
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সারাদেশে ভোটগ্রহণসহ পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। এসব পর্যবেক্ষক দেশের সব ৬৪টি জেলায় দায়িত্ব পালন করবেন।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ভোটের দিন ভোটকেন্দ্র খোলা, ভোটগ্রহণ, কেন্দ্র বন্ধ, ব্যালট গণনা এবং ফলাফল তালিকাভুক্ত করার পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন। শহর, নগর ও গ্রাম—সব ধরনের এলাকাতেই তাঁদের উপস্থিতি থাকবে।
এ বিষয়ে ইভার্স ইজাবস বলেন, স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার শহর, নগর ও গ্রামে উপস্থিত থাকবেন। সারা দিনজুড়ে তাঁদের পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদন এই নির্বাচনের নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে।
তিনি আরও বলেন, এই স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকদের নিয়োগ মূলত পূর্বে নিযুক্ত ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকের কাজের ধারাবাহিকতা। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করছেন। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচন প্রশাসনের প্রস্তুতি, নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম এবং ভোটার সচেতনতামূলক উদ্যোগ। পাশাপাশি তারা রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন।
ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনকে আরও শক্তিশালী করতে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল যুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশন থেকে স্থানীয়ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ৩৫ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক মিশনে অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের পর্যবেক্ষকরাও এই মিশনে যুক্ত হয়েছেন।
পূর্ণ সক্ষমতায় এই মিশনে ২০০ জনেরও বেশি পর্যবেক্ষক কাজ করছেন, যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আগত। এ বিষয়ে ইভার্স ইজাবস বলেন, দেশজুড়ে ২০০ জন পর্যবেক্ষকের উপস্থিতির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অবদান রাখছে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবিচল অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ।
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশসহ একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে। প্রাথমিক ও চূড়ান্ত—উভয় প্রতিবেদনই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং মিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি নির্ধারিত আচরণবিধির অধীনে পরিচালিত হয়, যেখানে কঠোর নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মিশনটি ২০০৫ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নীতিমালা অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সারাদেশে ভোটগ্রহণসহ পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। এসব পর্যবেক্ষক দেশের সব ৬৪টি জেলায় দায়িত্ব পালন করবেন।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ভোটের দিন ভোটকেন্দ্র খোলা, ভোটগ্রহণ, কেন্দ্র বন্ধ, ব্যালট গণনা এবং ফলাফল তালিকাভুক্ত করার পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন। শহর, নগর ও গ্রাম—সব ধরনের এলাকাতেই তাঁদের উপস্থিতি থাকবে।
এ বিষয়ে ইভার্স ইজাবস বলেন, স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার শহর, নগর ও গ্রামে উপস্থিত থাকবেন। সারা দিনজুড়ে তাঁদের পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদন এই নির্বাচনের নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে।
তিনি আরও বলেন, এই স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকদের নিয়োগ মূলত পূর্বে নিযুক্ত ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকের কাজের ধারাবাহিকতা। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করছেন। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচন প্রশাসনের প্রস্তুতি, নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম এবং ভোটার সচেতনতামূলক উদ্যোগ। পাশাপাশি তারা রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন।
ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনকে আরও শক্তিশালী করতে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল যুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশন থেকে স্থানীয়ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ৩৫ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক মিশনে অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের পর্যবেক্ষকরাও এই মিশনে যুক্ত হয়েছেন।
পূর্ণ সক্ষমতায় এই মিশনে ২০০ জনেরও বেশি পর্যবেক্ষক কাজ করছেন, যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আগত। এ বিষয়ে ইভার্স ইজাবস বলেন, দেশজুড়ে ২০০ জন পর্যবেক্ষকের উপস্থিতির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অবদান রাখছে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবিচল অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ।
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশসহ একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে। প্রাথমিক ও চূড়ান্ত—উভয় প্রতিবেদনই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং মিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি নির্ধারিত আচরণবিধির অধীনে পরিচালিত হয়, যেখানে কঠোর নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মিশনটি ২০০৫ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নীতিমালা অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ মাহিমকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
১০ ঘণ্টা আগে
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (২০২৬-২৭) সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার সমর্থন আদায়ে ঢাকা এই প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগাতে চায়।
১০ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণঅভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এ বিল উত্থাপন করেন। এ সংক্রান্ত ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে আনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন- ২০
১০ ঘণ্টা আগে