
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে মা নূরজাহান বেগমের পর এবার চলে গেল একমাত্র ছেলে মো. শাওনও (১৬)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, আজ সকাল ৭টার দিকে শরীরে ৫০ দগ্ধ নিয়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে মারা যায় শাওন।
এর আগে সোমবার ভোরে চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দগ্ধ নূরজাহান বেগমকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান।
এ ঘটনায় দুই ভাইয়ের পরিবারসহ মোট নয়জন দগ্ধ হন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দগ্ধদের অধিকাংশের অবস্থাই আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছিল।
দগ্ধ অন্যরা হলেন— নিহত শাওনের বাবা মো. সাখাওয়াত হোসেন, মেয়ে আইমান, সাখাওয়াতের ভাই পর্তুগালপ্রবাসী মো. সুমন, তার স্ত্রী পাখি আক্তার, তাদের ছেলে আনাস ও মেয়ে আইসা, এবং স্বজন মো. শিপন।
জানা গেছে, মো. সুমন গত সপ্তাহে অবকাশযাপনে পর্তুগাল থেকে দেশে আসেন। পরে পরিবারসহ বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেনের বাসায় বেড়াতে আসেন। সোমবার সেহরি খাওয়ার প্রস্তুতির সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই ঘরের দরজা-জানালা ও আসবাবে আগুন ধরে যায়। প্রচণ্ড ধোঁয়া ও আগুনে পুরো বাসা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শিশুসহ নয়জন গুরুতর দগ্ধ হন।
প্রথমে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে মা নূরজাহান বেগমের পর এবার চলে গেল একমাত্র ছেলে মো. শাওনও (১৬)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, আজ সকাল ৭টার দিকে শরীরে ৫০ দগ্ধ নিয়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে মারা যায় শাওন।
এর আগে সোমবার ভোরে চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দগ্ধ নূরজাহান বেগমকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান।
এ ঘটনায় দুই ভাইয়ের পরিবারসহ মোট নয়জন দগ্ধ হন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দগ্ধদের অধিকাংশের অবস্থাই আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছিল।
দগ্ধ অন্যরা হলেন— নিহত শাওনের বাবা মো. সাখাওয়াত হোসেন, মেয়ে আইমান, সাখাওয়াতের ভাই পর্তুগালপ্রবাসী মো. সুমন, তার স্ত্রী পাখি আক্তার, তাদের ছেলে আনাস ও মেয়ে আইসা, এবং স্বজন মো. শিপন।
জানা গেছে, মো. সুমন গত সপ্তাহে অবকাশযাপনে পর্তুগাল থেকে দেশে আসেন। পরে পরিবারসহ বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেনের বাসায় বেড়াতে আসেন। সোমবার সেহরি খাওয়ার প্রস্তুতির সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই ঘরের দরজা-জানালা ও আসবাবে আগুন ধরে যায়। প্রচণ্ড ধোঁয়া ও আগুনে পুরো বাসা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শিশুসহ নয়জন গুরুতর দগ্ধ হন।
প্রথমে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ভারতের ম্যাক্স হেলথকেয়ারের যৌথ উদ্যোগে কিডনি প্রতিস্থাপন, বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন এবং জটিল রক্তরোগের আধুনিক চিকিৎসা নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
এরপর পুলিশ সদস্যরা তার কাছ থেকে মাইক্রোফোন সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ট্রাইব্যুনালের এজলাসে তাদের সঙ্গে লতিফ সিদ্দিকীর উচ্চবাচ্য হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাঠগড়া থেকে তাকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় এক সাংবাদিক জানতে চান, ট্রাইব্যুনালে তিনি কী বলতে চাচ্ছিলেন। জবাবে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘বলতে চাচ্ছিলাম যে আমা
৬ ঘণ্টা আগে
টুথপেস্ট বা অন্যান্য পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক কিংবা ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি নিয়ে কোনো বেসরকারি সংস্থা গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে অবহিত করা এবং বিষয়টি যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে এ ধরনের গবেষণা
৬ ঘণ্টা আগে
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা ২৩ জনের মধ্যে ১৩ জন নোয়াখালীর বাসিন্দা। এ ছাড়া সিলেটের তিনজন এবং কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ঢাকা ও অন্যান্য জেলার বাসিন্দারাও রয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে