
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন হামলা প্রসঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেছেন, ‘ফার্সিতে একটা প্রবাদ আছে যে, কুকুর লেজ নাড়ায়, কিন্তু এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে লেজ কুকুরকে নাড়াচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘যখন আমরা আলোচনার টেবিলে ছিলাম, তখন তারা (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) যুদ্ধটা শুরু করে। ওমানের মধ্যস্থতায় এই আলোচনা ফলপ্রসূ এবং ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছিল। আলোচনার মাঝামাঝিতে ইসরায়েলের অনুপ্রেরণা ও উসকানিতে আমেরিকানরা হঠাৎ আমাদের ওপর আক্রমণ করে।’
বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে ঢাকায় ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আমেরিকা পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং এই পুরো অঞ্চলটাকেই যুদ্ধের আওতায় নিয়ে এসেছে। আমেরিকার আগের প্রেসিডেন্ট অনেকটা বুদ্ধিমান ছিলেন এবং তিনি ইসরায়েলের কোনো কুপ্ররোচনার ফাঁদে পা দেননি। ট্রাম্প এই ফাঁদে পা দিলেন এবং যুদ্ধ শুরু করলেন। এখন যুদ্ধ থেকে পালানোর রাস্তা খুঁজছেন। আমাদের ওপর ইসরায়েল ও আমেরিকার হামলাকে শুধু যদি একটা যুদ্ধ বলি, তাহলে সেটা কম হবে। এটা আসলে মানবিকতা, ভূ-রাজনৈতিক, পুরো সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আগ্রাসন।’
আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের সরকার ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে চাচ্ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মূল উদ্দেশ্য সেটা হলেও, বাস্তবে তারা ইরানের বেসামরিক জনগণ, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং এমনকি শিশুদের ওপরেও এ রকম নৃশংসভাবে হামলা করেছে...যুদ্ধেরও একটা নীতি থাকে, এটা হতে পারে না যে যুদ্ধের নামে স্কুল-কলেজ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিরীহ শিশুদের ওপর হামলা করবেন! এটা কোনো নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না। তাদের এবারের আক্রমণ এটাই প্রমাণ করে যে, তাদের উদ্দেশ্য শুধু যুদ্ধ নয়। তাদের অন্য উদ্দেশ্য রয়েছে।’
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থাপনার ছবি দেখিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমি প্রশ্ন করতে চাই, আমাদের ঐতিহাসিক স্থানগুলো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো, সেখানেও কি আমরা অস্ত্র বানাচ্ছিলাম? আর এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে কি কোনো সামরিক স্থাপনা ছিল? ইরানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্কুল-কলেজে কি ইউরেনিয়াম ছিল যে আপনারা সেখানে হামলা করেছেন? যে সমস্ত শিশুকে তারা হত্যা করেছে, তারা কি টেরোরিস্ট ছিল? তারা কি আইআরজিসি সদস্য ছিল? নিষ্পাপ শিশুগুলো কি হুমকি ছিল? আমেরিকা ও ইসরায়েল যে মানবাধিকারের কথা বলে, সেই মানবাধিকার কি শিশুদের হত্যা করার অনুমতি দেয়? মুসলমান হওয়া কি কোনো অপরাধ? নিজের পায়ে দাঁড়ানো এবং নিজের স্বাধীনতা রক্ষা করা, আমেরিকাকে প্রভু হিসেবে না মানা কি কোনো অপরাধ? যে শিশুদের হত্যা করা হলো, মধ্যপ্রাচ্যে তারা কি আমেরিকার স্বার্থের জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছিল?’
পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইরানের ওপর হামলাকে ‘বাহানা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “একটা প্রবাদ আছে, ‘ভালো কোনো রেড ইন্ডিয়ান নাই, যারা মরে গেছে শুধু তারা ছাড়া’, তাদের (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) দৃষ্টিতে কোনো ভালো মুসলমান নাই, শুধুমাত্র যারা মরে গেছে তারা ছাড়া। তারা আমাদের মসজিদগুলোকে তাদের জন্য হুমকি মনে করে। কেউ যদি নামাজ পড়ে, তাহলে তাকে বলে টেরোরিস্ট।”
যুক্তরাষ্ট্র সব মুসলিম দেশগুলোকে শরণার্থী শিবিরে পরিণত করতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ‘মজার বিষয় হচ্ছে যে, আমেরিকা নামক এই পরাশক্তি আমাদের ওপর হামলা শুরু করে এক মাস পরে এই যুদ্ধ থেকে পালানোর রাস্তা খুঁজতে শুরু করেছে।’
রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর আগে আমরা প্রতিবেশী সব দেশগুলোকে অনুরোধ করেছিলাম যে আপনারা এই শয়তানি শক্তিকে প্রশ্রয় দেবেন না, আশ্রয় দেবেন না। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, আমরা যখন দেখতে পাই, প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ঘাঁটি থেকে বিমান উঠছে, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে এবং সেই বিমানের বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আমাদের দেশের নারী-শিশু, নিরীহ মানুষ নিহত হচ্ছে— এগুলো নির্লিপ্তভাবে এরিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ‘ব্যর্থ’ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি আরও বলেন, ‘যেসব আরব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটির অনুমতি দিয়েছে বা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক করেছে, এই দিনের জন্য তাদের চিন্তা করা উচিত ছিল।’

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন হামলা প্রসঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেছেন, ‘ফার্সিতে একটা প্রবাদ আছে যে, কুকুর লেজ নাড়ায়, কিন্তু এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে লেজ কুকুরকে নাড়াচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘যখন আমরা আলোচনার টেবিলে ছিলাম, তখন তারা (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) যুদ্ধটা শুরু করে। ওমানের মধ্যস্থতায় এই আলোচনা ফলপ্রসূ এবং ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছিল। আলোচনার মাঝামাঝিতে ইসরায়েলের অনুপ্রেরণা ও উসকানিতে আমেরিকানরা হঠাৎ আমাদের ওপর আক্রমণ করে।’
বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে ঢাকায় ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আমেরিকা পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং এই পুরো অঞ্চলটাকেই যুদ্ধের আওতায় নিয়ে এসেছে। আমেরিকার আগের প্রেসিডেন্ট অনেকটা বুদ্ধিমান ছিলেন এবং তিনি ইসরায়েলের কোনো কুপ্ররোচনার ফাঁদে পা দেননি। ট্রাম্প এই ফাঁদে পা দিলেন এবং যুদ্ধ শুরু করলেন। এখন যুদ্ধ থেকে পালানোর রাস্তা খুঁজছেন। আমাদের ওপর ইসরায়েল ও আমেরিকার হামলাকে শুধু যদি একটা যুদ্ধ বলি, তাহলে সেটা কম হবে। এটা আসলে মানবিকতা, ভূ-রাজনৈতিক, পুরো সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আগ্রাসন।’
আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের সরকার ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে চাচ্ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মূল উদ্দেশ্য সেটা হলেও, বাস্তবে তারা ইরানের বেসামরিক জনগণ, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং এমনকি শিশুদের ওপরেও এ রকম নৃশংসভাবে হামলা করেছে...যুদ্ধেরও একটা নীতি থাকে, এটা হতে পারে না যে যুদ্ধের নামে স্কুল-কলেজ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিরীহ শিশুদের ওপর হামলা করবেন! এটা কোনো নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না। তাদের এবারের আক্রমণ এটাই প্রমাণ করে যে, তাদের উদ্দেশ্য শুধু যুদ্ধ নয়। তাদের অন্য উদ্দেশ্য রয়েছে।’
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থাপনার ছবি দেখিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমি প্রশ্ন করতে চাই, আমাদের ঐতিহাসিক স্থানগুলো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো, সেখানেও কি আমরা অস্ত্র বানাচ্ছিলাম? আর এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে কি কোনো সামরিক স্থাপনা ছিল? ইরানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্কুল-কলেজে কি ইউরেনিয়াম ছিল যে আপনারা সেখানে হামলা করেছেন? যে সমস্ত শিশুকে তারা হত্যা করেছে, তারা কি টেরোরিস্ট ছিল? তারা কি আইআরজিসি সদস্য ছিল? নিষ্পাপ শিশুগুলো কি হুমকি ছিল? আমেরিকা ও ইসরায়েল যে মানবাধিকারের কথা বলে, সেই মানবাধিকার কি শিশুদের হত্যা করার অনুমতি দেয়? মুসলমান হওয়া কি কোনো অপরাধ? নিজের পায়ে দাঁড়ানো এবং নিজের স্বাধীনতা রক্ষা করা, আমেরিকাকে প্রভু হিসেবে না মানা কি কোনো অপরাধ? যে শিশুদের হত্যা করা হলো, মধ্যপ্রাচ্যে তারা কি আমেরিকার স্বার্থের জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছিল?’
পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইরানের ওপর হামলাকে ‘বাহানা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “একটা প্রবাদ আছে, ‘ভালো কোনো রেড ইন্ডিয়ান নাই, যারা মরে গেছে শুধু তারা ছাড়া’, তাদের (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) দৃষ্টিতে কোনো ভালো মুসলমান নাই, শুধুমাত্র যারা মরে গেছে তারা ছাড়া। তারা আমাদের মসজিদগুলোকে তাদের জন্য হুমকি মনে করে। কেউ যদি নামাজ পড়ে, তাহলে তাকে বলে টেরোরিস্ট।”
যুক্তরাষ্ট্র সব মুসলিম দেশগুলোকে শরণার্থী শিবিরে পরিণত করতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ‘মজার বিষয় হচ্ছে যে, আমেরিকা নামক এই পরাশক্তি আমাদের ওপর হামলা শুরু করে এক মাস পরে এই যুদ্ধ থেকে পালানোর রাস্তা খুঁজতে শুরু করেছে।’
রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর আগে আমরা প্রতিবেশী সব দেশগুলোকে অনুরোধ করেছিলাম যে আপনারা এই শয়তানি শক্তিকে প্রশ্রয় দেবেন না, আশ্রয় দেবেন না। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, আমরা যখন দেখতে পাই, প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ঘাঁটি থেকে বিমান উঠছে, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে এবং সেই বিমানের বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আমাদের দেশের নারী-শিশু, নিরীহ মানুষ নিহত হচ্ছে— এগুলো নির্লিপ্তভাবে এরিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ‘ব্যর্থ’ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি আরও বলেন, ‘যেসব আরব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটির অনুমতি দিয়েছে বা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক করেছে, এই দিনের জন্য তাদের চিন্তা করা উচিত ছিল।’

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১৭৫ বাংলাদেশি। বুধবার লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান তারা।
১ ঘণ্টা আগে
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ১২৫ বার তারিখ পেছাল। আলোচিত এ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের আরও ৪ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (১ এপ্রিল) রাজবাড়ী, ঠাকুরগাঁও, পাবনা ও রংপুর জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে