
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। এ সময় বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আনোয়ার ইব্রাহিম এ তথ্য জানান। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুপুরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ফোনে কথা বলেন। উদ্ভূত জ্বালানি সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে গত ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। সফর শেষে আনোয়ার ইব্রাহিমের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত সফরের একটি ভিডিওতে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে হাবিব ওয়াহিদের জনপ্রিয় গান ‘মহা জাদু’ ব্যবহার করা হয়। বিষয়টি তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
সাম্প্রতিক ফোনালাপের বিষয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছি। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।’
তিনি বলেন, আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বাংলাদেশে বিদ্যমান গ্যাস সরবরাহ সংকট। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়তার জন্য পেট্রোনাসের মাধ্যমে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহসহ মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
টেলিফোন আলাপে অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ও উঠে আসে। এর মধ্যে অ্যাক্সিয়াটার বিনিয়োগের অগ্রগতি এবং এমএমসি পোর্টের সঙ্গে সম্ভাব্য কৌশলগত সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে এবং উভয় দেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে অঙ্গীকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে মালয়েশিয়া প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
এর আগে গতকাল গ্যাস সংকটের বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে চিঠি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ দুপুরে দুই প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপের বিষয়টি জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গণমাধ্যমকে বলেন, উদ্ভূত জ্বালানি সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের একটি ভাসমান টার্মিনাল বন্ধ থাকায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দেশে গ্যাসের সংকট বেড়েছে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর চিঠিটি মঙ্গলবার তার শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছেন। এরপর বেলা ২টার দিকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আনোয়ার ইব্রাহিম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আশ্বস্ত করেছেন যে, বাংলাদেশের সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে যা যা করা সম্ভব, তিনি তা করবেন। দ্রুততম সময়ে দেশটির সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানাবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বর্তমানে ভিন্ন উৎস থেকে গ্যাস সংকটের সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। বেশি বিকল্প না থাকায় একটি টার্মিনাল বন্ধ হওয়ার পর বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। চলমান সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া সম্ভব কি না, সেটিও মালয়েশিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর চিঠিতে।
মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কবে নাগাদ এর সুফল পাওয়া যাবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে সহায়তা পাওয়ার পর। মালয়েশিয়া সরকার কবে নাগাদ সহায়তা দিতে পারবে, সেটিও প্রধানমন্ত্রীর চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়েছে। দেশটির কাছ থেকে উত্তর পাওয়ার পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, এটি একটি প্রক্রিয়ার বিষয়। এর বাইরে গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে একাধিক উপায় নিয়েও কাজ চলছে। তবে স্থায়ী সমাধান হচ্ছে স্থলভাগের এলএনজি টার্মিনাল।
সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গণপরিবহন খাতে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে আবারও দুঃখ প্রকাশ করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাসাবাড়ি, শিল্প, বিদ্যুৎ, গণপরিবহন— সবখানেই কষ্ট হচ্ছে। এ কারণে আবারও দুঃখ প্রকাশ করছি।’
সকালে এক্সিলারেট এনার্জির ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, টার্মিনাল চালু করতে চলমান কার্যক্রমের বিস্তারিত তারা জানিয়েছেন। জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল দিনরাত কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীও বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
বন্ধ টার্মিনাল চালু হলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি কতটা স্বাভাবিক হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টার্মিনাল চালু হলে দিনে ৫০ থেকে ৫৫ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে। এর মধ্যে আগামী সপ্তাহে ২৮ থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হতে পারে। তার পরের সপ্তাহে পুরো সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের একটি দল এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। বন্ধ থাকা টার্মিনাল দ্রুত চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। এ সময় বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আনোয়ার ইব্রাহিম এ তথ্য জানান। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুপুরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ফোনে কথা বলেন। উদ্ভূত জ্বালানি সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে গত ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। সফর শেষে আনোয়ার ইব্রাহিমের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত সফরের একটি ভিডিওতে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে হাবিব ওয়াহিদের জনপ্রিয় গান ‘মহা জাদু’ ব্যবহার করা হয়। বিষয়টি তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
সাম্প্রতিক ফোনালাপের বিষয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছি। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।’
তিনি বলেন, আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বাংলাদেশে বিদ্যমান গ্যাস সরবরাহ সংকট। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়তার জন্য পেট্রোনাসের মাধ্যমে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহসহ মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
টেলিফোন আলাপে অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ও উঠে আসে। এর মধ্যে অ্যাক্সিয়াটার বিনিয়োগের অগ্রগতি এবং এমএমসি পোর্টের সঙ্গে সম্ভাব্য কৌশলগত সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে এবং উভয় দেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে অঙ্গীকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে মালয়েশিয়া প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
এর আগে গতকাল গ্যাস সংকটের বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে চিঠি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ দুপুরে দুই প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপের বিষয়টি জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গণমাধ্যমকে বলেন, উদ্ভূত জ্বালানি সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের একটি ভাসমান টার্মিনাল বন্ধ থাকায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দেশে গ্যাসের সংকট বেড়েছে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর চিঠিটি মঙ্গলবার তার শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছেন। এরপর বেলা ২টার দিকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আনোয়ার ইব্রাহিম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আশ্বস্ত করেছেন যে, বাংলাদেশের সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে যা যা করা সম্ভব, তিনি তা করবেন। দ্রুততম সময়ে দেশটির সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানাবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বর্তমানে ভিন্ন উৎস থেকে গ্যাস সংকটের সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। বেশি বিকল্প না থাকায় একটি টার্মিনাল বন্ধ হওয়ার পর বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। চলমান সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া সম্ভব কি না, সেটিও মালয়েশিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর চিঠিতে।
মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কবে নাগাদ এর সুফল পাওয়া যাবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে সহায়তা পাওয়ার পর। মালয়েশিয়া সরকার কবে নাগাদ সহায়তা দিতে পারবে, সেটিও প্রধানমন্ত্রীর চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়েছে। দেশটির কাছ থেকে উত্তর পাওয়ার পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, এটি একটি প্রক্রিয়ার বিষয়। এর বাইরে গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে একাধিক উপায় নিয়েও কাজ চলছে। তবে স্থায়ী সমাধান হচ্ছে স্থলভাগের এলএনজি টার্মিনাল।
সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গণপরিবহন খাতে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে আবারও দুঃখ প্রকাশ করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাসাবাড়ি, শিল্প, বিদ্যুৎ, গণপরিবহন— সবখানেই কষ্ট হচ্ছে। এ কারণে আবারও দুঃখ প্রকাশ করছি।’
সকালে এক্সিলারেট এনার্জির ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, টার্মিনাল চালু করতে চলমান কার্যক্রমের বিস্তারিত তারা জানিয়েছেন। জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল দিনরাত কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীও বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
বন্ধ টার্মিনাল চালু হলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি কতটা স্বাভাবিক হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টার্মিনাল চালু হলে দিনে ৫০ থেকে ৫৫ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে। এর মধ্যে আগামী সপ্তাহে ২৮ থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হতে পারে। তার পরের সপ্তাহে পুরো সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের একটি দল এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। বন্ধ থাকা টার্মিনাল দ্রুত চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের জন্য তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের কাছে অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা ইউরিয়া সারের তুলনায় প্রতি মেট্রিক টন ১০ ডলার কম দামে বিক্রির আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। দেশটি সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) কাছে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার সরবরাহে আগ্রহের কথা জানিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সোমবার রাতেই প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে কমিটির সদস্যরা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও রাকসু ভবন পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেন।
৭ ঘণ্টা আগে
সংগঠনটির নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন রাজনীতি ডটকমের সম্পাদক ও প্রকাশক শরিফুজ্জামান পিন্টু। সদস্যসচিব মনোনীত হয়েছেন ঢাকা স্ট্রিমের সম্পাদক ও প্রকাশক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ।
৮ ঘণ্টা আগে