
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নেপালকে তাদের মাটিতেই হারিয়ে গতকাল টানা দ্বিতীয়বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। আজ বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ট্রফি নিয়ে দেশে পা রাখেন সাবিনা-ঋতুপর্ণারা।
আগেরবারের মতো এবারও তাদের ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা দিচ্ছে বাফুফে। তবে এবারের চিত্র কিছুটা আলাদা। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে সাফজয়ীদের বাসেও। চ্যাম্পিয়নদের ছবি দিয়ে বাস সাজানো হয়েছে।
গতবার সাফ চ্যাম্পিয়নদের জন্য বাসের ব্যবস্থা করেছিল ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। তাতে বাসে ফুটবলারদের পাশাপাশি ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের ছবি। তাতে সমালোচনা হয়েছিল অনেক। অনেকেই বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছিলেন।
এবার নারী ফুটবলারদের জন্য বাসের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাসের সাজ সজ্জায় পরিবর্তন এসেছে। এবার বাসে শুধু নারী ফুটবলারদের ছবিই স্থান পেয়েছে। তাদের শিরোপা উদ্যাপনের ছবি দিয়েই সাজানো হয়েছে। ফুটে উঠেছে বাফুফের পেশাদারিত্বের ছাপ।
স্পন্সর খরায় থাকা বাফুফের বাসে রয়েছে নারী দলের প্রধান স্পন্সর ‘ঢাকা ব্যাংকে’র লোগো। এছাড়া বাফুফের বেভারেজ স্পন্সর পুষ্টি, ইন্টারনেট পার্টনার আমরা এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির লোগো স্থান পেয়েছে। সেই বাসে চড়েই তারা বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করছেন। তাদের গন্তব্য বাফুফে ভবন।
শিরোপাজয়ী মেয়েদের বরণ করে নিতে এয়ারপোর্টের বাইরে শত শত ক্যামেরা আর সাংবাদিকের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে, কত বড় অর্জন নিয়ে ফিরেছেন সাবিনা-ঋতুপর্ণারা।
এর আগে গতকাল দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে আসরের ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে মেয়েদের সাফের শিরোপা ধরে রাখে বাংলাদেশ। হিমালয়ের দেশে আবারও সফলতার খুঁটি গেড়ে তারা নিজেদের নিয়ে গেল অনন্য এক উচ্চতায়।

নেপালকে তাদের মাটিতেই হারিয়ে গতকাল টানা দ্বিতীয়বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। আজ বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ট্রফি নিয়ে দেশে পা রাখেন সাবিনা-ঋতুপর্ণারা।
আগেরবারের মতো এবারও তাদের ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা দিচ্ছে বাফুফে। তবে এবারের চিত্র কিছুটা আলাদা। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে সাফজয়ীদের বাসেও। চ্যাম্পিয়নদের ছবি দিয়ে বাস সাজানো হয়েছে।
গতবার সাফ চ্যাম্পিয়নদের জন্য বাসের ব্যবস্থা করেছিল ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। তাতে বাসে ফুটবলারদের পাশাপাশি ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের ছবি। তাতে সমালোচনা হয়েছিল অনেক। অনেকেই বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছিলেন।
এবার নারী ফুটবলারদের জন্য বাসের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাসের সাজ সজ্জায় পরিবর্তন এসেছে। এবার বাসে শুধু নারী ফুটবলারদের ছবিই স্থান পেয়েছে। তাদের শিরোপা উদ্যাপনের ছবি দিয়েই সাজানো হয়েছে। ফুটে উঠেছে বাফুফের পেশাদারিত্বের ছাপ।
স্পন্সর খরায় থাকা বাফুফের বাসে রয়েছে নারী দলের প্রধান স্পন্সর ‘ঢাকা ব্যাংকে’র লোগো। এছাড়া বাফুফের বেভারেজ স্পন্সর পুষ্টি, ইন্টারনেট পার্টনার আমরা এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির লোগো স্থান পেয়েছে। সেই বাসে চড়েই তারা বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করছেন। তাদের গন্তব্য বাফুফে ভবন।
শিরোপাজয়ী মেয়েদের বরণ করে নিতে এয়ারপোর্টের বাইরে শত শত ক্যামেরা আর সাংবাদিকের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে, কত বড় অর্জন নিয়ে ফিরেছেন সাবিনা-ঋতুপর্ণারা।
এর আগে গতকাল দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে আসরের ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে মেয়েদের সাফের শিরোপা ধরে রাখে বাংলাদেশ। হিমালয়ের দেশে আবারও সফলতার খুঁটি গেড়ে তারা নিজেদের নিয়ে গেল অনন্য এক উচ্চতায়।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গণমাধ্যমে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার পলাতক আসামি ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আগেই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। আইসিটির এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৬ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে এখনও চলমান রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমস নেগরি সিমবিলান পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হওয়া এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে