চিকিৎসাবিজ্ঞানে ইতিহাস— এআইয়ের সহায়তায় প্রথমবার মস্তিষ্কের টিউমার অপসারণ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
লাইভ এআইয়ের সহায়তা নিয়ে অস্ত্রোপচারে সুস্থ হওয়া হিবার্ট (ডানে) ও অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেওয়া সার্জন মার্কাস (বাঁয়ে)। ন্যাশনাল হসপিটাল ফর নিউরোলজি অ্যান্ড নিউরোসার্জারির সামনে তোলা ছবি, যেখানে অস্ত্রোপচারটি হয়েছিল গত মে মাসে। ছবি: সংগৃহীত

লন্ডনে প্রথমবারের মতো একজন রোগীর মস্তিষ্কের টিউমার অস্ত্রোপচারের সময় সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সহায়তা নিয়েছেন নিউরোসার্জনরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিশ্বের প্রথম সফল এআই-সহায়তাপ্রাপ্ত এই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ৪৮ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ নাগরিকের টিউমার অপসারণের পাশাপাশি তার দৃষ্টিশক্তিও রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

ইংল্যান্ডের লন্ডনে ন্যাশনাল হসপিটাল ফর নিউরোলজি অ্যান্ড নিউরোসার্জারিতে গত মে মাসে অস্ত্রোপচারটি করা হয়। হাসপাতালটি ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন হসপিটালস এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের অধীন। অস্ত্রোপচারের কয়েক মাস পর বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এর বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়। এত দিন রোগী সুস্থ হয়ে ওঠার বিষয়টি নিশ্চিত করতে তথ্যটি প্রকাশ করা হয়নি।

অস্ত্রোপচার হওয়া রোগী ৪৮ বছর বয়সী রিস হিবার্ট ইংল্যান্ডের বেডফোর্ডশায়ারের বাসিন্দা। তিনি পেশায় কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার এবং স্বাস্থ্যসেবার স্বেচ্ছাসেবী হিসেবেও কাজ করেন। তার পিটুইটারি গ্রন্থিতে প্রায় ১১ মিলিমিটার আকারের একটি টিউমার ধরা পড়ে। টিউমারটির অবস্থান ছিল মস্তিষ্কের এমন একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকায়, যেখানে সামান্য ভুলও রোগীর দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করে দিতে পারে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, হিবার্টের টিউমারটি ধরা পড়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। সেদিন হাঁটতে বের হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি এবং খিঁচুনি হয়। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা তার পিটুইটারি গ্রন্থিতে টিউমারটি শনাক্ত করেন।

প্রাথমিকভাবে অস্ত্রোপচার ছাড়াই তার চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। দেখা দেয় গুরুতর হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং দৃষ্টিশক্তির সমস্যা। এমনকি দৃষ্টিক্ষেত্রের নিচের অংশ দেখতে না পাওয়ায় বারবার হোঁচট খেয়ে তাকে হাঁটার জন্য লাঠি ব্যবহার করতে হতো।

চিকিৎসকেরা জানান, অস্ত্রোপচার না করা হলে টিউমারটি আরও বাড়তে পারত এবং শেষ পর্যন্ত হিবার্ট অন্ধ হয়ে যেতে পারতেন। এ পরিস্থিতিতেই তিনি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন এবং একই সঙ্গে এআই-সহায়তাপ্রাপ্ত চিকিৎসা গবেষণায় অংশ নেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করেন।

কীভাবে অস্ত্রোপচারে কাজ করেছে এআই?

এই অস্ত্রোপচারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— পুরো অস্ত্রোপচারের সময় নিউরোসার্জনরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) ‘লাইভ ডিজিটাল সহকারী’ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। অস্ত্রোপচারের সময় ব্যবহৃত ক্যামেরা থেকে পাওয়া সরাসরি ভিডিও এআই সিস্টেম বিশ্লেষণ করছিল।

এরপর মস্তিষ্কের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো— বিশেষ করে স্নায়ু, রক্তনালি ও অন্যান্য সূক্ষ্ম টিস্যু চিহ্নিত করে সেগুলোকে রঙের মাধ্যমে আলাদা করে দেখাচ্ছিল। ফলে কোন জায়গায় অস্ত্রোপচারের যন্ত্র নেওয়া নিরাপদ এবং কোন জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে, তা সার্জনদের আরও স্পষ্টভাবে বুঝতে সাহায্য করছিল এআই।

অন্যান্য অস্ত্রোপচারে প্রযুক্তির ব্যবহারের সঙ্গে এই অস্ত্রোপচারে প্রযুক্তি ব্যবহারের একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। সাধারণত অস্ত্রোপচারের আগে করা স্ক্যান দেখে চিকিৎসকরা মস্তিষ্কের কাঠামো সম্পর্কে ধারণা নেন। কিন্তু এই প্রযুক্তি অস্ত্রোপচার চলার সময় লাইভ ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ চলছিল। অর্থাৎ চিকিৎসকেরা যে মুহূর্তে অপারেশন করছেন, সেই মুহূর্তের দৃশ্যের ওপর ভিত্তি করেই এআইয়ের কাছ থেকে সহায়তা নিয়েছেন।

এআই একই সঙ্গে অস্ত্রোপচারের যন্ত্র এবং টিস্যুর পারস্পরিক অবস্থান ও মিথস্ক্রিয়াও শনাক্ত করে। ভবিষ্যতে জটিল নিউরোসার্জারির সময় এ ধরনের তথ্য সার্জনদের সিদ্ধান্ত নিতে আরও বেশি সহায়তা করতে পারে বলে গবেষকেরা আশা করছেন।

এক মিলিমিটারের ভুলেও বিপদ

পিটুইটারি গ্রন্থিটি মস্তিষ্কের নিচের দিকে অবস্থিত এবং এর আশপাশেই রয়েছে দৃষ্টিশক্তি নিয়ন্ত্রণকারী অপটিক নার্ভ ও গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালি। ফলে এই অঞ্চলে অস্ত্রোপচার অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও ঝুঁকিপূর্ণ। চিকিৎসকদের ভাষায়, এখানে মাত্র এক মিলিমিটার ভুলও বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এতে রোগীর অন্ধত্ব, স্ট্রোক, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই টিউমার যতটাসম্ভব অপসারণ করার পাশাপাশি আশপাশের সুস্থ ও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো অক্ষত রাখা ছিল এই অস্ত্রোপচারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

এ জায়গাতেই এআই প্রযুক্তির ব্যবহারকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন গবেষকেরা। মানুষের চোখ ও অভিজ্ঞতা যেখানে অত্যন্ত সূক্ষ্ম শারীরিক কাঠামো শনাক্ত করার ওপর নির্ভর করে, সেখানে এআই একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক পূর্ববর্তী অস্ত্রোপচারের ভিডিও থেকে শেখা তথ্য কাজে লাগিয়ে লাইভ দৃশ্য বিশ্লেষণ করতে পারে।

শত শত অস্ত্রোপচারের ভিডিও থেকে প্রশিক্ষণ

প্রযুক্তিটি তৈরি করেছে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের হকস ইনস্টিটিউটের একটি গবেষক দল। এর কারিগরি নেতৃত্বে রয়েছেন রোবোটিকস ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে সহযোগী অধ্যাপক ড. সোফিয়া বানু।

গবেষকেরা আগের শত শত পিটুইটারি সার্জারির ভিডিও ব্যবহার করে এআই সিস্টেমটিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এসব ভিডিও থেকে সিস্টেমটি মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অ্যানাটমি, অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি ও টিস্যুর সঙ্গে যন্ত্রের মিথস্ক্রিয়া শনাক্ত করতে শিখেছে।

সোফিয়া বানুর ভাষ্য, একজন সার্জনের পক্ষে শত শত অস্ত্রোপচারের এমন বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা অর্জন করতে বহু বছর লেগে যেতে পারে। এআইকে সেই বিপুল পরিমাণ পূর্ববর্তী অস্ত্রোপচারের তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষিত করার ফলে এটি অস্ত্রোপচারের সময় গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো শনাক্ত করে সার্জনকে সহায়তা করতে পারে।

তবে গবেষকেরা পরিষ্কার করেছেন, এটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রোপচার নয়। এআই নিজে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে রোগীর শরীরে অস্ত্রোপচার করেনি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং পুরো প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ ছিল চিকিৎসকদের হাতেই।

হাসপাতালটি এর আগে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের কাজে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিল। কিন্তু কোনো রোগীর শরীরে চলমান অস্ত্রোপচারের সময় এআইকে সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছিল এই প্রথম।

অস্ত্রোপচারটি একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়। এর অর্থ— চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা আরও যাচাই করার প্রক্রিয়া এখনো চলছে। এ গবেষণায় অর্থায়ন করেছে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেলথ অ্যান্ড কেয়ার রিসার্চ ও গুগল। গবেষণাটিকে আরও সহযোগিতা করেছে বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার, রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেস রিসার্চ কাউন্সিল এবং ওয়েলকাম।

অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেন ন্যাশনাল হসপিটাল ফর নিউরোলজি অ্যান্ড নিউরোসার্জারির কনসালট্যান্ট নিউরোসার্জন ও ইউসিএলের কুইন স্কয়ার ইনস্টিটিউট অব নিউরোলজির অধ্যাপক হানি মার্কাস। তার সঙ্গে ছিলেন সার্জিক্যাল রেসিডেন্ট ড্যানিয়াল খান।

প্রযুক্তিটি বাস্তব অস্ত্রোপচারে ব্যবহারের জন্য এনভিডিয়া ক্লারা আইজিএস প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত হয়েছে, যা চিকিৎসা সরঞ্জামে রিয়েলটাইম এআই ব্যবহারের জন্য তৈরি একটি কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম।

অস্ত্রোপচারের পর ফিরে এসেছে দৃষ্টিশক্তি

অস্ত্রোপচারের ফলাফলও আশাব্যঞ্জক। জ্ঞান ফেরার পরই নিজের দৃষ্টিশক্তির বড় পরিবর্তন টের পান হিবার্ট। তিনি বলেন, ‘যখন জ্ঞান ফিরল, আমি ঘরের সবকিছু পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলাম।’

অস্ত্রোপচারের এক সপ্তাহের মধ্যেই চশমা বা লাঠি ছাড়াই স্বাধীনভাবে হাঁটতে পারছিলেন হিবার্ট। পরে কর্মস্থলেও যোগ দিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, এখন তার মনে হয় যেন চারপাশে ‘৩৬০ ডিগ্রির প্যানোরামিক ভিউ’ দেখতে পাচ্ছেন, দৃষ্টি সংকুচিত হওয়ার কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে যেটি তিনি পারেননি।

হিবার্ট নিজেও এই গবেষণায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তার যুক্তি, রোগীরা গবেষণায় অংশ না নিলে চিকিৎসকেরা নতুন কিছু শেখার সুযোগ পাবেন না এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিও সম্ভব হবে না।

নিউরোসার্জারিতে নতুন যুগের ইঙ্গিত?

লন্ডনের এই অস্ত্রোপচারের গুরুত্ব শুধু একজন রোগীর দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর মধ্য দিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এআইয়ের ব্যবহারের একটি নতুন ধাপ সামনে এসেছে। এতদিন চিকিৎসায় এআইয়ের বড় ব্যবহার ছিল রোগ নির্ণয়, মেডিকেল ইমেজ বিশ্লেষণ, ক্যান্সার শনাক্তকরণ কিংবা অস্ত্রোপচারের আগে পরিকল্পনা তৈরিতে। কিন্তু এবার এআই অস্ত্রোপচার চলার সময়ই সার্জনের সামনে থাকা বাস্তব দৃশ্য বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করেছে।

তবে একটি সফল অস্ত্রোপচার দিয়েই এই প্রযুক্তিকে ব্যাপকভাবে নিরাপদ বা কার্যকর বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। আরও রোগীর ওপর পরীক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল ও স্বাধীনভাবে এর কার্যকারিতা যাচাই প্রয়োজন। গবেষকরাও একে চিকিৎসকদের বিকল্প হিসেবে নয়, বরং চিকিৎসকদের সক্ষমতা বাড়ানোর একটি প্রযুক্তি হিসেবে দেখছেন।

এনআইএইচআরের ইনোভেশনের বৈজ্ঞানিক পরিচালক অধ্যাপক মাইক লুইস বলেছেন, এই অগ্রগামী অস্ত্রোপচার জটিল চিকিৎসায় সার্জনদের সহায়তা ও রোগীর সেবা উন্নত করতে উন্নত এআইয়ের সম্ভাবনা তুলে ধরেছে।

আর হিবার্টের গল্পে যুক্ত হয়েছে এক প্রতীকী অধ্যায়ও। ১৮৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল নিউরো হাসপাতাল বিশ্বের প্রথম নিবেদিত নিউরোসার্জিক্যাল হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত। সেই হাসপাতালেই দেড় শতাব্দীরও বেশি সময় পর মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচারে এআইয়ের সরাসরি সহায়তা ব্যবহারের এই নতুন ইতিহাস তৈরি হলো।

চিকিৎসকের হাতে থাকা স্ক্যালপেলের জায়গা এআই এখনো নেয়নি। কিন্তু স্ক্যালপেল কোথায় চালানো উচিত আর কোথায় থামতে হবে— সেটি বুঝতে চিকিৎসকের চোখের পাশে এআইয়ের একটি নতুন ‘চোখ’ যুক্ত হয়েছে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সহায়তা দেবে ফ্রি এআই প্ল্যাটফর্ম ‘লাট্টু’

মাইক্রোসফট, ডিজনি, গুগল ও অ্যামাজনসহ বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মঅভিজ্ঞ বাংলাদেশের সফল প্রযুক্তিবিদদের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই এআই প্ল্যাটফর্ম। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সাফল্য অর্জনকারী এসব প্রযুক্তিবিদ নিজেদের শেকড়ের শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান এবং তাঁদের উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনাকে আরও সুসংগঠিত কর

৪ ঘণ্টা আগে

দুষ্টু লোকে বলে টুকু আসে, টুকু যায়— লোডশেডিং নিয়ে সংসদে রুমিন

জ্বালানি সংকট, লোডশেডিং নিয়ে সংসদে সমালোচনা করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের বিষয়ে মানুষ বলে, দুষ্টু লোকে বলে, ভালো লোকে বলে না— টুকু আসে, টুকু যায়। এ আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।’

৫ ঘণ্টা আগে

আমি জামিন চাই না, আবেদন প্রত্যাহার করতে চাই: দীপু মনি

‘আমি দুই বছর ধরে কারারুদ্ধ আছি। গত এপ্রিল মাসে আমার জামিন আবেদন করা হয়েছে। এখন আমি জামিন চাই না। আমি জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চাই।’ আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ কথা বলেছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি।

৬ ঘণ্টা আগে

সালমান শাহ হত্যা মামলা: ৫ দিনের রিমান্ডে অভিনেতা ডন

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিনেতা ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই শাহ আলম।

৮ ঘণ্টা আগে