
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে বিকেল পৌনে ৪টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তারা সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে থেকে সরে যান। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের এডিসি রব্বানী হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি শেষে সরে যাওয়ায় সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
রমনা বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা প্রধানমন্ত্রী এখানে অফিস করেন। এখানকার কোনো বিষয়কে আমরা ছোট করে দেখি না। যার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সড়কটিকে বন্ধ করে দিয়েছি। ছাত্ররা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় হীনতায় পরবর্তীতে নিজেরাই সড়ক ছেড়ে চলে যায়।
এই আন্দোলনে ছাত্র ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই আন্দোলন ছাত্ররা বা অন্য কেউ প্রবেশ করেছে কিনা সেটা আমরা যাচাই করতে পারিনি। তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এ বিষয়ে কথা বলা ঠিক হবে না।
এর আগে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ‘লংমার্চ’ নিয়ে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছে আন্দোলনকারী এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পুলিশি বাধার (ব্যারিকেড) মুখে পড়েন।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব হোসেন জানান, বেলা ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে ৫০-১০০ জন শিক্ষার্থী সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আসেন। তারা ১৫-২০ মিনিটের মতো সড়ক আটকে রাখেন। পরে তারা সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে এই শিক্ষার্থীরা বেলা ৪টার দিকে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছান। সেখানে আগে থেকেই ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছিল পুলিশ। এখন শিক্ষার্থীরা সেখানে অবস্থান করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন, নানা স্লোগান দেন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। তবে দিন শেষে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত না হলে বিকেল ৩টা থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে ‘লংমার্চ’ কর্মসূচি পালন করবেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা গতকাল শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের নিয়ে তার আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত দাবিসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের জন্য গতকাল মঙ্গলবার সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এ ছাড়া পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের প্রশ্নের ভুলের বিষয়টি জানার পরপরই শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তবে প্রশ্নের ভুল নিয়ে সমালোচনার মধ্যে এ প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায় অস্বীকার করেছেন তিনি। বলেছেন, এ প্রশ্ন বিগত সরকারের মডারেটররা প্রণয়ন করেছেন।
সরকার ইতোমধ্যে জানিয়েছে, বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম বিভাগ ছাড়া দেশের অন্যান্য জেলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলবে। সে অনুযায়ী আজ বুধবারও ষষ্ঠ দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ ছাড়া আজ বুধবার সংসদে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে থাকা দুটি ভুল প্রশ্নের জন্য প্রশ্ন প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ইতোমধ্যেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে বিকেল পৌনে ৪টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তারা সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে থেকে সরে যান। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের এডিসি রব্বানী হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি শেষে সরে যাওয়ায় সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
রমনা বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা প্রধানমন্ত্রী এখানে অফিস করেন। এখানকার কোনো বিষয়কে আমরা ছোট করে দেখি না। যার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সড়কটিকে বন্ধ করে দিয়েছি। ছাত্ররা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় হীনতায় পরবর্তীতে নিজেরাই সড়ক ছেড়ে চলে যায়।
এই আন্দোলনে ছাত্র ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই আন্দোলন ছাত্ররা বা অন্য কেউ প্রবেশ করেছে কিনা সেটা আমরা যাচাই করতে পারিনি। তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এ বিষয়ে কথা বলা ঠিক হবে না।
এর আগে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ‘লংমার্চ’ নিয়ে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছে আন্দোলনকারী এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পুলিশি বাধার (ব্যারিকেড) মুখে পড়েন।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব হোসেন জানান, বেলা ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে ৫০-১০০ জন শিক্ষার্থী সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আসেন। তারা ১৫-২০ মিনিটের মতো সড়ক আটকে রাখেন। পরে তারা সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে এই শিক্ষার্থীরা বেলা ৪টার দিকে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছান। সেখানে আগে থেকেই ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছিল পুলিশ। এখন শিক্ষার্থীরা সেখানে অবস্থান করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন, নানা স্লোগান দেন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। তবে দিন শেষে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত না হলে বিকেল ৩টা থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে ‘লংমার্চ’ কর্মসূচি পালন করবেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা গতকাল শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের নিয়ে তার আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত দাবিসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের জন্য গতকাল মঙ্গলবার সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এ ছাড়া পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের প্রশ্নের ভুলের বিষয়টি জানার পরপরই শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তবে প্রশ্নের ভুল নিয়ে সমালোচনার মধ্যে এ প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায় অস্বীকার করেছেন তিনি। বলেছেন, এ প্রশ্ন বিগত সরকারের মডারেটররা প্রণয়ন করেছেন।
সরকার ইতোমধ্যে জানিয়েছে, বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম বিভাগ ছাড়া দেশের অন্যান্য জেলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলবে। সে অনুযায়ী আজ বুধবারও ষষ্ঠ দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ ছাড়া আজ বুধবার সংসদে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে থাকা দুটি ভুল প্রশ্নের জন্য প্রশ্ন প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ইতোমধ্যেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সঠিক তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে দেশের বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন, বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা এবং একটি বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ চলছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার শিকার ও শহিদদের তালিকা করতে গিয়ে রাজনীতি টেনে আনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশ স্বাধীনের পর মুক্তিযুদ্ধের তালিকা করার দায়িত্ব যাদের ছিল, তারা নিরপেক্ষ ও সঠিকভাবে সেই কাজটি করেনি।
৪ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যারা কোনো বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ওই বিষয়ের স্থগিত পরীক্ষার দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই সময় ও একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছেন আন্দোলনকারী এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। সেখানে তারা পুলিশি বাধার (ব্যারিকেড) মুখে পড়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে