
অরুণ কুমার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে তখন। বিশ্বজুড়ে চলছে তখন অস্ত্র প্রতিযোগিতা। কে কত ভালো অস্ত্র তৈরি করতে পারে, তার ওপরেই নির্ভর করছে জয়-পরাজয়। কিন্তু মার্কিন রসায়নবিদ হ্যারি কুভারের দায়িত্ব বড় অস্ত্র বা ভয়ংকর বিস্ফোরক তৈরি নয়। খুব সাধারণ আর ছোট্ট একটা জিনিস তৈরির ভার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। জিনিসটা হলো গান সাইট।
গান সাইট জিনিসটা হয়তো সবাই চিনবেন না। এটা হলো কাচ বা প্ল্যাস্টিকের তৈরি স্বচ্ছ গোল একটা বস্তু, যেটা বন্দুকের নলের ওপরের দিকে লাগানো থাকে। এই বস্তুতে একটা বৃত্ত থাকে। বৃত্তের মাঝখানে ক্রস। এটাতে চোখ বন্দুকের টার্গেট ঠিক করেন বন্দুকবাজ।
কুভারের ওপর ভার পড়েছিল প্ল্যাস্টিকের একটা টেকসই গান সাইট বানানোর। কুভার খেটেখুটে একটা জিনিস বানালেন। কিন্তু সেটা আর যাই হোক, গান সাইট হয়নি। তৈরি হয়েছিল এক ধরনের তরল আঠা, যা বাতাসের সংস্পর্শে দ্রুত জমাট বাঁধে। সালটা ছিল ১৯৪২।
কুভারের প্রোজেক্টের অংশ এটা ছিল না। তাই এটা নিয়ে আর তিনি মাথা ঘামাননি।
কুভার পরে তাঁর কাংখিত গান সাইট বানাতে পেরেছিলেন কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে নয় বছর সেই আঠালো পদার্থ নিয়ে আর উচ্চবাচ্য করেননি কুভার।
১৯৫১ সালে আরেকটি কাজের দায়িত্ব পান কুভার। ইস্টম্যান কোডাট জেট কোম্পানিতে, সেই প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন তিনি।
কোম্পানি থেকে কুভারের হাতে নতুন একটা প্রোজেক্ট ধরিয়ে দেওয়া হলো। জেট বিমান প্রচন্ড গতিতে চলে। তাই বাতাসে সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এতে বিমানের ককপিটে আগুন ধরে যাওয়ার আশংকা থাকে খুব বেশি। কুভারকে দায়িত্ব হলো ককপিটের জন্য একটা স্বচ্ছ প্ল্যাস্টিকের আবরণী তৈরি করা, যেটা উচ্চ তাপ প্রতিরোধে সক্ষম। এর জন্য যে জিনিসটা তৈরি করতে হবে, তার নাম অ্যাক্রিলেট পলিমার- এক ধরনের প্ল্যাস্টিক। এবার অবশ্য কুভার একা নন, তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফ্রেড জায়নার।
দুজন মিলে গবেষণা করছিলেন, এর মধ্যে আবার সেই পুরোনো জিনিস আবিষ্কার হয়ে গেল, যেটা নয় বছর আগেই দুর্ঘটনাবশত আবিষ্কার করেছিলেন। সেই শক্তিশালী আঠালো তরল।
দু-দুবার একই জিনিস আবিষ্কার করে ফেলেছেন- তাই এবার এটাকে আর হেলাফেলা করলেন না কুভার। বরং এর শক্তিমত্তা পরীক্ষা করে দেখলেন। দুটো প্রিজমকে এর সাহায্যে জোড়া লাগালেন। সেই জোড়া এতটাই মজবুত হলো, কিছুতেই আলাদা করা সম্ভব হলো না।
এটাকে তিনি বাণিজ্যিক রূপ দিতে চাইলেন। পৃষ্ঠপোষকতা করল তাঁর প্রতিষ্ঠান ইস্টম্যান কোডাক। ১৯৫৮ সালে কোম্পানি ইস্টম্যান ৯১০ নাম দিয়ে বাজারে নিয়ে এলো ইতিহাসের প্রথম সুপার গ্লু।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে তখন। বিশ্বজুড়ে চলছে তখন অস্ত্র প্রতিযোগিতা। কে কত ভালো অস্ত্র তৈরি করতে পারে, তার ওপরেই নির্ভর করছে জয়-পরাজয়। কিন্তু মার্কিন রসায়নবিদ হ্যারি কুভারের দায়িত্ব বড় অস্ত্র বা ভয়ংকর বিস্ফোরক তৈরি নয়। খুব সাধারণ আর ছোট্ট একটা জিনিস তৈরির ভার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। জিনিসটা হলো গান সাইট।
গান সাইট জিনিসটা হয়তো সবাই চিনবেন না। এটা হলো কাচ বা প্ল্যাস্টিকের তৈরি স্বচ্ছ গোল একটা বস্তু, যেটা বন্দুকের নলের ওপরের দিকে লাগানো থাকে। এই বস্তুতে একটা বৃত্ত থাকে। বৃত্তের মাঝখানে ক্রস। এটাতে চোখ বন্দুকের টার্গেট ঠিক করেন বন্দুকবাজ।
কুভারের ওপর ভার পড়েছিল প্ল্যাস্টিকের একটা টেকসই গান সাইট বানানোর। কুভার খেটেখুটে একটা জিনিস বানালেন। কিন্তু সেটা আর যাই হোক, গান সাইট হয়নি। তৈরি হয়েছিল এক ধরনের তরল আঠা, যা বাতাসের সংস্পর্শে দ্রুত জমাট বাঁধে। সালটা ছিল ১৯৪২।
কুভারের প্রোজেক্টের অংশ এটা ছিল না। তাই এটা নিয়ে আর তিনি মাথা ঘামাননি।
কুভার পরে তাঁর কাংখিত গান সাইট বানাতে পেরেছিলেন কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে নয় বছর সেই আঠালো পদার্থ নিয়ে আর উচ্চবাচ্য করেননি কুভার।
১৯৫১ সালে আরেকটি কাজের দায়িত্ব পান কুভার। ইস্টম্যান কোডাট জেট কোম্পানিতে, সেই প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন তিনি।
কোম্পানি থেকে কুভারের হাতে নতুন একটা প্রোজেক্ট ধরিয়ে দেওয়া হলো। জেট বিমান প্রচন্ড গতিতে চলে। তাই বাতাসে সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এতে বিমানের ককপিটে আগুন ধরে যাওয়ার আশংকা থাকে খুব বেশি। কুভারকে দায়িত্ব হলো ককপিটের জন্য একটা স্বচ্ছ প্ল্যাস্টিকের আবরণী তৈরি করা, যেটা উচ্চ তাপ প্রতিরোধে সক্ষম। এর জন্য যে জিনিসটা তৈরি করতে হবে, তার নাম অ্যাক্রিলেট পলিমার- এক ধরনের প্ল্যাস্টিক। এবার অবশ্য কুভার একা নন, তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফ্রেড জায়নার।
দুজন মিলে গবেষণা করছিলেন, এর মধ্যে আবার সেই পুরোনো জিনিস আবিষ্কার হয়ে গেল, যেটা নয় বছর আগেই দুর্ঘটনাবশত আবিষ্কার করেছিলেন। সেই শক্তিশালী আঠালো তরল।
দু-দুবার একই জিনিস আবিষ্কার করে ফেলেছেন- তাই এবার এটাকে আর হেলাফেলা করলেন না কুভার। বরং এর শক্তিমত্তা পরীক্ষা করে দেখলেন। দুটো প্রিজমকে এর সাহায্যে জোড়া লাগালেন। সেই জোড়া এতটাই মজবুত হলো, কিছুতেই আলাদা করা সম্ভব হলো না।
এটাকে তিনি বাণিজ্যিক রূপ দিতে চাইলেন। পৃষ্ঠপোষকতা করল তাঁর প্রতিষ্ঠান ইস্টম্যান কোডাক। ১৯৫৮ সালে কোম্পানি ইস্টম্যান ৯১০ নাম দিয়ে বাজারে নিয়ে এলো ইতিহাসের প্রথম সুপার গ্লু।

এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান
৬ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল (শনিবার, ১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ (শুক্রবার, ১০ জুলাই) এক বাণীতে এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
৬ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১২৮ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে হামের সুনির্দিষ্ট উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০১ জন। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, জুলাই জাদুঘর পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে।
৮ ঘণ্টা আগে