
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন তারা।
এ সময় খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন উপদেষ্টারা। ওই মুহূর্তে বিএনপি চেয়ারপারসনসহ সবাই ছিলেন হাস্যোজ্জ্বল।
একই অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া এখানে এসেছেন। এক যুগ তিনি আসার সুযোগ পাননি। আমরা গর্বিত এই সুযোগ দিতে পেরে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা সত্ত্বেও বিশেষ দিনে সবার সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে পৌঁছান খালেদা জিয়া।
বিকেল সাড়ে ৩টায় গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে সেনাকুঞ্জে রওনা দেন তিনি।
২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট সফর করেন খালেদা জিয়া। আর ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে যান। এরপর ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের মধ্যে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেলেও কোনো জনসমক্ষে অনুষ্ঠানে যাননি তিনি।
সেনাকুঞ্জের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে ৬ বছর পর খালেদা জিয়া কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে সশরীরে অংশ নিচ্ছেন। আর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নিলেন দীর্ঘ ১২ বছর পর।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন তারা।
এ সময় খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন উপদেষ্টারা। ওই মুহূর্তে বিএনপি চেয়ারপারসনসহ সবাই ছিলেন হাস্যোজ্জ্বল।
একই অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া এখানে এসেছেন। এক যুগ তিনি আসার সুযোগ পাননি। আমরা গর্বিত এই সুযোগ দিতে পেরে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা সত্ত্বেও বিশেষ দিনে সবার সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে পৌঁছান খালেদা জিয়া।
বিকেল সাড়ে ৩টায় গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে সেনাকুঞ্জে রওনা দেন তিনি।
২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট সফর করেন খালেদা জিয়া। আর ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে যান। এরপর ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের মধ্যে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেলেও কোনো জনসমক্ষে অনুষ্ঠানে যাননি তিনি।
সেনাকুঞ্জের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে ৬ বছর পর খালেদা জিয়া কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে সশরীরে অংশ নিচ্ছেন। আর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নিলেন দীর্ঘ ১২ বছর পর।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সৌরবিদ্যুৎ-সংক্রান্ত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপুল তার বক্তব্যে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়টি জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) যৌথভাবে এই জরিপটি পরিচালনা করেছে। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
৭ ঘণ্টা আগে