
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে একটি মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান বলেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে আইনজীবী হত্যাসহ আরও ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি যে মামলায় জামিন পেয়েছেন, সেটির বাদী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের বাবা, সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মেখলে এলাকায় জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছিল।
আদালত সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে করা এ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দেয়। এর আগে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবী কে পি শর্মা ৭ এপ্রিল তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। পরে বৃহস্পতিবার জামিন দেওয়া হয়।
আদালত সূত্র আরও জানায়, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।
এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও পাঁচটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে হত্যা মামলায় গত বছরের ১ জুলাই পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের উসকানি ও নির্দেশে ওই আইনজীবীকে হত্যা করা হয়।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পর লাঠি, বাটাম, ইটসহ বিভিন্ন বস্তু দিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেন। গত ২৫ আগস্ট আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। বর্তমানে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে।

সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে একটি মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান বলেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে আইনজীবী হত্যাসহ আরও ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি যে মামলায় জামিন পেয়েছেন, সেটির বাদী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের বাবা, সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মেখলে এলাকায় জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছিল।
আদালত সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে করা এ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দেয়। এর আগে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবী কে পি শর্মা ৭ এপ্রিল তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। পরে বৃহস্পতিবার জামিন দেওয়া হয়।
আদালত সূত্র আরও জানায়, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।
এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও পাঁচটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে হত্যা মামলায় গত বছরের ১ জুলাই পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের উসকানি ও নির্দেশে ওই আইনজীবীকে হত্যা করা হয়।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পর লাঠি, বাটাম, ইটসহ বিভিন্ন বস্তু দিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেন। গত ২৫ আগস্ট আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। বর্তমানে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে।

রোববার (২ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে সদস্যদের আরও সতর্ক থাকতে স্মরণ করিয়ে দিতেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে দেশটির রাষ্ট্রদূত কিয়াও সো ময়ে এ আগ্রহের কথা জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে শিক্ষক নেটওয়ার্ক জানায়, জুলাই অভ্যুত্থানবিরোধিতার অভিযোগ তুলে একদল শিক্ষক ২৩১ জনের তালিকা উপাচার্যের কাছে জমা দিয়েছেন
৯ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রচেষ্টারই প্রতিফলন এই সফর।
১০ ঘণ্টা আগে