
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ঐতিহাসিক বিজয় এবং নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ও বাংলাদেশের জনগণকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্বশক্তিগুলো।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক বার্তায় এই শুভেচ্ছা জানানো হয়।
বিশ্বনেতারা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার এবং একসাথে কাজ করার জোরালো প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস এক বার্তায় নির্বাচনের সফল সমাপ্তি এবং বিএনপির এগিয়ে থাকাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
এর আগে মার্কিন দূতাবাস তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে অংশীদারিত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এক উষ্ণ বার্তায় তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে একে জনগণের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেছেন। এছাড়া পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীও বিএনপির এই সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও দলের নেতা তারেক রহমানের বিজয়কে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণা শেষের পথে চলে এসেছে। নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত ২৮৯টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে। আর মাত্র ১০টি আসনের ফল ঘোষণা বাকি।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ প্রাপ্ত ফলে দেখা গেছে, ২০৪টি আসন নিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। এবারের নির্বাচনে তারা দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসন পেয়েছে।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জোনায়েদ সাকির গণসংহতি আন্দোলন, আন্দালিব রহমান পার্থর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদ একটি করে আসন পেয়েছে। সে হিসাবে এ জোটের আসন সংখ্যা ২০৭।
এদিকে এককভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ৬৫ আসনে তাদের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। একই জোটের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এ নির্বাচনে ছয়টি আসনে জয় পেয়েছে।
এই জোটেরই বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি ও খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয় পেয়েছে। সব মিলিয়ে এ জোটের আসন সংখ্যা ৭৪।
এর বাইরে একটি আসনে জয় পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বাকি সাতটি আসনেই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, যাদের মধ্যে আবার ছয়জনই বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে নির্বাচনে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়েছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেতে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা ফলের তথ্য বলছে, এরই মধ্যে দলটির অন্তত ১১৭ জন প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয় পেয়েছেন। তবে স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত বিভিন্ন আসনের তথ্য বলছে, দলটির আসন সংখ্যা ১৭০ ছাড়িয়ে গেছে।
বিধি অনুযায়ী কোনো দল সংসদের মোট আসনের অর্ধেকের বেশি তথা ন্যূনতম ১৫১টি আসন পেলেই সরকার গঠন করতে পারে। ভোটের ফলাফলের তথ্য বলছে, বিএনপি ন্যূনতম এই সংখ্যার গণ্ডি পেরিয়ে দুই শতাধিক আসন পর্যন্ত পেয়ে যেতে পারে। সে হিসাবে বিএনপির সরকার গঠন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ঐতিহাসিক বিজয় এবং নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ও বাংলাদেশের জনগণকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্বশক্তিগুলো।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক বার্তায় এই শুভেচ্ছা জানানো হয়।
বিশ্বনেতারা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার এবং একসাথে কাজ করার জোরালো প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস এক বার্তায় নির্বাচনের সফল সমাপ্তি এবং বিএনপির এগিয়ে থাকাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
এর আগে মার্কিন দূতাবাস তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে অংশীদারিত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এক উষ্ণ বার্তায় তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে একে জনগণের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেছেন। এছাড়া পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীও বিএনপির এই সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও দলের নেতা তারেক রহমানের বিজয়কে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণা শেষের পথে চলে এসেছে। নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত ২৮৯টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে। আর মাত্র ১০টি আসনের ফল ঘোষণা বাকি।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ প্রাপ্ত ফলে দেখা গেছে, ২০৪টি আসন নিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। এবারের নির্বাচনে তারা দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসন পেয়েছে।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জোনায়েদ সাকির গণসংহতি আন্দোলন, আন্দালিব রহমান পার্থর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদ একটি করে আসন পেয়েছে। সে হিসাবে এ জোটের আসন সংখ্যা ২০৭।
এদিকে এককভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ৬৫ আসনে তাদের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। একই জোটের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এ নির্বাচনে ছয়টি আসনে জয় পেয়েছে।
এই জোটেরই বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি ও খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয় পেয়েছে। সব মিলিয়ে এ জোটের আসন সংখ্যা ৭৪।
এর বাইরে একটি আসনে জয় পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বাকি সাতটি আসনেই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, যাদের মধ্যে আবার ছয়জনই বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে নির্বাচনে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়েছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেতে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা ফলের তথ্য বলছে, এরই মধ্যে দলটির অন্তত ১১৭ জন প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয় পেয়েছেন। তবে স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত বিভিন্ন আসনের তথ্য বলছে, দলটির আসন সংখ্যা ১৭০ ছাড়িয়ে গেছে।
বিধি অনুযায়ী কোনো দল সংসদের মোট আসনের অর্ধেকের বেশি তথা ন্যূনতম ১৫১টি আসন পেলেই সরকার গঠন করতে পারে। ভোটের ফলাফলের তথ্য বলছে, বিএনপি ন্যূনতম এই সংখ্যার গণ্ডি পেরিয়ে দুই শতাধিক আসন পর্যন্ত পেয়ে যেতে পারে। সে হিসাবে বিএনপির সরকার গঠন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই— চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হ
১ দিন আগে
সব অনিশ্চয়তাকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত শেষ হলো সেই ভোট। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটের ভোট গ্রহণ। এখন ভোট গণনার অপেক্ষা, অপেক্ষা জনরায়ে কারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলো তা জানার।
১ দিন আগে
সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১ দিন আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
১ দিন আগে