
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে হাঁসের মাংস খুব জনপ্রিয়। অনেকেই মনে করেন, লাল মাংসের তুলনায় হাঁসের মাংস বেশি স্বাস্থ্যকর, আবার কেউ কেউ এটিকে কোলেস্টেরলের বড় উৎস বলে ভাবেন। আসলে হাঁসের মাংস স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ভালো আর কতটা ক্ষতিকর—তা নির্ভর করে আমরা কতটা পরিমাণে এবং কীভাবে খাচ্ছি তার ওপর।
হাঁসের মাংস প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। এটি শরীরের পেশি গঠন, টিস্যু মেরামত ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে থাকা প্রোটিন সহজে হজম হয় এবং শরীর দ্রুত তা কাজে লাগাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড টি. এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ–এর পুষ্টিবিজ্ঞানী ড. ফ্রাঙ্ক হু বলেন, “পরিমিত পরিমাণে হাঁসের মাংস খাওয়া হলে তা উচ্চমানের প্রোটিন সরবরাহ করে, যা আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় নানা অ্যামিনো অ্যাসিড পূরণ করতে সাহায্য করে।” তার মতে, সমস্যা তখনই হয় যখন আমরা অতিরিক্ত পরিমাণে এবং চামড়াসহ হাঁসের মাংস খাই।
হাঁসের মাংসে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ উপাদানও রয়েছে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২, নিয়াসিন, রিবোফ্লাভিন—যা স্নায়ুর কার্যকারিতা ঠিক রাখা, লোহিত রক্তকণিকা তৈরি এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। এছাড়া এতে আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ থাকে। এই উপাদানগুলো রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ, হাড় মজবুত রাখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার পুষ্টিবিদ ড. মেরি থম্পসন বলেন, “যারা আয়রনের ঘাটতিতে ভোগেন, তাঁদের জন্য হাঁসের মাংস একটি ভালো বিকল্প হতে পারে, কারণ এতে হিম আয়রন থাকে যা শরীর সহজেই শোষণ করতে পারে।”
তবে উপকারের পাশাপাশি হাঁসের মাংসে কিছু ঝুঁকিও আছে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো এর উচ্চ স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ। হাঁসের চামড়ায় এই ফ্যাটের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। নিয়মিত চামড়াসহ হাঁসের মাংস খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল বেড়ে যেতে পারে, যা হৃদরোগ, স্ট্রোক ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের পুষ্টি পরামর্শদাতা ভিকি হেলম্যান বলেন, “হাঁসের মাংসে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ মুরগি বা টার্কির তুলনায় অনেক বেশি। তাই যাদের হৃদরোগ বা কোলেস্টেরল সমস্যা আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি পরিমিতভাবে খাওয়াই ভালো।”
আরেকটি বিষয় হলো হাঁসের মাংসের ক্যালরির পরিমাণ। চর্বি বেশি থাকার কারণে এর ক্যালরিও বেশি হয়। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাঁদের জন্য এটি সীমিত পরিমাণে খাওয়া জরুরি। বেশি ক্যালরি মানে শরীরে অতিরিক্ত শক্তি জমা, যা শেষ পর্যন্ত চর্বি আকারে জমে গিয়ে ওজন বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া হাঁসের মাংসে থাকা পিউরিন নামক উপাদান ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়াতে পারে, যা গাউট রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।
তবে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে হাঁসের মাংস খাওয়ার উপায়ও আছে। রান্নার আগে হাঁসের চামড়া ফেলে দিলে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়। এছাড়া অল্প তেলে রান্না, গ্রিল, বেক বা সেদ্ধ করার মতো পদ্ধতিতে তৈরি করলে এটি তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ো ক্লিনিকের পুষ্টিবিশেষজ্ঞ ড. জেনিফার হান বলেন, “হাঁসের চামড়া ফেলে দিয়ে রান্না করলে এতে থাকা ক্ষতিকর চর্বির পরিমাণ অর্ধেকের বেশি কমে যায়। পাশাপাশি প্রচুর সবজি, ডাল বা শস্যের সঙ্গে খেলে এর পুষ্টিগুণ বজায় থাকে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি কমে।”
হাঁসের মাংসে মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটও থাকে, যা হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী হতে পারে। এতে থাকা ওমেগা–৩ ও ওমেগা–৬ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তবে এসব ভালো ফ্যাটের উপকার পেতে হলে রান্নার ধরন ও খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
বাংলাদেশে গ্রামীণ অঞ্চলে হাঁসের মাংসের জনপ্রিয়তা অনেক পুরনো। তবে গ্রামাঞ্চলের হাঁস সাধারণত খোলা পরিবেশে পালিত হয়, যা তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর হতে পারে। কিন্তু বাণিজ্যিক খামারের হাঁসের খাদ্যে কৃত্রিম উপাদান থাকলে মাংসের গুণগত মানে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক খাদ্য খাওয়ানো হাঁসের মাংস বেছে নেওয়া ভালো।
সব মিলিয়ে বলা যায়, হাঁসের মাংস পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, কিন্তু এর ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণও অনেক বেশি। তাই সপ্তাহে এক–দুইবারের বেশি খাওয়াই উচিত নয়। যারা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল বা গাউট রোগে ভুগছেন, তাঁদের জন্য নিয়মিত হাঁসের মাংস খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। আবার যারা স্বাস্থ্যকরভাবে রান্না করে পরিমিত পরিমাণে খান, তাঁদের জন্য এটি একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর বিকল্প হতে পারে। শেষ পর্যন্ত, সব ধরনের খাবারের মতো হাঁসের মাংসও পরিমিতি ও সঠিক পদ্ধতিতে খাওয়াই স্বাস্থ্য রক্ষার মূল চাবিকাঠি।

বাংলাদেশে হাঁসের মাংস খুব জনপ্রিয়। অনেকেই মনে করেন, লাল মাংসের তুলনায় হাঁসের মাংস বেশি স্বাস্থ্যকর, আবার কেউ কেউ এটিকে কোলেস্টেরলের বড় উৎস বলে ভাবেন। আসলে হাঁসের মাংস স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ভালো আর কতটা ক্ষতিকর—তা নির্ভর করে আমরা কতটা পরিমাণে এবং কীভাবে খাচ্ছি তার ওপর।
হাঁসের মাংস প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। এটি শরীরের পেশি গঠন, টিস্যু মেরামত ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে থাকা প্রোটিন সহজে হজম হয় এবং শরীর দ্রুত তা কাজে লাগাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড টি. এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ–এর পুষ্টিবিজ্ঞানী ড. ফ্রাঙ্ক হু বলেন, “পরিমিত পরিমাণে হাঁসের মাংস খাওয়া হলে তা উচ্চমানের প্রোটিন সরবরাহ করে, যা আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় নানা অ্যামিনো অ্যাসিড পূরণ করতে সাহায্য করে।” তার মতে, সমস্যা তখনই হয় যখন আমরা অতিরিক্ত পরিমাণে এবং চামড়াসহ হাঁসের মাংস খাই।
হাঁসের মাংসে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ উপাদানও রয়েছে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২, নিয়াসিন, রিবোফ্লাভিন—যা স্নায়ুর কার্যকারিতা ঠিক রাখা, লোহিত রক্তকণিকা তৈরি এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। এছাড়া এতে আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ থাকে। এই উপাদানগুলো রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ, হাড় মজবুত রাখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার পুষ্টিবিদ ড. মেরি থম্পসন বলেন, “যারা আয়রনের ঘাটতিতে ভোগেন, তাঁদের জন্য হাঁসের মাংস একটি ভালো বিকল্প হতে পারে, কারণ এতে হিম আয়রন থাকে যা শরীর সহজেই শোষণ করতে পারে।”
তবে উপকারের পাশাপাশি হাঁসের মাংসে কিছু ঝুঁকিও আছে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো এর উচ্চ স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ। হাঁসের চামড়ায় এই ফ্যাটের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। নিয়মিত চামড়াসহ হাঁসের মাংস খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল বেড়ে যেতে পারে, যা হৃদরোগ, স্ট্রোক ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের পুষ্টি পরামর্শদাতা ভিকি হেলম্যান বলেন, “হাঁসের মাংসে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ মুরগি বা টার্কির তুলনায় অনেক বেশি। তাই যাদের হৃদরোগ বা কোলেস্টেরল সমস্যা আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি পরিমিতভাবে খাওয়াই ভালো।”
আরেকটি বিষয় হলো হাঁসের মাংসের ক্যালরির পরিমাণ। চর্বি বেশি থাকার কারণে এর ক্যালরিও বেশি হয়। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাঁদের জন্য এটি সীমিত পরিমাণে খাওয়া জরুরি। বেশি ক্যালরি মানে শরীরে অতিরিক্ত শক্তি জমা, যা শেষ পর্যন্ত চর্বি আকারে জমে গিয়ে ওজন বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া হাঁসের মাংসে থাকা পিউরিন নামক উপাদান ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়াতে পারে, যা গাউট রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।
তবে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে হাঁসের মাংস খাওয়ার উপায়ও আছে। রান্নার আগে হাঁসের চামড়া ফেলে দিলে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়। এছাড়া অল্প তেলে রান্না, গ্রিল, বেক বা সেদ্ধ করার মতো পদ্ধতিতে তৈরি করলে এটি তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ো ক্লিনিকের পুষ্টিবিশেষজ্ঞ ড. জেনিফার হান বলেন, “হাঁসের চামড়া ফেলে দিয়ে রান্না করলে এতে থাকা ক্ষতিকর চর্বির পরিমাণ অর্ধেকের বেশি কমে যায়। পাশাপাশি প্রচুর সবজি, ডাল বা শস্যের সঙ্গে খেলে এর পুষ্টিগুণ বজায় থাকে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি কমে।”
হাঁসের মাংসে মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটও থাকে, যা হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী হতে পারে। এতে থাকা ওমেগা–৩ ও ওমেগা–৬ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তবে এসব ভালো ফ্যাটের উপকার পেতে হলে রান্নার ধরন ও খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
বাংলাদেশে গ্রামীণ অঞ্চলে হাঁসের মাংসের জনপ্রিয়তা অনেক পুরনো। তবে গ্রামাঞ্চলের হাঁস সাধারণত খোলা পরিবেশে পালিত হয়, যা তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর হতে পারে। কিন্তু বাণিজ্যিক খামারের হাঁসের খাদ্যে কৃত্রিম উপাদান থাকলে মাংসের গুণগত মানে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক খাদ্য খাওয়ানো হাঁসের মাংস বেছে নেওয়া ভালো।
সব মিলিয়ে বলা যায়, হাঁসের মাংস পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, কিন্তু এর ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণও অনেক বেশি। তাই সপ্তাহে এক–দুইবারের বেশি খাওয়াই উচিত নয়। যারা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল বা গাউট রোগে ভুগছেন, তাঁদের জন্য নিয়মিত হাঁসের মাংস খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। আবার যারা স্বাস্থ্যকরভাবে রান্না করে পরিমিত পরিমাণে খান, তাঁদের জন্য এটি একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর বিকল্প হতে পারে। শেষ পর্যন্ত, সব ধরনের খাবারের মতো হাঁসের মাংসও পরিমিতি ও সঠিক পদ্ধতিতে খাওয়াই স্বাস্থ্য রক্ষার মূল চাবিকাঠি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুবাইয়ে আটকের পরই ১৪৪ পৃষ্ঠার মামলার নথি আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, খ্যাতিমান হকি খেলোয়াড় ও সংগঠক আবদুস সাদেক আর নেই। আজ শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
৬ ঘণ্টা আগে
জৈন ধর্ম মানুষের মুক্তির জন্য নৈতিকতার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে। এই ধর্ম অনুযায়ী, বন্দি অবস্থা থেকে আত্মার মুক্তির উপায় তিনটি— সম্যগ দর্শন বা সত্যের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, সম্যগজ্ঞান বা সংশয়শূন্য ও ভ্রমমুক্ত বিশদ জ্ঞান এবং সম্যগ চারিত্র বা হিত আচরণে প্রবৃত্ত হওয়া এবং অহিতকর আচরণ থেকে সম্প
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের দুই ছেল এবং আত্মীয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় নবগঠিত কয়েকটি ইউনিয়নের নামকরণের অভিযোগের পর এবার তার নামে একটি স্কুলের নামকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষা সচিবের কাছে পাঠানো এক পত্রে এই প্রস্তাব নাকচ করেছেন তিনি।
১৯ ঘণ্টা আগে