত ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত একনেকে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ায় আগামী সপ্তাহের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ডিমান্ড নোট প্রকাশ করে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরেই চুক্তির টাকা ছাড় করিয়ে কাজ শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, ‘ফুড সেফটি টেস্টিং ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে ২৮ হাজার ৬৯৯ মিলিয়ন ইয়েন ব্যয়ে বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথোরিটি (বিএফএসএ)- এর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। যা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সহায়তা করবে।

অপরদিকে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভলপমেন্ট বোর্ড সুত্র জানায়, ‘মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট-৮ এর জন্য জাইকা ৫৭ হাজার ১২০ মিলিয়ন ইয়েন ঋণ দিচ্ছে। উক্ত প্রকল্পের শক্তির নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে এবং জ্বালানি উৎসগুলোর বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে এই ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। যার আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন, রাস্তা, সেতু এবং একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য ও বিদ্যুৎ বিতরণে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

আমার সুদৃঢ় ভূমিকায় দেশে সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি: সাহাবুদ্দিন

জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী এ পরিস্থিতিতে নিজে ‘সুদৃঢ় ও ইতিবাচক’ ভূমিকা রেখেছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি। লিখেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়। সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানে

১৫ ঘণ্টা আগে

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলই সবচেয়ে উপযুক্ত: আসিফ নজরুল

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন-এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

১৫ ঘণ্টা আগে

স্পিকারের আসনে কায়সার কামাল

সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী তিনি পদত্যাগ করায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

১৫ ঘণ্টা আগে

যে জটিল রোগে অচেতন হয়ে যান বিদায়ী রাষ্ট্রপতি

পদত্যাগপত্রে বেশ কয়েকটি শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত বলে উল্লেখ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। বলেছেন, তিনি ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’ নামে একটি রোগে আক্রান্ত বলে সম্প্রতি ধরা পড়েছে, যার কারণে তিনি কখনো কখনো অচেতন হয়ে পড়েন।

১৬ ঘণ্টা আগে