
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদ থেকে কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগমকে অব্যাহতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়। হঠাৎ নেওয়া এই সিদ্ধান্তের সময় তিনি দাপ্তরিক কাজে ঢাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের প্রজ্ঞাপনমূলে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র-এর পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃত আফসানা বেগম-এর নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হলো।’
সরকার যখন এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তখন আফসানা বেগম তার সহকর্মীদের সঙ্গে চার দিনের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ঢাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন।
আফসানা বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাকে কোনো রকম 'কারণ দর্শানোর' নোটিস ছাড়াই এটি করা হয়েছে। সরকার যে কোনো সময় নিয়োগ বাতিল করার এখতিয়ার রাখে, সরকার বাতিল করেছে। এখন আমার আর কিছুই বলার নাই।’
নিজের কাজ ‘অর্ধ সমাপ্ত থাকার কথা’ মন্তব্য করে করে আফসানা বেগম বলেন, "আমি তো দুই বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলাম, সে অনুযায়ী কাজের পরিকল্পনা করে এগুচ্ছিলাম। এখন কিছু কাজ অর্ধ-সমাপ্ত রেখেই চলে যেতে হচ্ছে।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন আফসানা বেগম পরে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।
শিশু-কিশোরসাহিত্যসহ আফসানা বেগমের বইয়ের সংখ্যা ২৪। উল্লেখযোগ্য বই প্রতিচ্ছায়া, বেদনার আমরা সন্তান, আমি অথবা আমার ছায়া, দিনগত কপটতা। অনুবাদ করেছেন নাদিন গড়িমার, উইলিয়াম ফকনার, হুলিও কোর্তাসার, অ্যালিস মানরো, আইজাক আসিমভ, ফিদেল কাস্ত্রো। ২০১৪ সালে পেয়েছেন জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার।

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদ থেকে কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগমকে অব্যাহতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়। হঠাৎ নেওয়া এই সিদ্ধান্তের সময় তিনি দাপ্তরিক কাজে ঢাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের প্রজ্ঞাপনমূলে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র-এর পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃত আফসানা বেগম-এর নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হলো।’
সরকার যখন এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তখন আফসানা বেগম তার সহকর্মীদের সঙ্গে চার দিনের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ঢাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন।
আফসানা বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাকে কোনো রকম 'কারণ দর্শানোর' নোটিস ছাড়াই এটি করা হয়েছে। সরকার যে কোনো সময় নিয়োগ বাতিল করার এখতিয়ার রাখে, সরকার বাতিল করেছে। এখন আমার আর কিছুই বলার নাই।’
নিজের কাজ ‘অর্ধ সমাপ্ত থাকার কথা’ মন্তব্য করে করে আফসানা বেগম বলেন, "আমি তো দুই বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলাম, সে অনুযায়ী কাজের পরিকল্পনা করে এগুচ্ছিলাম। এখন কিছু কাজ অর্ধ-সমাপ্ত রেখেই চলে যেতে হচ্ছে।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন আফসানা বেগম পরে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।
শিশু-কিশোরসাহিত্যসহ আফসানা বেগমের বইয়ের সংখ্যা ২৪। উল্লেখযোগ্য বই প্রতিচ্ছায়া, বেদনার আমরা সন্তান, আমি অথবা আমার ছায়া, দিনগত কপটতা। অনুবাদ করেছেন নাদিন গড়িমার, উইলিয়াম ফকনার, হুলিও কোর্তাসার, অ্যালিস মানরো, আইজাক আসিমভ, ফিদেল কাস্ত্রো। ২০১৪ সালে পেয়েছেন জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার।

বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী হতাহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি তদন্তের মাধ্যমে দুর্ঘটনার কারণ অবিলম্বে খুঁজে বের করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ দেন তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৪ এপ্রিল) যুব বাঙালির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কমিটির পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এ সব কথা বলা হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় সংগঠক অপু, তানসেন, অয়ন আমান, রায়হান তানভীর, ইউসুফ সরকার রুজেল, বাঁধন ফাহাদ, ওয়ালিদ হাসান ভুবন, সৈয়দ স্বাধীন, মোহাম্মদ আলী পারভেজ, কাজী কাওছার, সিয়াম, হৃদয়, রেদওয়ান,
১৪ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত অস্থিতিশীল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশে জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক (ইউএই) ডিবিএস ট্রেডিং হাউস এফজেডসিওর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১০ লাখ মেট্রিক টন
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘দুর্গাপুরে এই মহিলা কলেজ একমাত্র কলেজ, যা পার্শ্ববর্তী উপজেলা কলমাকান্দাতেও নেই। এই কলেজটি যদি আমরা সমৃদ্ধ করতে পারতাম, তাহলে আমাদের অনেক ছাত্রীকে নেত্রকোনায় যেতে হতো না, অনেক ছাত্রীকে ময়মনসিংহে যেতে হতো না। কেন যাচ্ছে? আমার-আপনার কারণেই যাচ্ছে। এখানে এসে পড়ানোর যে পরিবেশটা পাওয়ার কথা বা
১৬ ঘণ্টা আগে