
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে সারাদেশে বহিষ্কারের সংখ্যা তিনগুণ বেড়েছে। এদিন অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, যেখানে প্রথম দিনে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৬ জন। একই সঙ্গে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭ হাজারে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে অনুষ্ঠিত বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় ৬ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। এর মধ্যে কুমিল্লা ও যশোর বোর্ডে দুজন করে এবং চট্টগ্রাম ও দিনাজপুর বোর্ডে একজন করে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটে।
বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় সারাদেশের ২ হাজার ৪৮১টি কেন্দ্রে মোট ১১ লাখ ১৮ হাজার ৭৬৪ জন পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা থাকলেও উপস্থিত ছিল ১১ লাখ ৬ হাজার ৪৪৮ জন। অনুপস্থিত ছিল ১২ হাজার ৩১৬ জন।
অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিলের আরবি প্রথমপত্র পরীক্ষায় ১২ হাজার ১৫০ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। ৭৪১টি কেন্দ্রে মোট ২ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেয় ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৩২ জন। এ বোর্ডে তিনজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৩৯৯ জন। ৬৫৩টি কেন্দ্রে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ২০ হাজার ১৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৬১ জন। এ বোর্ডে দ্বিতীয় দিনে ১০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, যেখানে প্রথম দিনে কোনো বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে সারাদেশে বহিষ্কারের সংখ্যা তিনগুণ বেড়েছে। এদিন অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, যেখানে প্রথম দিনে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৬ জন। একই সঙ্গে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭ হাজারে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে অনুষ্ঠিত বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় ৬ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। এর মধ্যে কুমিল্লা ও যশোর বোর্ডে দুজন করে এবং চট্টগ্রাম ও দিনাজপুর বোর্ডে একজন করে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটে।
বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় সারাদেশের ২ হাজার ৪৮১টি কেন্দ্রে মোট ১১ লাখ ১৮ হাজার ৭৬৪ জন পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা থাকলেও উপস্থিত ছিল ১১ লাখ ৬ হাজার ৪৪৮ জন। অনুপস্থিত ছিল ১২ হাজার ৩১৬ জন।
অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিলের আরবি প্রথমপত্র পরীক্ষায় ১২ হাজার ১৫০ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। ৭৪১টি কেন্দ্রে মোট ২ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেয় ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৩২ জন। এ বোর্ডে তিনজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৩৯৯ জন। ৬৫৩টি কেন্দ্রে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ২০ হাজার ১৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৬১ জন। এ বোর্ডে দ্বিতীয় দিনে ১০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, যেখানে প্রথম দিনে কোনো বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই ৯ জেলার ফলপ্রকাশের ঘটনায় এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কর্মকর্তা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েস।
৪ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চটগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আগামীকাল শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৬ ঘণ্টা আগে