
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রবাসীরা বর্হিবিশ্বের শুধু শ্রম দিতে যায় না। তারা বহি:বিশ্বের অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখে। গতকাল বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস উপলক্ষে সাপ্তাহিক প্রবাসনের আয়োজিত ইউরোপ ও উন্নত বিশ্বের শ্রমবাজার সম্প্রসারন, অভিবাসন খাতের সংস্কার শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে নাগরিকরা দেশেও যেমন মর্যাদা পায় না বিদেশে তেমন মর্যাদা পায়না। বিদেশী মিশনগুলো লোকবল কমের কারন দেখায়। কিন্তু যারা দায়িত্বে রয়েছেন তারাও প্রবাসীদের সঠিক সেবাটি দেন না। প্রবাসীদের সুরক্ষায় বহি:বিশ্বে মিশনগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখে না।
তিনি আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার জন্য। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান নেই। সেজন্য বেশিরভাগ বাংলাদেশি নাগরিকরা বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যায়। কিন্তু সেখানে গিয়েও তারা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে একটি সেল চালু করা প্রয়োজন। যেখানে সকল তথ্য উল্লেখ করা থাকবে। কোন দেশে কি পরিমান কর্মীর চাহিদা রয়েছে তা দেখে যে রিক্রুটিং এজেন্সি আছে তারা কাজ করবে। এছাড়া প্রবাসগামী আগ্রহী কর্মীরা দেখতে পারবে কোথায় নিয়োগ দেওয়া হয় এবং কি পরিমাণ কর্মী প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের সবচেয়ে বেশি যে দেশটাতে গেছে সেই দেশটা হলো যুক্তরাজ্য। কিন্তু সেটা বহু আগে থেকে কয়েকশো বছরের এক ইতিহাস আছে। তারপর আশির দশক থেকে ইতালি, গ্রিজ ও স্পেন এই দেশগুলোতে লোক যাওয়া শুরু হয়। এগুলো সঙ্গে যুক্তরাজ্যে যাওয়া লোকজনের এক ধরনের নেটওয়ার্ক রয়েছে। এমনকি ৯০ দশকের দিকে যারা গিয়েছে তারা বেশিরভাগই টুরিস্ট ভিসা গিয়েছে কর্মী বিষয় তেমন লোকজন যায়নি। কিন্তু ওই দেশের ইনক্লুসিভ রাজনীতির কারণে এই কর্মীরা ছাড় পেয়ে বৈধ হয়ে গিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের এখান থেকে কর্মীদের যে দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় সে প্রশিক্ষণের পরে যে সনদটি দেওয়া হয় সেটি আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃত নয়। এই স্বীকৃতিটি আন্তর্জাতিক মানের করার দায়িত্ব একমাত্র সরকারের। কেয়ারগিভিংয়ের দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন। এর পাশাপাশি ভাষার দক্ষতাও বৃদ্ধি করতে হবে এবং সেটি যদি সামগ্রিকভাবে শিক্ষাগত যোগ্যতায় নিয়ে আসা যায় তবে কিছুটা উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাপ্তাহিক প্রবাসনের সম্পাদক খোকন দাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, রাবিডের সভাপতি আরিফুর রহমান, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ প্রবাসী ঐক্য ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রেমিত খন্দকার ও সাপ্তাহিক প্রবাসনের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মো. ইলিয়াস হোসেন প্রমুখ।

প্রবাসীরা বর্হিবিশ্বের শুধু শ্রম দিতে যায় না। তারা বহি:বিশ্বের অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখে। গতকাল বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস উপলক্ষে সাপ্তাহিক প্রবাসনের আয়োজিত ইউরোপ ও উন্নত বিশ্বের শ্রমবাজার সম্প্রসারন, অভিবাসন খাতের সংস্কার শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে নাগরিকরা দেশেও যেমন মর্যাদা পায় না বিদেশে তেমন মর্যাদা পায়না। বিদেশী মিশনগুলো লোকবল কমের কারন দেখায়। কিন্তু যারা দায়িত্বে রয়েছেন তারাও প্রবাসীদের সঠিক সেবাটি দেন না। প্রবাসীদের সুরক্ষায় বহি:বিশ্বে মিশনগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখে না।
তিনি আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার জন্য। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান নেই। সেজন্য বেশিরভাগ বাংলাদেশি নাগরিকরা বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যায়। কিন্তু সেখানে গিয়েও তারা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে একটি সেল চালু করা প্রয়োজন। যেখানে সকল তথ্য উল্লেখ করা থাকবে। কোন দেশে কি পরিমান কর্মীর চাহিদা রয়েছে তা দেখে যে রিক্রুটিং এজেন্সি আছে তারা কাজ করবে। এছাড়া প্রবাসগামী আগ্রহী কর্মীরা দেখতে পারবে কোথায় নিয়োগ দেওয়া হয় এবং কি পরিমাণ কর্মী প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের সবচেয়ে বেশি যে দেশটাতে গেছে সেই দেশটা হলো যুক্তরাজ্য। কিন্তু সেটা বহু আগে থেকে কয়েকশো বছরের এক ইতিহাস আছে। তারপর আশির দশক থেকে ইতালি, গ্রিজ ও স্পেন এই দেশগুলোতে লোক যাওয়া শুরু হয়। এগুলো সঙ্গে যুক্তরাজ্যে যাওয়া লোকজনের এক ধরনের নেটওয়ার্ক রয়েছে। এমনকি ৯০ দশকের দিকে যারা গিয়েছে তারা বেশিরভাগই টুরিস্ট ভিসা গিয়েছে কর্মী বিষয় তেমন লোকজন যায়নি। কিন্তু ওই দেশের ইনক্লুসিভ রাজনীতির কারণে এই কর্মীরা ছাড় পেয়ে বৈধ হয়ে গিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের এখান থেকে কর্মীদের যে দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় সে প্রশিক্ষণের পরে যে সনদটি দেওয়া হয় সেটি আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃত নয়। এই স্বীকৃতিটি আন্তর্জাতিক মানের করার দায়িত্ব একমাত্র সরকারের। কেয়ারগিভিংয়ের দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন। এর পাশাপাশি ভাষার দক্ষতাও বৃদ্ধি করতে হবে এবং সেটি যদি সামগ্রিকভাবে শিক্ষাগত যোগ্যতায় নিয়ে আসা যায় তবে কিছুটা উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাপ্তাহিক প্রবাসনের সম্পাদক খোকন দাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, রাবিডের সভাপতি আরিফুর রহমান, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ প্রবাসী ঐক্য ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রেমিত খন্দকার ও সাপ্তাহিক প্রবাসনের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মো. ইলিয়াস হোসেন প্রমুখ।

শনিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর: চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ যৌথভাবে তিন দিনের এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ কার্যালয়ে অবস্থিত টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হাগিং ফেসে চলতি মাসে আলোড়ন তোলা হ্যাকিং ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে নিজেদের আরও কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) এজেন্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঘটনা শনাক্ত করেছে ওপেনএআই। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি গত শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে