
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শত বছরের বেশি পুরনো বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় বেলজিয়াম থেকে হীরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসিকে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার চেষ্টা করছে ভারত। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর পালিয়ে যাওয়া চোকসিকে ভারতের অনুরোধে গ্রেপ্তার করেছিল বেলজিয়ামের পুলিশ।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বেলজিয়ামের সঙ্গে ১৯০১ সাল থেকে এই বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। অর্থাৎ ভারতের স্বাধীনতারও আগে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে করা ওই চুক্তি এখনও বলবৎ আছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন মামলার আসামি ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পালিয়ে রয়েছে।
পলাতক আসামিদের ফেরাতে বাংলাদেশ বিভিন্ন সময় চেষ্টা চালালেও খুব কম ক্ষেত্রে সফলতা পেয়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, শত বছরের পুরনো ব্রিটিশ চুক্তি অনুযায়ী ভারত যদি পলাতক আসামিদের ফেরাতে চেষ্টা করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশও একই আইনে বিভিন্ন দেশ থেকে পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে পারবে কি না?
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রিটিশ-ভারতের সময় যেসব চুক্তি হয়েছিলো, সেগুলোর অধিকাংশই ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর সেগুলো অনুমোদন করে। কিন্তু স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সরকার পাকিস্তানের চুক্তিগুলোকে আর অনুমোদন করেনি।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, "বাংলাদেশের সরকার স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের কোন চুক্তিগুলোকে অ্যাডপ্ট বা স্বাক্ষর করেনি। ফলে পাকিস্তান আমলের বাইরে যেসব চুক্তি রয়েছে সেগুলোর কোনটাই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।"
পলাতকদের ফেরাতে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির চাইতেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বেশি কার্যকর বলে কিছুটা ভিন্ন মত পোষণ করছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজী ওমর ফয়সাল। তিনি বলেন, " যত শক্ত আইনই (আন্তর্জাতিক চুক্তিই) থাকুক না কেন এখানে (পলাতক আসামি ফেরাতে) ডিপ্লোমেসিকে জোর দিতে হবে। যদি ভারতের কথাও ধরি এক্ষেত্রে (শেখ হাসিনাকে ফেরানোর পদক্ষেপ) খুব বেশি পদক্ষেপ যে নিয়েছে বাংলাদেশ, সেটাও আমার কাছে মনে হয়নি।''
কাজী ওমর ফয়সাল আরও বলেন, 'ফলে আন্তর্জাতিক চুক্তি থাকলে ভালো হয়, না থাকলেও এডহক ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চুক্তি পরে করলেও চলে। কিন্তু এক্ষেত্রে ডিপ্লোমেটিক প্রচেষ্টাগুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে দেশের বিচার প্রক্রিয়া সংক্রান্ত মানবাধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন'। সূত্র : বিবিসি নিউজ বাংলা

শত বছরের বেশি পুরনো বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় বেলজিয়াম থেকে হীরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসিকে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার চেষ্টা করছে ভারত। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর পালিয়ে যাওয়া চোকসিকে ভারতের অনুরোধে গ্রেপ্তার করেছিল বেলজিয়ামের পুলিশ।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বেলজিয়ামের সঙ্গে ১৯০১ সাল থেকে এই বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। অর্থাৎ ভারতের স্বাধীনতারও আগে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে করা ওই চুক্তি এখনও বলবৎ আছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন মামলার আসামি ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পালিয়ে রয়েছে।
পলাতক আসামিদের ফেরাতে বাংলাদেশ বিভিন্ন সময় চেষ্টা চালালেও খুব কম ক্ষেত্রে সফলতা পেয়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, শত বছরের পুরনো ব্রিটিশ চুক্তি অনুযায়ী ভারত যদি পলাতক আসামিদের ফেরাতে চেষ্টা করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশও একই আইনে বিভিন্ন দেশ থেকে পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে পারবে কি না?
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রিটিশ-ভারতের সময় যেসব চুক্তি হয়েছিলো, সেগুলোর অধিকাংশই ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর সেগুলো অনুমোদন করে। কিন্তু স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সরকার পাকিস্তানের চুক্তিগুলোকে আর অনুমোদন করেনি।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, "বাংলাদেশের সরকার স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের কোন চুক্তিগুলোকে অ্যাডপ্ট বা স্বাক্ষর করেনি। ফলে পাকিস্তান আমলের বাইরে যেসব চুক্তি রয়েছে সেগুলোর কোনটাই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।"
পলাতকদের ফেরাতে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির চাইতেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বেশি কার্যকর বলে কিছুটা ভিন্ন মত পোষণ করছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজী ওমর ফয়সাল। তিনি বলেন, " যত শক্ত আইনই (আন্তর্জাতিক চুক্তিই) থাকুক না কেন এখানে (পলাতক আসামি ফেরাতে) ডিপ্লোমেসিকে জোর দিতে হবে। যদি ভারতের কথাও ধরি এক্ষেত্রে (শেখ হাসিনাকে ফেরানোর পদক্ষেপ) খুব বেশি পদক্ষেপ যে নিয়েছে বাংলাদেশ, সেটাও আমার কাছে মনে হয়নি।''
কাজী ওমর ফয়সাল আরও বলেন, 'ফলে আন্তর্জাতিক চুক্তি থাকলে ভালো হয়, না থাকলেও এডহক ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চুক্তি পরে করলেও চলে। কিন্তু এক্ষেত্রে ডিপ্লোমেটিক প্রচেষ্টাগুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে দেশের বিচার প্রক্রিয়া সংক্রান্ত মানবাধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন'। সূত্র : বিবিসি নিউজ বাংলা

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছেন, কোনো অন্যায়-অপরাধ, হাজিদের ওপর কোনো অবিচার সহ্য করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী দু-এক দিনের মধ্যে হাজ ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা
৩ ঘণ্টা আগে
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল মানুষের সমাগম হবে। সব শ্রেণিপেশার মানুষ যেন নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে পারে, সেজন্য ডিএমপি ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী শফিক আহমেদ আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
৪ ঘণ্টা আগে