
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন ধনকুবের জেফ বেজোসের মালিকানাধীন মহাকাশ কোম্পানি ব্লু অরিজিনের ‘নিউ গ্লেন’ রকেট পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় নাসার চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ৯টার দিকে নির্ধারিত ‘হটফায়ার’ পরীক্ষার কয়েক সেকেন্ড পরই রকেটটি বিস্ফোরিত হয়। এতে বিশাল অগ্নিগোলকে পুরো উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস হয়ে যায়। বিস্ফোরণের পর আকাশ জুড়ে কমলা আভা ছড়িয়ে পড়ে, যা প্রায় ১৮৫ কিলোমিটার দূরের ফোর্ট পিয়ার্স থেকেও দৃশ্যমান ছিল।
ঘটনার পর জেফ বেজোস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, কোম্পানির সব কর্মী নিরাপদ আছেন এবং কেউ আহত হননি। তবে তিনি একে ‘খুব কঠিন দিন’ বলে উল্লেখ করেন।
বেজোস লিখেছেন, ‘মূল কারণ জানতে এখনো সময় লাগবে। তবে আমরা এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছি, যা পুনর্নির্মাণ দরকার, তা করব এবং আবার উড়ব। কারণ এই প্রচেষ্টা সার্থক।’
এর মাত্র দুই দিন আগে নাসা ঘোষণা দিয়েছিল, চলতি বছরে চাঁদে পরিকল্পিত তিনটি মিশনের প্রথমটি উৎক্ষেপণের দায়িত্ব পেয়েছে ব্লু অরিজিন। প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের চন্দ্রঘাঁটি নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবেই মিশনগুলো পরিচালিত হওয়ার কথা।
একই সঙ্গে ২০২৮ সালের আর্টেমিস-৪ মিশনের জন্য চন্দ্রযান সরবরাহে স্পেসএক্সের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় রয়েছে ব্লু অরিজিন। ওই মিশনের মাধ্যমে ১৯৭২ সালের পর প্রথমবারের মতো মানুষকে আবার চাঁদে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর পুরো সময়সূচি নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে। ব্লু অরিজিন ঘটনাটিকে ‘অ্যানোম্যালি’ বা অস্বাভাবিক দুর্ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছে।
আইজ্যাকম্যান বলেন, ‘মহাকাশযাত্রা অত্যন্ত কঠিন। নতুন ভারী রকেট তৈরি করা আরও কঠিন কাজ। আমরা অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করব এবং ভবিষ্যৎ মিশনের ওপর এর প্রভাব মূল্যায়ন করব।’
বিস্ফোরণের অভিঘাত ফ্লোরিডার ‘স্পেস কোস্ট’ অঞ্চল জুড়ে অনুভূত হয়। কেপ ক্যানাভেরাল ও কোকো বিচ এলাকার বাসিন্দারা বাড়িঘর কেঁপে ওঠার কথা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুনের বিশাল গোলকের ছবি ও ভিডিও।
জরুরি সেবা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষাক্ত ধোঁয়া বা অন্য কোনো তাৎক্ষণিক ঝুঁকি তৈরি হয়নি। তবে বিস্ফোরণের দুই ঘণ্টা পরও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে আগুন জ্বলছিল।
সম্প্রতি একের পর এক ধাক্কার মুখে রয়েছে ব্লু অরিজিন। গত মাসে নিউ গ্লেন রকেটের তৃতীয় পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে একটি পেলোড ভুল কক্ষপথে চলে যায়। পরে মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সাময়িকভাবে রকেটটির উড্ডয়ন স্থগিত করেছিল।
সর্বশেষ এই পরীক্ষাটি ছিল এফএএর অনুমোদনের পর প্রথম ‘স্ট্যাটিক ফায়ার’ পরীক্ষা, যেখানে রকেট উৎক্ষেপণ না করে উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মেই ইঞ্জিন চালানো হয়।
এদিকে ইলন মাস্ক দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক। রকেট তৈরি সহজ নয়।’
গত এপ্রিলেই ব্লু অরিজিন নারী তারকাদের নিয়ে পরিচালিত মহাকাশ ভ্রমণের কারণে বিশ্ব জুড়ে আলোচনায় আসে। সেই অভিযানে সাংবাদিক গেইল কিং ও পপতারকা কেটি পেরি অংশ নিয়েছিলেন।

মার্কিন ধনকুবের জেফ বেজোসের মালিকানাধীন মহাকাশ কোম্পানি ব্লু অরিজিনের ‘নিউ গ্লেন’ রকেট পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় নাসার চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ৯টার দিকে নির্ধারিত ‘হটফায়ার’ পরীক্ষার কয়েক সেকেন্ড পরই রকেটটি বিস্ফোরিত হয়। এতে বিশাল অগ্নিগোলকে পুরো উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস হয়ে যায়। বিস্ফোরণের পর আকাশ জুড়ে কমলা আভা ছড়িয়ে পড়ে, যা প্রায় ১৮৫ কিলোমিটার দূরের ফোর্ট পিয়ার্স থেকেও দৃশ্যমান ছিল।
ঘটনার পর জেফ বেজোস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, কোম্পানির সব কর্মী নিরাপদ আছেন এবং কেউ আহত হননি। তবে তিনি একে ‘খুব কঠিন দিন’ বলে উল্লেখ করেন।
বেজোস লিখেছেন, ‘মূল কারণ জানতে এখনো সময় লাগবে। তবে আমরা এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছি, যা পুনর্নির্মাণ দরকার, তা করব এবং আবার উড়ব। কারণ এই প্রচেষ্টা সার্থক।’
এর মাত্র দুই দিন আগে নাসা ঘোষণা দিয়েছিল, চলতি বছরে চাঁদে পরিকল্পিত তিনটি মিশনের প্রথমটি উৎক্ষেপণের দায়িত্ব পেয়েছে ব্লু অরিজিন। প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের চন্দ্রঘাঁটি নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবেই মিশনগুলো পরিচালিত হওয়ার কথা।
একই সঙ্গে ২০২৮ সালের আর্টেমিস-৪ মিশনের জন্য চন্দ্রযান সরবরাহে স্পেসএক্সের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় রয়েছে ব্লু অরিজিন। ওই মিশনের মাধ্যমে ১৯৭২ সালের পর প্রথমবারের মতো মানুষকে আবার চাঁদে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর পুরো সময়সূচি নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে। ব্লু অরিজিন ঘটনাটিকে ‘অ্যানোম্যালি’ বা অস্বাভাবিক দুর্ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছে।
আইজ্যাকম্যান বলেন, ‘মহাকাশযাত্রা অত্যন্ত কঠিন। নতুন ভারী রকেট তৈরি করা আরও কঠিন কাজ। আমরা অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করব এবং ভবিষ্যৎ মিশনের ওপর এর প্রভাব মূল্যায়ন করব।’
বিস্ফোরণের অভিঘাত ফ্লোরিডার ‘স্পেস কোস্ট’ অঞ্চল জুড়ে অনুভূত হয়। কেপ ক্যানাভেরাল ও কোকো বিচ এলাকার বাসিন্দারা বাড়িঘর কেঁপে ওঠার কথা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুনের বিশাল গোলকের ছবি ও ভিডিও।
জরুরি সেবা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষাক্ত ধোঁয়া বা অন্য কোনো তাৎক্ষণিক ঝুঁকি তৈরি হয়নি। তবে বিস্ফোরণের দুই ঘণ্টা পরও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে আগুন জ্বলছিল।
সম্প্রতি একের পর এক ধাক্কার মুখে রয়েছে ব্লু অরিজিন। গত মাসে নিউ গ্লেন রকেটের তৃতীয় পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে একটি পেলোড ভুল কক্ষপথে চলে যায়। পরে মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সাময়িকভাবে রকেটটির উড্ডয়ন স্থগিত করেছিল।
সর্বশেষ এই পরীক্ষাটি ছিল এফএএর অনুমোদনের পর প্রথম ‘স্ট্যাটিক ফায়ার’ পরীক্ষা, যেখানে রকেট উৎক্ষেপণ না করে উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মেই ইঞ্জিন চালানো হয়।
এদিকে ইলন মাস্ক দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক। রকেট তৈরি সহজ নয়।’
গত এপ্রিলেই ব্লু অরিজিন নারী তারকাদের নিয়ে পরিচালিত মহাকাশ ভ্রমণের কারণে বিশ্ব জুড়ে আলোচনায় আসে। সেই অভিযানে সাংবাদিক গেইল কিং ও পপতারকা কেটি পেরি অংশ নিয়েছিলেন।

আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত চলতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপসচিব পদের ১৭৯ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৭২ জন প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মরত, বাকি সাতজন দেশের বাইরে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত।
২০ ঘণ্টা আগে
ছুটি শেষে দীর্ঘদিন পরও কর্মস্থলে না ফেরায় ‘পলাতক বিবেচনায়’ পুলিশের চার কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন— অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিশু বিশ্বাস ও জুয়েল চাকমা, সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান ও আফজালুন নেছা।
২১ ঘণ্টা আগে