
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

হালাল সনদ পাওয়ার ক্ষেত্রে ‘ঘুষ‘ প্রদানসহ নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়— ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)।
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক কর্মশায়ায় ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিবৃতি দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে সংস্থাটি। সংস্থাটি বলেছে, হালাল সনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম বহিভূত কোনো কাজ করে না তারা।
তবে, কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপকালে তারা রাজনীতি ডটকমকে জানিয়েছেন—সার্টিফিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা ধরনের হয়রানি ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হতে হয় তাদের।
রোববার (১৯ জুলাই) এক প্রতিবাদলিপিতে বিএসটিআই জানায়, তাদের হালাল সার্টিফিকেশন কার্যক্রম বিএসটিআই আইন ২০১৮, প্রবিধানমালা ২০২২, সরকারি গেজেট, আন্তর্জাতিক মান ISO/IEC 17065 এবং প্রযোজ্য হালাল মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালিত হয়।
এর আগে, গতকাল শনিবার বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) আয়োজিত 'হালাল ফর এক্সপোর্ট ডাইভার্সিফিকেশন' কর্মশালায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে পণ্যের হালাল সনদ নেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা।
ওই কর্মশালায় অংশ নিয়ে বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক খুরশিদ আহমেদ ফরহাদ বলেন, ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বিএসটিআই থেকে হালাল সনদ নিতে উচ্চ ফি, বারবার কারখানা পরিদর্শন এবং বিভিন্ন পরীক্ষার সনদ জমা দিতে হয়’
তিনি বলেন, ‘হালাল সার্টিফিকেট নিতে গেলে নন হালাল যে একটিভিটি আছে, এটা দিতে হয়’
কর্মশালায় বিএসটিআই ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে হালাল সনদ নেওয়ার ক্ষেত্রে নানান অসঙ্গতি ও হয়রানির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করেন বিসিআইয়ের পরিচালক ও খাদ্যপ্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিকারক ও ইজি প্রসেস ফুডের চেয়ারম্যান জিয়া হায়দার মিঠু।
কর্মশালায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের এমন সব বক্তব্য ঘিরে মূলধারার কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিবৃতি দিয়ে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিএসটিআই।
বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানিয়েছে, ‘প্রকাশিত সংবাদে বিএসটিআই হালাল সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে আবেদনকারী বা রপ্তানিকারকদের নিকট সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ, অনুদান (Contribution) অথবা রপ্তানিকৃত পণ্যের পরিমাণ (টনভিত্তিক) অনুযায়ী অর্থ দাবি করে থাকে বলে উদ্ধৃত করা হয়েছে। এছাড়া, হালাল সনদ নিতে গাড়ি চাওয়া এবং ঘুষ নেওয়ার মতো মন্তব্যও করা হয়েছে’
বিজ্ঞপ্তিতে এ সমস্ত অভিযোগকে বিএসটিআই সম্পূর্ণরূপে ‘মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংস্থাটির দাবি, হালাল লাইসেন্সের জন্য কোনো আবেদন ফি নেই। অনুমোদনের পর সরকারি বিধান অনুযায়ী ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য ১ হাজার, মাঝারি শিল্পের জন্য ৩ হাজার এবং বৃহৎ শিল্পের জন্য ৫ হাজার টাকা ফি নির্ধারিত আছে। রপ্তানিযোগ্য পণ্যের ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টনের বিপরীতে কোনো ফি আদায়ের বিধানও নেই।
বিএসটিআই আরও জানিয়েছে, হালাল অডিটে এফবিসিসিআই, আলিয়া মাদ্রাসার মুফতি প্রতিনিধি, পুষ্টি ও খাদ্য বিশেষজ্ঞ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং বিএসটিআইয়ের কারিগরি কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরে প্রতিবেদন ১৫ সদস্যের হালাল সার্টিফিকেশন কমিটির অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, সংবাদে উল্লেখিত ইজি ফুড লিমিটেড ও বম্বে সুইটস লিমিটেড হালাল সনদের জন্য বিএসটিআইয়ের কাছে কোনো আবেদনই করেনি। ফলে তাদের কোনো হালাল সনদও দেওয়া হয়নি।
বিএসটিআই দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা তাদের নামে প্রকাশিত বক্তব্য অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, গণমাধ্যমে তাদের বক্তব্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।

হালাল সনদ পাওয়ার ক্ষেত্রে ‘ঘুষ‘ প্রদানসহ নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়— ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)।
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক কর্মশায়ায় ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিবৃতি দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে সংস্থাটি। সংস্থাটি বলেছে, হালাল সনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম বহিভূত কোনো কাজ করে না তারা।
তবে, কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপকালে তারা রাজনীতি ডটকমকে জানিয়েছেন—সার্টিফিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা ধরনের হয়রানি ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হতে হয় তাদের।
রোববার (১৯ জুলাই) এক প্রতিবাদলিপিতে বিএসটিআই জানায়, তাদের হালাল সার্টিফিকেশন কার্যক্রম বিএসটিআই আইন ২০১৮, প্রবিধানমালা ২০২২, সরকারি গেজেট, আন্তর্জাতিক মান ISO/IEC 17065 এবং প্রযোজ্য হালাল মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালিত হয়।
এর আগে, গতকাল শনিবার বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) আয়োজিত 'হালাল ফর এক্সপোর্ট ডাইভার্সিফিকেশন' কর্মশালায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে পণ্যের হালাল সনদ নেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা।
ওই কর্মশালায় অংশ নিয়ে বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক খুরশিদ আহমেদ ফরহাদ বলেন, ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বিএসটিআই থেকে হালাল সনদ নিতে উচ্চ ফি, বারবার কারখানা পরিদর্শন এবং বিভিন্ন পরীক্ষার সনদ জমা দিতে হয়’
তিনি বলেন, ‘হালাল সার্টিফিকেট নিতে গেলে নন হালাল যে একটিভিটি আছে, এটা দিতে হয়’
কর্মশালায় বিএসটিআই ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে হালাল সনদ নেওয়ার ক্ষেত্রে নানান অসঙ্গতি ও হয়রানির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করেন বিসিআইয়ের পরিচালক ও খাদ্যপ্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিকারক ও ইজি প্রসেস ফুডের চেয়ারম্যান জিয়া হায়দার মিঠু।
কর্মশালায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের এমন সব বক্তব্য ঘিরে মূলধারার কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিবৃতি দিয়ে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিএসটিআই।
বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানিয়েছে, ‘প্রকাশিত সংবাদে বিএসটিআই হালাল সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে আবেদনকারী বা রপ্তানিকারকদের নিকট সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ, অনুদান (Contribution) অথবা রপ্তানিকৃত পণ্যের পরিমাণ (টনভিত্তিক) অনুযায়ী অর্থ দাবি করে থাকে বলে উদ্ধৃত করা হয়েছে। এছাড়া, হালাল সনদ নিতে গাড়ি চাওয়া এবং ঘুষ নেওয়ার মতো মন্তব্যও করা হয়েছে’
বিজ্ঞপ্তিতে এ সমস্ত অভিযোগকে বিএসটিআই সম্পূর্ণরূপে ‘মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংস্থাটির দাবি, হালাল লাইসেন্সের জন্য কোনো আবেদন ফি নেই। অনুমোদনের পর সরকারি বিধান অনুযায়ী ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য ১ হাজার, মাঝারি শিল্পের জন্য ৩ হাজার এবং বৃহৎ শিল্পের জন্য ৫ হাজার টাকা ফি নির্ধারিত আছে। রপ্তানিযোগ্য পণ্যের ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টনের বিপরীতে কোনো ফি আদায়ের বিধানও নেই।
বিএসটিআই আরও জানিয়েছে, হালাল অডিটে এফবিসিসিআই, আলিয়া মাদ্রাসার মুফতি প্রতিনিধি, পুষ্টি ও খাদ্য বিশেষজ্ঞ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং বিএসটিআইয়ের কারিগরি কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরে প্রতিবেদন ১৫ সদস্যের হালাল সার্টিফিকেশন কমিটির অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, সংবাদে উল্লেখিত ইজি ফুড লিমিটেড ও বম্বে সুইটস লিমিটেড হালাল সনদের জন্য বিএসটিআইয়ের কাছে কোনো আবেদনই করেনি। ফলে তাদের কোনো হালাল সনদও দেওয়া হয়নি।
বিএসটিআই দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা তাদের নামে প্রকাশিত বক্তব্য অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, গণমাধ্যমে তাদের বক্তব্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।

ঢাকার দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেন।
৫ ঘণ্টা আগে
মাইক্রোসফট, ডিজনি, গুগল ও অ্যামাজনসহ বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মঅভিজ্ঞ বাংলাদেশের সফল প্রযুক্তিবিদদের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই এআই প্ল্যাটফর্ম। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সাফল্য অর্জনকারী এসব প্রযুক্তিবিদ নিজেদের শেকড়ের শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান এবং তাঁদের উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনাকে আরও সুসংগঠিত কর
৬ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি সংকট, লোডশেডিং নিয়ে সংসদে সমালোচনা করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের বিষয়ে মানুষ বলে, দুষ্টু লোকে বলে, ভালো লোকে বলে না— টুকু আসে, টুকু যায়। এ আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।’
৬ ঘণ্টা আগে
‘আমি দুই বছর ধরে কারারুদ্ধ আছি। গত এপ্রিল মাসে আমার জামিন আবেদন করা হয়েছে। এখন আমি জামিন চাই না। আমি জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চাই।’ আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ কথা বলেছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি।
৮ ঘণ্টা আগে