
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।
সংগঠনটির সভাপতি সাজ্জাদ আলম খান তপু আজ বৃহস্পতিবার ডিইউজের নির্বাহী পরিষদের সভায় এ দাবি জানান। তিনি বলেন, ৫ বছর পর পর ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ গঠনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইতিমধ্যে সে সময় পার হয়েছে। কিন্তু কোন ধরনের উদ্যোগ দেখছি না। নিত্যপণ্য ও সেবা মূল্য বিবেচনায় অবিলম্বে মহার্ঘভাতা ঘোষণার দাবিও জানান তিনি।
বক্তব্যের শুরুতেই ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন বলেন, অনেক নারী সাংবাদিক চাকরিচ্যুত হয়েছেন। কেউ কেউ লাঞ্ছিত হচ্ছেন। এ অবস্থা বৈরী পরিবেশ তৈরি করছে; যা মেনে নেওয়া যায় না।
সভায় অলোচনায় অংশ নেন কোষাধ্যক্ষ সোহেলী চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মুজতবা ধ্রুব, আইন বিষয়ক সম্পাদক আসাদুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী, কল্যাণ সম্পাদক মো. শাহজাহান স্বপন, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাজেদা হক, অনজন রহমান, মুস্তফা মনওয়ার সুজন, দৈনিক করোতোয়ার ইউনিট চিফ মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।
এদিকে সভায় বগুড়া, নাটোর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, দুর্বৃত্তরা ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করতে নির্যাতনে পথ বেছে নিয়েছে। যা স্বাধীন সংবাদ প্রবাহকে বাধাগ্রস্থ করছে। দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।
সংগঠনটির সভাপতি সাজ্জাদ আলম খান তপু আজ বৃহস্পতিবার ডিইউজের নির্বাহী পরিষদের সভায় এ দাবি জানান। তিনি বলেন, ৫ বছর পর পর ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ গঠনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইতিমধ্যে সে সময় পার হয়েছে। কিন্তু কোন ধরনের উদ্যোগ দেখছি না। নিত্যপণ্য ও সেবা মূল্য বিবেচনায় অবিলম্বে মহার্ঘভাতা ঘোষণার দাবিও জানান তিনি।
বক্তব্যের শুরুতেই ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন বলেন, অনেক নারী সাংবাদিক চাকরিচ্যুত হয়েছেন। কেউ কেউ লাঞ্ছিত হচ্ছেন। এ অবস্থা বৈরী পরিবেশ তৈরি করছে; যা মেনে নেওয়া যায় না।
সভায় অলোচনায় অংশ নেন কোষাধ্যক্ষ সোহেলী চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মুজতবা ধ্রুব, আইন বিষয়ক সম্পাদক আসাদুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী, কল্যাণ সম্পাদক মো. শাহজাহান স্বপন, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাজেদা হক, অনজন রহমান, মুস্তফা মনওয়ার সুজন, দৈনিক করোতোয়ার ইউনিট চিফ মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।
এদিকে সভায় বগুড়া, নাটোর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, দুর্বৃত্তরা ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করতে নির্যাতনে পথ বেছে নিয়েছে। যা স্বাধীন সংবাদ প্রবাহকে বাধাগ্রস্থ করছে। দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকেই আন্দোলনে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ব্যারিকেড অতিক্রম করে তারা সংসদ ভবনের সামনে বটতলা গেটে পৌঁছান। শিক্ষার্থীরা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের দুই পাশের সড়ক আটকে অবস্থান নেওয়ায় আসাদগেট থেকে খামারবাড়ি এবং খামারবাড়ি থেকে আসাদগেটমুখী যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ওই এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয়বারের মতো সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেন। সোয়া এক ঘণ্টার বেশি অবরোধ করে তারা বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে সায়েন্স ল্যাব মোড় ছেড়ে সংসদ অভিমুখে যাত্রা করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীরা যার যার পড়ার টেবিলে ফিরে যাক। আমরাই উদ্বিগ্ন তাদের চেয়ে বেশি, কীভাবে পরীক্ষা সঠিকভাবে নেব। কীভাবে এ দুর্যোগ মোকাবিলা করব। আমরা আশ্বাস দিচ্ছি– যেসব পরীক্ষা কেন্দ্রে ভুলত্রুটি হয়েছে, সেখানে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার বিধান আমাদের রয়েছে।’
৪ ঘণ্টা আগে