সরাসরি

ভোট গণনা চলছে, আসছে ফলাফল

১৭: ২৭

হামিদের দুর্গে ফজলুর জয়

হামিদের দুর্গে ফজলুর জয়
ফজলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জ-৪ ( ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপি প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ৭৭ হাজার ৭০৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার এই উপদেষ্টা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এক লাখ ৩২ হাজার ৫০৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৭৯৯ ভোট। সে হিসাবে জামায়াত প্রার্থীর প্রায় আড়াই গুণ বেশি ভোট পেয়েছেন ফজলুর রহমান।

কিশোরগঞ্জের এ আসন থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হলে আসনটি শূন্য হয়। পরে উপনির্বাচনে তার বড় ছেলে প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক দলীয় মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন এবং ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি সংসদ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন।

এবারের নির্বাচনে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান এ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। এর আগে ১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সম্মিলিত বিরোধী দলের হয়ে তৎকালীন কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৭: ১৩

ভিপি নুর এখন এমপি নুর

ভিপি নুর এখন এমপি নুর
নুরুল হক নুর। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর জয়ী হয়েছেন।

আওয়ামী লীগের আমলে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার পর ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে জয় পেয়ে ‘ভিপি নুর’ হিসেবে সারা দেশে পরিচিত হয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে গলাচিপা-দশমিনা আসনের সব কেন্দ্রের সমন্বিত ফলাফলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা নুরকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

নুর তার নির্বাচনি প্রতীক ‘ট্রাক‍’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এ আসনে। তার দল এ নির্বাচনে বিএনপির জোটসঙ্গী হিসেবে ভোট করেছে।

দীর্ঘ দেড় যুগ পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনটি ছিল দেশ জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। নুর তার নিজ এলাকায় এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হলেন। তার বিপরীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের শক্ত অবস্থান তাদের লড়াইকে চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছিল।

১৭: ০১

মেহেরপুরের ২ আসনেই জামায়াতের জয়

মেহেরপুরের ২ আসনেই জামায়াতের জয়
জামায়াতের বিজয়ী দুই প্রার্থী মো. তাজউদ্দীন খান (বাঁয়ে) ও মো. নাজমুল হুদা (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর জেলার দুটি আসনেই নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মেহেরপুর-১ ও ২ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা।

বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, মেহেরপুর-১ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াত নেতা মো. তাজউদ্দীন খান। ১২৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পেয়েছেন এক লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মাসুদ অরুন পেয়েছেন এক লাখ চার হাজার ২২৪ ভোট।

এদিকে মেহেরপুর-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন মো. নাজমুল হুদা। এ আসনের ৯০টি কেন্দ্রের ফলাফলে ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট।

১৬: ৫০

টাঙ্গাইল-৭: বিএনপির প্রার্থী বড় জয়

টাঙ্গাইল-৭: বিএনপির প্রার্থী বড় জয়
আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়। বিকেল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। রাতে সাড়ে ৯টার দিকে এই আসনের মোট ১২৬টি কেন্দ্রের সবগুলোর ভোট গণনা শেষ হয়।

টাঙ্গাইলের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সুরাইয়া ইয়াসমিন জানান, এ আসনে বিএনপি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৪১ হাজার ২৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭১ হাজার ৪০ ভোট।

এ ছাড়া বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মো. তোফাজ্জল হোসেন হাতি মার্কায় পেয়েছেন ১ হাজার ৪৯২ ভোট।

১৬: ৩৭

সুনামগঞ্জ-৫: ধানের শীষের কলিমের জয়

সুনামগঞ্জ-৫: ধানের শীষের কলিমের জয়
কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বড় জয় পেয়েছেন। ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি হারিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু তাহির মোহাম্মদ আব্দুস সালাম আল মাদানিকে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ছাতক-দোয়ারাবাজারের ১৭০টি ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ৫২ হাজার ৯২৫টি। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে মিলন পেয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ৯৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবু তাহির পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৯২৮ ভোট।

নির্বাচন কমিশনের হিসাব বলছে, মিলন মোট ৫৩ হাজার ৬৯ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেছেন।

১৬: ২৬

রংপুর-৫: দুই গোলাম রব্বানীর লড়াইয়ে দাঁড়িপাল্লার জয়

রংপুর-৫: দুই গোলাম রব্বানীর লড়াইয়ে দাঁড়িপাল্লার জয়
জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (বাঁয়ে) ও বিএনপি প্রার্থী মো. গোলাম রব্বানী (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। তিনি হারিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী আরেক গোলাম রব্বানীকে।

আসনটির ১৫২টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে অধ্যাপক গোলাম রব্বানী পেয়েছেন এক লাখ ৭৫ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. গোলাম রব্বানী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ১৪ হাজার ১৪১ ভোট।

১৬: ২৪

পটুয়াখালী-৪: হাতপাখাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ধানের শীষের জয়

পটুয়াখালী-৪: হাতপাখাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ধানের শীষের জয়
বিএনপি প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেন (বাঁয়ে) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন।

আসনটির ১১১টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৩৬ ভোট।

ভোটের হিসেবে এ আসনে তৃতীয় হয়েছেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিশের (দেয়াল ঘড়ি) ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ।

১৬: ২১

কুড়িগ্রাম-৪: ২ ভাইয়ের লড়াইয়ে বিএনপি প্রার্থী বড় ভাইকে হারিয়ে জামায়াত প্রার্থী ছোট ভাইয়ের জয়

কুড়িগ্রাম-৪: ২ ভাইয়ের লড়াইয়ে বিএনপি প্রার্থী বড় ভাইকে হারিয়ে জামায়াত প্রার্থী ছোট ভাইয়ের জয়
বিএনপির প্রার্থী আজিজুর রহমান (বাঁয়ে) ও জামায়াতের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী) আসনে এক নজিরবিহীন লড়াইয়ের সাক্ষী হলো দেশবাসী। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী আপন বড় ভাইকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয় পেয়েছেন জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।

বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ১৩০টি কেন্দ্রে মুস্তাফিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আপন বড় ভাই বিএনপি প্রার্থী আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৪৫ ভোট।

১৬: ১৫

হাসনাতের নিরঙ্কুশ বিজয়

হাসনাতের নিরঙ্কুশ বিজয়
হাসনাত আব্দুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও জামায়াত সমর্থিত জোটের নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন।

ইলেকশনওয়াচ বাংলাদেশের গণনায়, এ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহ পেয়েছেন এক লাখ ৭২ হাজার ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের জসিম উদ্দীন (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন মাত্র ২৬ হাজার ভোট।

এ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী ও চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বাতিল করে। এরপর উচ্চ আদালতেও তার রিট খারিজ হয়ে গেলে তিনি চূড়ান্তভাবে প্রার্থিতা হারান।

১৬: ০৫

ভোট গণনা চলছে, আসছে ফলাফল

ভোট গণনা চলছে, আসছে ফলাফল
বৃহস্পতিবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে এখন চলছে ভোট গণনা। ছবি: রাজনীতি ডটকম

ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে বিকেল সাড়ে ৪টায়। ঘণ্টা তিনেক পর থেকেই আসতে শুরু করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনটি কেন্দ্রের ফলাফল বেসরকারিভাবে ঘোষণাও করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত তথ্য বলছে, কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির আসাদুজ্জামান, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও পটুয়াখালী-৪ আসনে বিএনপির এ বি এম মোশাররফ হোসেন জয় পেয়েছেন।