
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পবিত্র রমজান মাসের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সাহরি ও ইফতার করার বিষয়ে তারা কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এ বছরের (১৪৪৭ হিজরি) পবিত্র রমজানের জন্য সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। তবে কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, এই সময়সূচি মূলত ঢাকা জেলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সাহরি ও ইফতার করতে হবে।
এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ ভুল’ ও ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বলেছে, সংস্থার কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ ধরনের বক্তব্য দেননি। ঢাকার সময়ের সাথে কোনো সময় বা মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আরও জানায়, এ বছর ৬৪ জেলার জন্য পৃথক সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রত্যেক জেলার রোজাদারগণ নিজেদের সময়সূচি অনুসরণ করবেন।
এ বিষয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব এবং সাহরি ও ইফতার সময়সূচি প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক মুফতি আবদুল মালেক বলেন, অন্যান্য জেলার মানুষ ঢাকা জেলার সময়সূচির সঙ্গে কোনো মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নয়; বরং প্রত্যেক এলাকার মানুষ তার জেলার জন্য প্রণীত ও প্রকাশিত সময়সূচি অনুসরণ করবেন।

পবিত্র রমজান মাসের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সাহরি ও ইফতার করার বিষয়ে তারা কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এ বছরের (১৪৪৭ হিজরি) পবিত্র রমজানের জন্য সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। তবে কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, এই সময়সূচি মূলত ঢাকা জেলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সাহরি ও ইফতার করতে হবে।
এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ ভুল’ ও ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বলেছে, সংস্থার কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ ধরনের বক্তব্য দেননি। ঢাকার সময়ের সাথে কোনো সময় বা মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আরও জানায়, এ বছর ৬৪ জেলার জন্য পৃথক সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রত্যেক জেলার রোজাদারগণ নিজেদের সময়সূচি অনুসরণ করবেন।
এ বিষয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব এবং সাহরি ও ইফতার সময়সূচি প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক মুফতি আবদুল মালেক বলেন, অন্যান্য জেলার মানুষ ঢাকা জেলার সময়সূচির সঙ্গে কোনো মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নয়; বরং প্রত্যেক এলাকার মানুষ তার জেলার জন্য প্রণীত ও প্রকাশিত সময়সূচি অনুসরণ করবেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চটগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আগামীকাল শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।
৩ ঘণ্টা আগে
‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার এবং চট্টগ্রামের দোহাজারী পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে মাতামুহুরী নদী বান্দরবানের লামা পয়
৪ ঘণ্টা আগে