মিরপুরে সন্ধ্যায় জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি বাংলাদেশ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ফাইল ছবি

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে আজ শুক্রবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। প্রথম তিন ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। চতুর্থ এই ম্যাচটি মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে সন্ধ্যা ছয়টায়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নাড়ছে। যে কারণে বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই এই সিরিজ খেলছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে সিরিজে সবচেয়ে বড় আলোচনায় দলের টপ অর্ডার। লিটন দাস-শান্তরা রান খরায় ভুগছেন। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য পেসার তাসকিন আহমেদ বলছিলেন, ‘ব্যাটিং বা বোলিং যেদিনই খারাপ হয় বাইরের সমর্থক বা বাইরের যারাই আছেন, সবার থেকে বেশি হতাশ কিন্তু আমরা হই। কারণ, দিন শেষে আমাদেরই খেলতে হয় এবং আমরা কিন্তু ধারাবাহিকভাবে কাজ করেই যাচ্ছি যে কীভাবে আমাদের ব্যাটিং-বোলিং আরও উন্নতি করা যায়।’

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ের পরেও কেন রান বেশি রান হচ্ছে না তা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। তবে তাসকিন বলছেন ভিন্ন কথা, ‘আসলে যত কথা হচ্ছে জিম্বাবুয়ে নিয়ে, আবার যদি একটা ম্যাচ হেরে যাই, তাহলে কিন্তু অন্য রকম কথা হবে যে জিম্বাবুয়ের কাছে হেরেছি। ছোট দলের সঙ্গে জিতলে কৃতিত্বটা কম পাই। দুর্ভাগ্যজনক হলো, আমাদের অনেক রকম কথাই শুনতে হয়। কিন্তু যখন খেলতে নামি, প্রতিপক্ষ যে-ই হোক, সেরাটা দিয়েই চেষ্টা করি। হয়তো কখনো ভালো হয়, খারাপ হয়।’

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

৬ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

৪ ঘণ্টা আগে

২ টার্মিনালের এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বুধবার— আশা কর্তৃপক্ষের

এর আগে সামিট এলএনজি টার্মিনালের উদ্দেশে রওয়ানা হওয়া একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ বৈরী আবহাওয়া ও অতিরিক্ত বায়ুপ্রবাহের কারণে গত ১০ আগস্ট সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে যায়। ফলে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যায়।

১৫ ঘণ্টা আগে

৫ মাসে হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি ছাড়াল ৯০০, গড়ে প্রতিদিন মৃত্যু ৬ জনের

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, গত পাঁচ মাস সময়ে গড়ে প্রতি মাসে হাম ও হামের উপসর্গে ১৮০ জন করে মারা গেছে। সে হিসাবে গত পাঁচ মাস ধরে গড়ে প্রতিদিন ছয়জন মারা যাচ্ছে হাম অথবা হামের উপসর্গ নিয়ে।

২০ ঘণ্টা আগে

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১ দিন আগে