
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গাজার পথে যাত্রা করা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা থেকে ফের বার্তা দিয়েছেন আলোকচিত্রী ও অধিকার কর্মী শহিদুল আলম। এবার একটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি, যেখানে তিনি তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের পতাকা। জানিয়েছেন, ইসরায়েলের নির্যাতনের প্রতিবাদে যাত্রা করা বৈশ্বিক উদ্যোগ এই নৌ বহরে সঙ্গী করেছেন বাংলাদেশকেও।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌ বহরে থাকা আলোকচিত্রী শহিদুল আলম তার ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন একটি ছবি। সঙ্গে দিয়েছেন তিন শব্দের ক্যাপশন— Bangladesh on Conscience, যার বাংলা ‘কনশেন্স জাহাজে বাংলাদেশ’।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের চলমান নির্যাতন এবং সমুদ্রপথে গাজার ওপর জারি রাখা অবরোধ ভেঙে দিতে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গাজার পথে রওয়ানা হয়েছিল ৪০টিরও বেশি জাহাজ নিয়ে গঠিত গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। গাজায় পৌঁছানোর আগেই অবশ্য সবগুলো জাহাজেই একে একে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি নৌ বাহিনী। সেগুলোকে নিয়ে গেছে তাদের বন্দরে। বহরে থাকা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অধিকার কর্মীকে ফিরিয়ে দিচ্ছে নিজ নিজ দেশে।
এই সুমুদ ফ্লোটিলা বহরেই সঙ্গী হয়েছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। ‘কনশেন্স’ জাহাজে অবস্থান করছেন তিনি। জাহাজটি হাজারও ম্যাডলিনের অন্যান্য নৌ যানের মাঝখান দিয়ে অগ্রসর হয়। দুপাশের যাত্রীদের কণ্ঠে তখন গর্জে ওঠে গান আর স্লোগান। ঢেউয়ের ওপরে জন্ম নেয় এক সংহতি— অসংখ্য জাতি, বহু ভাষা আর নানা সংস্কৃতির মানুষের মিলন, যাদের একমাত্র বন্ধন মানবতা ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ।
এর আগে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকালে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন শহিদুল আলম। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, গাজার সময়রেখায় পৌঁছে গেছেন তারা। ততক্ষণে অবশ্য সুমুদ ফ্লোটিলায় থাকা অন্য সব জাহাজকেই বন্দরে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি নৌ বাহিনী।
শহিদুল আলম স্পষ্টভাবেই তার বার্তায় বলেন, সুমুদ ফ্লোটিলা বহরের জাহাজগুলো ত্রাণ বহন করলেও গাজায় নিছক ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এই বহরের প্রধান উদ্দেশ্য নয়। বরং সমুদ্রপথে ইসরায়েল যে অবৈধ অবরোধ দিয়েছে গাজার ওপর, তা ভেঙে দেওয়া এই বহরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
এ ছাড়া গাজায় চিকিৎসক, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষদের যাতায়াত করা এবং সেখানে চলমান নির্যাতনের তথ্য বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার যে অধিকার, সেটি প্রতিষ্ঠা করাও এই বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রধানতম উদ্দেশ্য।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষ সমুদ্রের ঢেউয়ের মধ্য দিয়ে একত্রিত হয়েছেন, শান্তি ও মানবাধিকারের পক্ষে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করেছেন। জাহাজের যাত্রীরা নানা জাতি, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ; যারা একত্রিত হয়েছেন মানবিক মূল্যবোধ ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য। এককথায় মানবতার সংহতি ও ন্যায়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক প্রতীকী নৌ বহর ‘কনশেন্স’।

গাজার পথে যাত্রা করা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা থেকে ফের বার্তা দিয়েছেন আলোকচিত্রী ও অধিকার কর্মী শহিদুল আলম। এবার একটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি, যেখানে তিনি তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের পতাকা। জানিয়েছেন, ইসরায়েলের নির্যাতনের প্রতিবাদে যাত্রা করা বৈশ্বিক উদ্যোগ এই নৌ বহরে সঙ্গী করেছেন বাংলাদেশকেও।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌ বহরে থাকা আলোকচিত্রী শহিদুল আলম তার ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন একটি ছবি। সঙ্গে দিয়েছেন তিন শব্দের ক্যাপশন— Bangladesh on Conscience, যার বাংলা ‘কনশেন্স জাহাজে বাংলাদেশ’।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের চলমান নির্যাতন এবং সমুদ্রপথে গাজার ওপর জারি রাখা অবরোধ ভেঙে দিতে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গাজার পথে রওয়ানা হয়েছিল ৪০টিরও বেশি জাহাজ নিয়ে গঠিত গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। গাজায় পৌঁছানোর আগেই অবশ্য সবগুলো জাহাজেই একে একে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি নৌ বাহিনী। সেগুলোকে নিয়ে গেছে তাদের বন্দরে। বহরে থাকা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অধিকার কর্মীকে ফিরিয়ে দিচ্ছে নিজ নিজ দেশে।
এই সুমুদ ফ্লোটিলা বহরেই সঙ্গী হয়েছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। ‘কনশেন্স’ জাহাজে অবস্থান করছেন তিনি। জাহাজটি হাজারও ম্যাডলিনের অন্যান্য নৌ যানের মাঝখান দিয়ে অগ্রসর হয়। দুপাশের যাত্রীদের কণ্ঠে তখন গর্জে ওঠে গান আর স্লোগান। ঢেউয়ের ওপরে জন্ম নেয় এক সংহতি— অসংখ্য জাতি, বহু ভাষা আর নানা সংস্কৃতির মানুষের মিলন, যাদের একমাত্র বন্ধন মানবতা ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ।
এর আগে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকালে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন শহিদুল আলম। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, গাজার সময়রেখায় পৌঁছে গেছেন তারা। ততক্ষণে অবশ্য সুমুদ ফ্লোটিলায় থাকা অন্য সব জাহাজকেই বন্দরে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি নৌ বাহিনী।
শহিদুল আলম স্পষ্টভাবেই তার বার্তায় বলেন, সুমুদ ফ্লোটিলা বহরের জাহাজগুলো ত্রাণ বহন করলেও গাজায় নিছক ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এই বহরের প্রধান উদ্দেশ্য নয়। বরং সমুদ্রপথে ইসরায়েল যে অবৈধ অবরোধ দিয়েছে গাজার ওপর, তা ভেঙে দেওয়া এই বহরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
এ ছাড়া গাজায় চিকিৎসক, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষদের যাতায়াত করা এবং সেখানে চলমান নির্যাতনের তথ্য বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার যে অধিকার, সেটি প্রতিষ্ঠা করাও এই বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রধানতম উদ্দেশ্য।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষ সমুদ্রের ঢেউয়ের মধ্য দিয়ে একত্রিত হয়েছেন, শান্তি ও মানবাধিকারের পক্ষে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করেছেন। জাহাজের যাত্রীরা নানা জাতি, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ; যারা একত্রিত হয়েছেন মানবিক মূল্যবোধ ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য। এককথায় মানবতার সংহতি ও ন্যায়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক প্রতীকী নৌ বহর ‘কনশেন্স’।

২০২৪ সালে জনগণ যে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল, সেটাকে জনগণের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে উলটো দিকে যাত্রার ভয়াবহ প্রচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের অর্জন যেভাবে জনগণের হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেও সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে দুই সাংবাদিক ও ২৫ জন নাট্যব্যক্তিত্ব এবং অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা, সহযোগিতা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদি পার্টি ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম পৃথকভাবে অভিযোগ দাখিল করে।
১৭ ঘণ্টা আগে
দণ্ডপ্রাপ্ত আকতার সর্দার (২৭) সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার কুকড়াপর্শি গ্রামের সাত্তার সর্দারের ছেলে। ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে