
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পবিত্র আশুরা ঘিরে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই, বরং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ সকালে রাজধানীর লালবাগে হোসেনি দালান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন হয়েছে। বিচার শুরু হয়েছে। অনেকের মনের মধ্যে ক্ষোভ আছে। দুই-চারটি ঘটনা ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক না। কিন্তু পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছে। আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। যারা এই কাজগুলোর সঙ্গে জড়িত তাদের আমরা আইনের আওতায় আনব।
২০১৫ সালে তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, অপরাধ অপরাধই। বোমা মেরে মানুষ মারা অপরাধ। অপরাধের বিচার প্রচলিত আইনে যেভাবে আছে, সেভাবে হবে। এটাকে কোনো লেবাস দিয়ে কালারিং করার কোনো প্রয়োজন নেই। সেটা যে আমলেই হোক। আমরা এ বিষয়ে অবগত। আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে।
এর আগে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার বলেন, আগামী ৬ জুলাই পবিত্র আশুরা পালিত হবে। ২৭ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে শিয়া এবং অনেক সুন্নিও এই শোক দিবস পালন করবেন। এ ছাড়া অন্যান্য ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুসলিম সম্প্রদায় পবিত্র আশুরা উদযাপন করছেন বা করবেন।
তিনি বলেন, পবিত্র আশুরাকে কেন্দ্র করে ডিএমপি প্রতি বছর সুসংহত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। এ বছরও যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পবিত্র আশুরার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হোসেনি দালান, বড় কাটরা, মোহাম্মদপুর বিহারি ক্যাম্প, শিয়া মসজিদ, বিবিকা রওজা, মিরপুর পল্লবী বিহারি ক্যাম্পসহ অন্যান্য স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মো. সরওয়ার বলেন, শিয়া ও অন্যান্য ধর্মীয় সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা করা হয়েছে। ইমামবাড়ার আশেপাশে সংশ্লিষ্ট এলাকায় চেকপোস্ট তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। ইমামবাড়াগুলোর আশপাশে এবং পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উঁচু ভবনের ছাদে সাদা পোশাকে এবং ইউনিফর্মে পুলিশ উপস্থিত থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারিসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পালন করছে।
তাজিয়া ও শোক মিছিল সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, যেসব সড়কে তাজিয়া বা শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হবে, সেসব রাস্তায় পর্যাপ্ত সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন থাকবে। রাস্তার পার্শ্ববর্তী উঁচু ভবনগুলোতে পোশাকে এবং সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। তাজিয়া মিছিলের সামনে, পেছনে এবং মধ্যবর্তী অংশে পুলিশের স্পেশাল বা দক্ষ টিম মোতায়েন থাকবে।
এই কর্মকর্তা আরও জানান, গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাসমূহ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকবে এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ওয়াচ টাওয়ারও স্থাপন করা হবে। তাজিয়া মিছিল চলাকালে যানজট নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ট্রাফিক ব্যবস্থা থাকবে। বড় ধরনের মিছিল শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট এলাকা সুইপিং করা হবে। ফুটপাতে কোনো দোকানপাট বা অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা যথা সময়ে অপসারণ করা হবে বা সরিয়ে দেওয়া হবে।

পবিত্র আশুরা ঘিরে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই, বরং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ সকালে রাজধানীর লালবাগে হোসেনি দালান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন হয়েছে। বিচার শুরু হয়েছে। অনেকের মনের মধ্যে ক্ষোভ আছে। দুই-চারটি ঘটনা ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক না। কিন্তু পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছে। আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। যারা এই কাজগুলোর সঙ্গে জড়িত তাদের আমরা আইনের আওতায় আনব।
২০১৫ সালে তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, অপরাধ অপরাধই। বোমা মেরে মানুষ মারা অপরাধ। অপরাধের বিচার প্রচলিত আইনে যেভাবে আছে, সেভাবে হবে। এটাকে কোনো লেবাস দিয়ে কালারিং করার কোনো প্রয়োজন নেই। সেটা যে আমলেই হোক। আমরা এ বিষয়ে অবগত। আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে।
এর আগে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার বলেন, আগামী ৬ জুলাই পবিত্র আশুরা পালিত হবে। ২৭ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে শিয়া এবং অনেক সুন্নিও এই শোক দিবস পালন করবেন। এ ছাড়া অন্যান্য ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুসলিম সম্প্রদায় পবিত্র আশুরা উদযাপন করছেন বা করবেন।
তিনি বলেন, পবিত্র আশুরাকে কেন্দ্র করে ডিএমপি প্রতি বছর সুসংহত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। এ বছরও যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পবিত্র আশুরার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হোসেনি দালান, বড় কাটরা, মোহাম্মদপুর বিহারি ক্যাম্প, শিয়া মসজিদ, বিবিকা রওজা, মিরপুর পল্লবী বিহারি ক্যাম্পসহ অন্যান্য স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মো. সরওয়ার বলেন, শিয়া ও অন্যান্য ধর্মীয় সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা করা হয়েছে। ইমামবাড়ার আশেপাশে সংশ্লিষ্ট এলাকায় চেকপোস্ট তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। ইমামবাড়াগুলোর আশপাশে এবং পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উঁচু ভবনের ছাদে সাদা পোশাকে এবং ইউনিফর্মে পুলিশ উপস্থিত থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারিসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পালন করছে।
তাজিয়া ও শোক মিছিল সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, যেসব সড়কে তাজিয়া বা শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হবে, সেসব রাস্তায় পর্যাপ্ত সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন থাকবে। রাস্তার পার্শ্ববর্তী উঁচু ভবনগুলোতে পোশাকে এবং সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। তাজিয়া মিছিলের সামনে, পেছনে এবং মধ্যবর্তী অংশে পুলিশের স্পেশাল বা দক্ষ টিম মোতায়েন থাকবে।
এই কর্মকর্তা আরও জানান, গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাসমূহ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকবে এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ওয়াচ টাওয়ারও স্থাপন করা হবে। তাজিয়া মিছিল চলাকালে যানজট নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ট্রাফিক ব্যবস্থা থাকবে। বড় ধরনের মিছিল শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট এলাকা সুইপিং করা হবে। ফুটপাতে কোনো দোকানপাট বা অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা যথা সময়ে অপসারণ করা হবে বা সরিয়ে দেওয়া হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্তাভরস লামব্রিনিদিস এবং জি৭৭ ও চীনের চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের মধ্যে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
এর ফলে উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আগের মতো ৫০ হাজার টাকাই থাকছে। বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তারাও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের এ খরচ পেয়ে থাকেন। তাদের জন্যও এ খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েও তা থেক
১০ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কভিত্তিক ক্রীড়া ব্র্যান্ড ‘ক্যাপেলি স্পোর্টসে’র জন্য ঢাকার তুরাগে অবস্থিত ‘গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বলিং লিমিটেড’ (জিএমএ) কেপ ভার্দে জাতীয় ফুটবল দলের অফিশিয়াল ম্যাচ জার্সি তৈরি করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে