
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি সেনাসদস্য (অব.) হাফিজুর রহমান (৫২) জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন করাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মো. শাহ আলম খান। তিনি জানান, রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি জাকির আহমেদ ও বিচারপতি সাথীকা হোসাইনের বেঞ্চ হাফিজুর রহমানের জামিন মঞ্জুর করেন।
গত ২৫ এপ্রিল থেকে হাফিজুর রহমান কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন। তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার। ২০১৬ সালে তনু হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন বা তাকে অবসরে পাঠানো হয়েছে।
গত ২২ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জে নিজ বাসা থেকে তনু হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরদিন তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হকের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তারের পর হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরীক্ষা শেষে ডিএনএ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল এই আলোচিত মামলার ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে তারিকুল ইসলাম সেনাবাহিনীর তিন সন্দেহভাজন কর্মকর্তা (অবসরপ্রাপ্ত)— সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস ম্যাচিং করার জন্য আদালতের অনুমতি চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
এদিকে মামলার অন্য দুই সন্দেহভাজন সার্জেন্ট (অব.) জাহিদ এবং সেনাসদস্য (অব.) শাহিনুল আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এ ছাড়া তদন্তের স্বার্থে আরও দুজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম। গত ১৭ জুলাই কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মোমিনুল হক আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
আদালত যাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন তারা হলেন— সিরাজগঞ্জের মেঘাই গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে সেনাসদস্য (অব.) জাহিদুল ইসলাম এবং কুমিল্লার রাজাপাড়া লক্ষীনগর গ্রামের এম এ হান্নানের ছেলে ফয়সাল আহমেদ রাব্বী। তবে রাব্বী সামরিক নাকি বেসামরিক ব্যক্তি, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আদালত শুধু তাদের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরির নির্দেশই দেননি, পাশাপাশি তনুর পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে তুলনামূলক পরীক্ষারও নির্দেশ দিয়েছেন।
১০ বছরেও উদঘাটন হয়নি হত্যার রহস্য
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে নিখোঁজ হন সোহাগী জাহান তনু। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
শুরুতে থানা-পুলিশ, পরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় তদন্ত করেও হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলার তদন্তভার সিআইডি থেকে পিবিআই সদর দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়।
প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। এরপর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তদন্তের দায়িত্ব পান পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম। তার আবেদনের পরই চলতি বছরের এপ্রিলে সাবেক তিন সেনাসদস্যের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরির নির্দেশ দেন আদালত এবং সেই ধারাবাহিকতায় হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি সেনাসদস্য (অব.) হাফিজুর রহমান (৫২) জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন করাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মো. শাহ আলম খান। তিনি জানান, রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি জাকির আহমেদ ও বিচারপতি সাথীকা হোসাইনের বেঞ্চ হাফিজুর রহমানের জামিন মঞ্জুর করেন।
গত ২৫ এপ্রিল থেকে হাফিজুর রহমান কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন। তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার। ২০১৬ সালে তনু হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন বা তাকে অবসরে পাঠানো হয়েছে।
গত ২২ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জে নিজ বাসা থেকে তনু হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরদিন তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হকের আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তারের পর হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরীক্ষা শেষে ডিএনএ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল এই আলোচিত মামলার ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে তারিকুল ইসলাম সেনাবাহিনীর তিন সন্দেহভাজন কর্মকর্তা (অবসরপ্রাপ্ত)— সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস ম্যাচিং করার জন্য আদালতের অনুমতি চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
এদিকে মামলার অন্য দুই সন্দেহভাজন সার্জেন্ট (অব.) জাহিদ এবং সেনাসদস্য (অব.) শাহিনুল আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এ ছাড়া তদন্তের স্বার্থে আরও দুজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম। গত ১৭ জুলাই কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মোমিনুল হক আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
আদালত যাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন তারা হলেন— সিরাজগঞ্জের মেঘাই গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে সেনাসদস্য (অব.) জাহিদুল ইসলাম এবং কুমিল্লার রাজাপাড়া লক্ষীনগর গ্রামের এম এ হান্নানের ছেলে ফয়সাল আহমেদ রাব্বী। তবে রাব্বী সামরিক নাকি বেসামরিক ব্যক্তি, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আদালত শুধু তাদের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরির নির্দেশই দেননি, পাশাপাশি তনুর পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে তুলনামূলক পরীক্ষারও নির্দেশ দিয়েছেন।
১০ বছরেও উদঘাটন হয়নি হত্যার রহস্য
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে নিখোঁজ হন সোহাগী জাহান তনু। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
শুরুতে থানা-পুলিশ, পরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় তদন্ত করেও হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলার তদন্তভার সিআইডি থেকে পিবিআই সদর দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়।
প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। এরপর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তদন্তের দায়িত্ব পান পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম। তার আবেদনের পরই চলতি বছরের এপ্রিলে সাবেক তিন সেনাসদস্যের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরির নির্দেশ দেন আদালত এবং সেই ধারাবাহিকতায় হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমস নেগরি সিমবিলান পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
৮ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হওয়া এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় সরকারি সহায়তা প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কৃষক কার্ড কর্মসূচি-সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া পাকিস্তানের সাতটি ও চীনের একটি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে বাংলাদেশে অনুমোদিত মাত্রার তুলনায় বহু গুণ বেশি ক্ষতিকর মার্কারি (পারদ) পাওয়া গেছে। এসব পণ্য বিক্রি, বিতরণ ও মজুত না রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। একই সঙ্গ
১০ ঘণ্টা আগে