
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পৃথক চারটি মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহনাজ রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান ও হেড অব ট্রান্সফরমেশন যারেফ আয়াত হোসেন জামিন পেয়েছেন।
আজ বুধবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মাহবুব আহমেদ এই আদেশ দেন। ট্রান্সকম গ্রুপের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এই চারটি মামলার সময় ট্রান্সকম গ্রুপের তিন শীর্ষ কর্তা বিদেশে ছিলেন। যাতে তাঁরা কোনো ধরনের বাধা ছাড়া দেশে ফিরে আইনিভাবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন, সে জন্য উচ্চ আদালতে পৃথক রিট আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত তাঁদের কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই দেশে ফেরা এবং ফেরার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
ট্রান্সকম গ্রুপের শীর্ষ তিন কর্তা দেশে ফিরেই আজ বুধবার সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন। এরপর তাঁরা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ ও জামিন আবেদন করেন। পরে শুনানি নিয়ে আদালত চারটি মামলায় তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, ট্রান্সকম গ্রুপের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকার গুলশান থানায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি তিনটি মামলা করেন ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানের ছোট বোন শাযরেহ হক। ওই মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা পরে আদালত থেকে জামিন পান।
এরপর গুলশান থানায় ২২ মার্চ আরেকটি মামলা করেন শাযরেহ হক। এতে ১১ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় ৯ মাস আগে মারা যাওয়া তাঁদের ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়। এসব মামলায় আজ ট্রান্সকম গ্রুপের তিন শীর্ষ কর্মকর্তা জামিন পান। অন্য আসামিরা আগে জামিন পেয়েছেন।

পৃথক চারটি মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহনাজ রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান ও হেড অব ট্রান্সফরমেশন যারেফ আয়াত হোসেন জামিন পেয়েছেন।
আজ বুধবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মাহবুব আহমেদ এই আদেশ দেন। ট্রান্সকম গ্রুপের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এই চারটি মামলার সময় ট্রান্সকম গ্রুপের তিন শীর্ষ কর্তা বিদেশে ছিলেন। যাতে তাঁরা কোনো ধরনের বাধা ছাড়া দেশে ফিরে আইনিভাবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন, সে জন্য উচ্চ আদালতে পৃথক রিট আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত তাঁদের কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই দেশে ফেরা এবং ফেরার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
ট্রান্সকম গ্রুপের শীর্ষ তিন কর্তা দেশে ফিরেই আজ বুধবার সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন। এরপর তাঁরা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ ও জামিন আবেদন করেন। পরে শুনানি নিয়ে আদালত চারটি মামলায় তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, ট্রান্সকম গ্রুপের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকার গুলশান থানায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি তিনটি মামলা করেন ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানের ছোট বোন শাযরেহ হক। ওই মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা পরে আদালত থেকে জামিন পান।
এরপর গুলশান থানায় ২২ মার্চ আরেকটি মামলা করেন শাযরেহ হক। এতে ১১ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় ৯ মাস আগে মারা যাওয়া তাঁদের ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়। এসব মামলায় আজ ট্রান্সকম গ্রুপের তিন শীর্ষ কর্মকর্তা জামিন পান। অন্য আসামিরা আগে জামিন পেয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া চাকরি থেকে পদত্যাগের আবেদন করেছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর এ আবেদন করেন বলে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস শেষ কর্মদিবসে আজ সোমবার তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন। এরপর তাদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশ নেনে তিনি। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।
৩ ঘণ্টা আগে
ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে ট্রান্সকম গ্রুপের ১৪ হাজার ১৬০ শেয়ার আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান এবং তার মা ট্রান্সকম গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান শাহনাজ রহমানসহ ছয়জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
৫ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকার কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় ধারণা করা হয়েছিল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন করা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে