
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলা ভাষা খোদ বাংলাদেশেই আজ উপেক্ষিত ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদান এবং ২০১০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়ার পর থেকেই বাংলা ভাষার বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো, বিশ্বজনীন হয়ে উঠলেও বাংলা ভাষা খোদ বাংলাদেশেই আজ সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেছেন।
ইউনিভার্সিটির রেজ্জাকুল হায়দার হলে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী এবং ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আজ্জম।
আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জনসংখ্যার বিবেচনায় বর্তমান পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম ভাষা বাংলা। পৃথিবীতে বাংলায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি। ইউনেস্কোর একটি বেসরকারি জরিপে বাংলা পৃথিবীর সবচেয়ে মিষ্টি ভাষা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মহান শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার দ্যুতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।
অতিথি ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক শামসুল হুদা, বাণিজ্য অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্বাস আলী খান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান ও আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন এবিএম ইমদাদুল হক খান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাফিউশশান। সমাপনী বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান।
সাংস্কৃতিক পর্বে কবিতা পাঠ করেন ইংরেজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক কাজী তাহমিনা। সংগীত পরিবেশন করেন শিক্ষার্থীরা।

বাংলা ভাষা খোদ বাংলাদেশেই আজ উপেক্ষিত ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদান এবং ২০১০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়ার পর থেকেই বাংলা ভাষার বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো, বিশ্বজনীন হয়ে উঠলেও বাংলা ভাষা খোদ বাংলাদেশেই আজ সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেছেন।
ইউনিভার্সিটির রেজ্জাকুল হায়দার হলে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী এবং ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আজ্জম।
আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জনসংখ্যার বিবেচনায় বর্তমান পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম ভাষা বাংলা। পৃথিবীতে বাংলায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি। ইউনেস্কোর একটি বেসরকারি জরিপে বাংলা পৃথিবীর সবচেয়ে মিষ্টি ভাষা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মহান শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার দ্যুতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।
অতিথি ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক শামসুল হুদা, বাণিজ্য অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্বাস আলী খান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান ও আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন এবিএম ইমদাদুল হক খান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাফিউশশান। সমাপনী বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান।
সাংস্কৃতিক পর্বে কবিতা পাঠ করেন ইংরেজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক কাজী তাহমিনা। সংগীত পরিবেশন করেন শিক্ষার্থীরা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। আজ শুক্রবার দুপুরে বেইজিংয়ের তিয়াওইউথাই হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ১০ হাজার মানুষকে পুশব্যাকের যে দাবি করা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা বা দালিলিক পরিসংখ্যান বাংলাদেশ সরকারের কাছে নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর রাজনৈতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে সীমান্তে এ ধরনের তৎপরতা প্রদর্শনের চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পা
৮ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নগরবাসী সচেতন হয়ে নিজ বাসাবাড়ি, আঙিনা, ছাদ ও ফুলের টবে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করলে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তিনি ছাদ, আঙিনা কিংবা যেকোনো স্থানে জমে থাকা পানি দ্রুত ফেলে দেওয়ারও আহ্বান জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
বৈঠক শেষে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা সমুন্নত রাখার পাশাপাশি যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রেও ঢাকার অবস্থানকে দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছে বেইজিং।
৯ ঘণ্টা আগে