
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বিতীয় পর্যায়ে গঠিত পাঁচটি সংস্কার কমিশনের প্রধান যৌথভাবে একটি চিঠি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে। চিঠিতে তারা প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, এসব সংস্কার জুলাই সনদে অঅন্তর্ভুক্ত না করলে তা ভবিষ্যতে উপেক্ষিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।
রবিবার (৩ আগস্ট) এ যৌথ চিঠি পাঠানো হয়েছে প্রধান উপদেষ্টাকে। চিঠিতে সই করেছেন— শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন পারভিন হক, স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান তোফায়েল আহমেদ, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের প্রধান জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান এবং গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গত বছরের ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর ৩ অক্টোবর নির্বাচনব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জনপ্রশাসন এবং ৬ অক্টোবর সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়৷ দ্বিতীয় ধাপে ১৮ নভেম্বর গঠন করা হয় স্বাস্থ্য, গণমাধ্যম, নারীবিষয়ক, শ্রম ও স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন।
এসব সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের জন্য এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টাকে সভাপতি করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এ কমিশন দুই ধাপে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম ধাপে গঠিত ছয়টি কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ নিয়ে আলোচনা করে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা শেষে উঠে আসা ঐকমত্যগুলো নিয়েই প্রণয়ন করা হয়েছে জুলাই সনদ, যা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের বর্ষপূর্তির দিন আগামী মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
এ পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় ধাপে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর প্রধানরা মনে করছেন, জুলাই সনদে তাদের প্রতিবেদন ও সুপারিশ সংযোজন করা না হলে এগুলো বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
চিঠিতে কমিশনপ্রধানরা বলেন, প্রথম পর্যায়ের ছয়টি বিষয়ভিত্তিক কমিশনের সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ সময়োপযোগী হলেও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ও একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংস্কারগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
চিঠিতে বলা হয়, সময়ের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এখনই দুটি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব। প্রথমত, বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কারগুলো চিহ্নিত করে তা দ্রুত কার্যকর করা এবং দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের পর গঠিত সরকার এসব সংস্কার অব্যাহত রাখবে— এ মর্মে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নেওয়া এবং বিষয়গুলো জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত করা।
চিঠিতে কমিশনপ্রধানরা আশঙ্কা জানিয়ে বলেন, জুলাই সনদে গণমাধ্যম, নারী, শ্রম, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকারবিষয়ক সংস্কার অন্তর্ভুক্ত না হলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলো তা বাতিল বা উপেক্ষা করার সুযোগ পাবে, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিপুল পরিমাণ শ্রমিক, নারী ও সাংবাদিক প্রাণ দিয়েছেন উল্লেখ করে চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, তাদের আত্মত্যাগের প্রতিফলন সংস্কার কার্যক্রমে না থাকলে তা হতাশা ও ক্ষোভের জন্ম দিতে পারে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে গঠিত পাঁচটি সংস্কার কমিশনের প্রধান যৌথভাবে একটি চিঠি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে। চিঠিতে তারা প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, এসব সংস্কার জুলাই সনদে অঅন্তর্ভুক্ত না করলে তা ভবিষ্যতে উপেক্ষিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।
রবিবার (৩ আগস্ট) এ যৌথ চিঠি পাঠানো হয়েছে প্রধান উপদেষ্টাকে। চিঠিতে সই করেছেন— শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন পারভিন হক, স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান তোফায়েল আহমেদ, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের প্রধান জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান এবং গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গত বছরের ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর ৩ অক্টোবর নির্বাচনব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জনপ্রশাসন এবং ৬ অক্টোবর সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়৷ দ্বিতীয় ধাপে ১৮ নভেম্বর গঠন করা হয় স্বাস্থ্য, গণমাধ্যম, নারীবিষয়ক, শ্রম ও স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন।
এসব সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের জন্য এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টাকে সভাপতি করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এ কমিশন দুই ধাপে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম ধাপে গঠিত ছয়টি কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ নিয়ে আলোচনা করে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা শেষে উঠে আসা ঐকমত্যগুলো নিয়েই প্রণয়ন করা হয়েছে জুলাই সনদ, যা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের বর্ষপূর্তির দিন আগামী মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
এ পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় ধাপে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর প্রধানরা মনে করছেন, জুলাই সনদে তাদের প্রতিবেদন ও সুপারিশ সংযোজন করা না হলে এগুলো বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
চিঠিতে কমিশনপ্রধানরা বলেন, প্রথম পর্যায়ের ছয়টি বিষয়ভিত্তিক কমিশনের সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ সময়োপযোগী হলেও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ও একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংস্কারগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
চিঠিতে বলা হয়, সময়ের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এখনই দুটি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব। প্রথমত, বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কারগুলো চিহ্নিত করে তা দ্রুত কার্যকর করা এবং দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের পর গঠিত সরকার এসব সংস্কার অব্যাহত রাখবে— এ মর্মে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নেওয়া এবং বিষয়গুলো জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত করা।
চিঠিতে কমিশনপ্রধানরা আশঙ্কা জানিয়ে বলেন, জুলাই সনদে গণমাধ্যম, নারী, শ্রম, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকারবিষয়ক সংস্কার অন্তর্ভুক্ত না হলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলো তা বাতিল বা উপেক্ষা করার সুযোগ পাবে, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিপুল পরিমাণ শ্রমিক, নারী ও সাংবাদিক প্রাণ দিয়েছেন উল্লেখ করে চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, তাদের আত্মত্যাগের প্রতিফলন সংস্কার কার্যক্রমে না থাকলে তা হতাশা ও ক্ষোভের জন্ম দিতে পারে।

দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় কূটনৈতিক পর্যায়ে খোঁজখবর শুরু করেছে বাংলাদেশ। আগাম কূটনৈতিক যোগাযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে ইমিগ্রেশন পর্যায়ে আটকে দেওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ঢাকার কর্মকর্তারা।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়াকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ একই সঙ্গে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো সদিচ্ছার সঙ্গে চুক্তিটি বাস্তবায়ন করবে এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
৭ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর-কাণ্ড এবং ডিসেম্বরে তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনের সড়ক বালুর ট্রাক দিয়ে আটকে দেওয়ার মতো আলোচিত ঘটনাগুলোর সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার ছিলেন বেনজীর। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের এই কর্মকর্তাকে বক্তৃতা-বিবৃতিতে ক্ষমত
২১ ঘণ্টা আগে
তার এ বক্তব্য ‘ব্যক্তি স্বাধীনতার লঙ্ঘন’ অভিহিত করে তা এক্সপাঞ্জ (সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ) ঘোষণা করেন সংসদ অধিবেশনে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। পরে সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম এ বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি এ বক্তব্যকে ‘হীন মানসিকতা ও বর্ণবাদী আচ
১ দিন আগে