
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারি ও বিরোধী দল—দুই পক্ষের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের এলাকার উন্নয়নে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তাই রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো এলাকায় উন্নয়ন বৈষম্য রাখা হবে না।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আলোচনায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের ভূমিকার প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী সংসদ সদস্যদের জন্য আলাদা ভৌগোলিক আসন না থাকলেও রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বাস্তবতায় তাদের কাজের ক্ষেত্র নির্ধারিত থাকে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদেরও সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে এবং সে সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, কোনো এলাকার উন্নয়নে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তা সরাসরি জানাতে পারেন সংসদ সদস্যরা। সরকার সেসব বিষয়ে ইতিবাচকভাবে কাজ করবে।
পরে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন সহায়তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি সংসদ পরিচালনা-সংক্রান্ত একটি বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেছিলেন যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কিছু সহায়তা বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য পাননি। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, “সরকার বিশ্বাস করে উন্নয়ন সবার জন্য। সরকারি দলের প্রতিনিধি কিংবা বিরোধী দলের প্রতিনিধি—উভয় পক্ষের নির্বাচনী এলাকাই রাষ্ট্রের অংশ। তাই উন্নয়ন কার্যক্রমেও সবাই সমান সহযোগিতা পাবেন।”
সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সমালোচনার জায়গা সবসময়ই রয়েছে। তবে সেই সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক ও গঠনমূলক। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনমতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নিতেও সরকার প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই সরকার এগিয়ে যেতে চায় এবং সে লক্ষ্যেই সংসদ ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর রাখার চেষ্টা চলছে।
রাজনীতি/আরআইআর

সরকারি ও বিরোধী দল—দুই পক্ষের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের এলাকার উন্নয়নে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তাই রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো এলাকায় উন্নয়ন বৈষম্য রাখা হবে না।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আলোচনায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের ভূমিকার প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী সংসদ সদস্যদের জন্য আলাদা ভৌগোলিক আসন না থাকলেও রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বাস্তবতায় তাদের কাজের ক্ষেত্র নির্ধারিত থাকে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদেরও সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে এবং সে সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, কোনো এলাকার উন্নয়নে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তা সরাসরি জানাতে পারেন সংসদ সদস্যরা। সরকার সেসব বিষয়ে ইতিবাচকভাবে কাজ করবে।
পরে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন সহায়তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি সংসদ পরিচালনা-সংক্রান্ত একটি বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেছিলেন যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কিছু সহায়তা বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য পাননি। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, “সরকার বিশ্বাস করে উন্নয়ন সবার জন্য। সরকারি দলের প্রতিনিধি কিংবা বিরোধী দলের প্রতিনিধি—উভয় পক্ষের নির্বাচনী এলাকাই রাষ্ট্রের অংশ। তাই উন্নয়ন কার্যক্রমেও সবাই সমান সহযোগিতা পাবেন।”
সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সমালোচনার জায়গা সবসময়ই রয়েছে। তবে সেই সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক ও গঠনমূলক। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনমতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নিতেও সরকার প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই সরকার এগিয়ে যেতে চায় এবং সে লক্ষ্যেই সংসদ ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর রাখার চেষ্টা চলছে।
রাজনীতি/আরআইআর

সংগঠনটির সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত শনাক্ত এবং গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালের জবাব তিনি পর্যালোচনা করেছেন। তবে সেখানে মূল বিষয়গুলোর স্পষ্ট উত্তর না দিয়ে নানা অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা যুক্ত করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৯টি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ হাজার ৬০৮ জন, নৌবাহিনীর ৩০২ জন, বিমান বাহিনীর ২৬৭ জন এবং পুলিশের ৩৫ জন সদস্যসহ মোট ৪ হাজার ২১২ জন শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০২৭ সালে চতুর্থ শ্রেণির শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবইয়ে চারটি পৃথক অধ্যায়ে এসব বিষয় যুক্ত করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে