
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুটি দিবসে ছুটির প্রস্তাব করেছেন সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ও লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য। বুধবার (১৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ প্রস্তাব দেন তিনি।
ফেসবুকে পোস্টে পিনাকী লিখেছেন, ‘বাতিল হচ্ছে আট জাতীয় ছুটি। আমি ১৫ আগস্টের ছুটি চাই। ওইদিন হবে ‘নাজাত দিবস’। বাকশালের জিঞ্জির থেকে জাতির মুক্তির দিবস। আর পাঁচই আগস্ট ফ্যাসিবাদ পতন দিবস বা মহান পলায়ন দিবস।’
ফেসবুক পোস্টে পিনাকী আরও লিখেছেন, ‘কে কে আমার প্রস্তাব সমর্থন করেন?’
এদিকে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে বাতিল করছে জাতীয় শোক দিবস, শিশু দিবস ও ঐতিহাসিক ৭ মার্চসহ আটটি দিবস। গত সেপ্টেম্বরে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে সরকার এসব জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাতিল হওয়া আটটি দিবসের মধ্যে পাঁচটিই শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত। এর মধ্যে ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস।
এ ছাড়া বাতিলের তালিকায় রয়েছে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস ও ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।

দুটি দিবসে ছুটির প্রস্তাব করেছেন সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ও লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য। বুধবার (১৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ প্রস্তাব দেন তিনি।
ফেসবুকে পোস্টে পিনাকী লিখেছেন, ‘বাতিল হচ্ছে আট জাতীয় ছুটি। আমি ১৫ আগস্টের ছুটি চাই। ওইদিন হবে ‘নাজাত দিবস’। বাকশালের জিঞ্জির থেকে জাতির মুক্তির দিবস। আর পাঁচই আগস্ট ফ্যাসিবাদ পতন দিবস বা মহান পলায়ন দিবস।’
ফেসবুক পোস্টে পিনাকী আরও লিখেছেন, ‘কে কে আমার প্রস্তাব সমর্থন করেন?’
এদিকে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে বাতিল করছে জাতীয় শোক দিবস, শিশু দিবস ও ঐতিহাসিক ৭ মার্চসহ আটটি দিবস। গত সেপ্টেম্বরে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে সরকার এসব জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাতিল হওয়া আটটি দিবসের মধ্যে পাঁচটিই শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত। এর মধ্যে ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস।
এ ছাড়া বাতিলের তালিকায় রয়েছে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস ও ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।

গত ২৭ জুলাই এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে বলেছিলেন ঢাকা জ্যেষ্ঠ মহানগর বিশেষ জজ শাহজাহান কবির। সে দিন দুদক প্রতিবেদন জমা দিতে না পারলে বিচারক আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন জমার পরবর্তী দিন নির্ধারণ করে দেন।
৫ ঘণ্টা আগে
সার্কভুক্ত দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভাইস চ্যান্সেলর) অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি বলেছেন, বিশেষ করে নেপালের শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত করা হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে কোনো পরীক্ষা হবে না। এক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট থেকে পাওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে