
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা তার পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আজ সোমবার তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ‘কান ধরে ওঠবোস’ করানোর একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই সর্বমিত্র চাকমা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
২০২৪ সালের ডাকসু নির্বাচনে শিবির প্যানেল থেকে জয়ী হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করছিলেন বলে দাবি করেন সর্বমিত্র চাকমা। তবে তার সাম্প্রতিক শাস্তিমূলক পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যেও ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।
ফেসবুক পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের বড় প্রত্যাশা নিয়েই তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। শুরু থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে নিরাপদ করতে প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন সংস্কারমূলক প্রস্তাব দেন তিনি। এসবের মধ্যে নিবন্ধিত রিকশা চালু, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
তিনি বলেন, সিসি ক্যামেরার অভাবে সেন্ট্রাল ফিল্ড এলাকায় নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি, মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনতাই, এমনকি সাইকেল চুরির ঘটনাও নিয়মিত ঘটছিল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন ভাঙা দেয়াল সংস্কারের প্রস্তাব প্রশাসন গ্রহণ না করায় বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়ে।
বিতর্কিত শাস্তির বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে সর্বমিত্র চাকমা লেখেন, গত মাসে ক্যাম্পাসে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গিয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি কঠোর হতে বাধ্য হন। তবে ‘কান ধরে ওঠবোস’ করানোর পদ্ধতিটি ভুল ছিল বলে স্বীকার করেন তিনি।
আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি ও ধারাবাহিক সমালোচনা তার ব্যক্তিগত ও মানসিক অবস্থাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন সর্বমিত্র চাকমা। তিনি জানান, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চাপ নয়, বরং কার্যকরভাবে কাজ করার পরিবেশ ও সক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সর্বমিত্র চাকমার পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা ডাকসুর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা তার পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আজ সোমবার তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ‘কান ধরে ওঠবোস’ করানোর একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই সর্বমিত্র চাকমা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
২০২৪ সালের ডাকসু নির্বাচনে শিবির প্যানেল থেকে জয়ী হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করছিলেন বলে দাবি করেন সর্বমিত্র চাকমা। তবে তার সাম্প্রতিক শাস্তিমূলক পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যেও ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।
ফেসবুক পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের বড় প্রত্যাশা নিয়েই তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। শুরু থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে নিরাপদ করতে প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন সংস্কারমূলক প্রস্তাব দেন তিনি। এসবের মধ্যে নিবন্ধিত রিকশা চালু, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
তিনি বলেন, সিসি ক্যামেরার অভাবে সেন্ট্রাল ফিল্ড এলাকায় নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি, মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনতাই, এমনকি সাইকেল চুরির ঘটনাও নিয়মিত ঘটছিল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন ভাঙা দেয়াল সংস্কারের প্রস্তাব প্রশাসন গ্রহণ না করায় বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়ে।
বিতর্কিত শাস্তির বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে সর্বমিত্র চাকমা লেখেন, গত মাসে ক্যাম্পাসে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গিয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি কঠোর হতে বাধ্য হন। তবে ‘কান ধরে ওঠবোস’ করানোর পদ্ধতিটি ভুল ছিল বলে স্বীকার করেন তিনি।
আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি ও ধারাবাহিক সমালোচনা তার ব্যক্তিগত ও মানসিক অবস্থাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন সর্বমিত্র চাকমা। তিনি জানান, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চাপ নয়, বরং কার্যকরভাবে কাজ করার পরিবেশ ও সক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সর্বমিত্র চাকমার পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা ডাকসুর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেখ হাসিনার এ সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের মধ্যে বিভেদের সুর দেখে দিল্লিতে বসে হুংকার ছাড়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আত্মসমর্পণ করবেন। আমি আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে গোটা জাতিকে জানাতে চাই, যারা হুংকার দিচ্ছেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে তাদের আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ থাকবে না।
১১ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ সুপারিশ প্রণয়নে সচিব কমিটি ষষ্ঠ সভায় বসবে। এ সভায় আগের পাঁচ বৈঠকের নানা সুপারিশ সমন্বয় করে চূড়ান্ত একটি সুপারিশ প্রণয়ন করা হতে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রশ্নে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র চার মাস হয়েছে। এর আগেই প্রশ্নপত্র তৈরি ও মডারেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। প্রশ্ন মডারেশনের কাজ সাধারণত দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। ফলে নতুন করে প্রশ্ন প্রস্তুতের সুযোগ ছিল না। আগের সরকারের সময় দায়িত্বে থাকা মডারেটররাই প
১৩ ঘণ্টা আগে
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতির ঘটনায় প্রশ্নপত্র পরিশোধনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট।
১৪ ঘণ্টা আগে