
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সাক্ষ্য দিয়েছেন তার বাবা ও মামলার বাদী জামাল উদ্দিন। এ দিন বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
শুনানির শুরুতে কারাগারে থাকা অন্যতম আলোচিত আসামি সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী ছাড়া সকল আসামিকে কঠোর নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত করা হয়।
এ দিন দুপুরে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হকের আদালতে বাদীর সাক্ষ্য শেষ হয়। এরপর এক আসামি অজয় দাশের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত একজন আইনজীবী বাদীকে জেরা করেন।
অন্য আসামিদের মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে তার আইনজীবী জেরার জন্য সময় প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।
ট্রাইব্যুনালের পিপি এস ইউ এম নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতে বাদী সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাদীর আংশিক জেরাও হয়েছে। তিনি ভিকটিম। আদালতে তিনি তার ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেছেন।’
আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা ও মামলার বাদী জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি ন্যায়বিচার চাই। আসামিপক্ষ সময় ক্ষেপণের চেষ্টা করছে। সরকারের কাছে আবেদন যেন দ্রুত বিচার হয়।’
বাদীর আইনজীবী মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, ‘সারা দেশ এই মামলার বিচারের দিকে চেয়ে আছে। একটি পক্ষ বিচার বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে। বাদীর আংশিক জেরা সম্পন্ন হয়েছে।’
সময়ক্ষেপণের অভিযোগের বিষয়ে চিন্ময় দাসের আইনজীবী অপূর্ব ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘আজ আদালতে শুনানিতে জানিয়েছি, এই মামলা থেকে চিন্ময় দাসের অব্যাহতি চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এখনো কোনো আদেশ পাইনি। তাই চিন্ময় দাশের পক্ষে জেরা করতে সময় চেয়েছি। আদালত সময় মঞ্জুর করে পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।’
গত বছরের ২৫ অগাস্ট চিন্ময় দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ‘সারাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে’ সেদিন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আলোচিত এই হত্যা মামলাটি বিচারের জন্য গত ৭ জানুয়ারি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠান। ১৯ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহের এক মামলায় চিন্ময়ের দাসের জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হলে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন তার সমর্থকরা। আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে চিন্ময়কে কারাগারে নিয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীরা আদালত সড়কে রাখা বেশ কিছু মোটরসাইকেল ও যানবাহন ভাঙচুর করে। এরপর আদালতের সাধারণ আইনজীবী ও কর্মচারীরা মিলে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে রঙ্গম কনভেনশন হল সড়কে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
ওই ঘটনায় ২৯ নভেম্বর নগরীর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন। ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫/১৬ জনকে সেখানে আসামি করা হয়। আসামিরা সবাই ছিলেন নগরীর রঙ্গম কনভেনশন হল সংলগ্ন বান্ডেল সেবক কলোনির বাসিন্দা।
তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মাহফুজুর রহমান মোট ৩৮ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তাতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে প্রধান আসামি করা হয়।
ঘটনার সময় পুলিশ হেফজতে থাকা চিন্ময়কে কেন প্রধান আসামি করা হলো, সেই ব্যাখ্যায় তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সেদিন জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর তিনি আদালত প্রাঙ্গণে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। তার বক্তব্যের কারণে অন্য আসামিরা উত্তেজিত হয়ে আইনজীবীর ওপর হামলা চালায় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।’
তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘হুকুমদাতা হিসেবে চিন্ময় দাস এই মামলার প্রধান আসামি। ইতোপূর্বে গ্রেপ্তার আসামিদের জবানবন্দি ও জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে হামলার ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, অভিযোগপত্রে তাদের আসামি করা হয়েছে।’

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সাক্ষ্য দিয়েছেন তার বাবা ও মামলার বাদী জামাল উদ্দিন। এ দিন বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
শুনানির শুরুতে কারাগারে থাকা অন্যতম আলোচিত আসামি সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী ছাড়া সকল আসামিকে কঠোর নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত করা হয়।
এ দিন দুপুরে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হকের আদালতে বাদীর সাক্ষ্য শেষ হয়। এরপর এক আসামি অজয় দাশের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত একজন আইনজীবী বাদীকে জেরা করেন।
অন্য আসামিদের মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে তার আইনজীবী জেরার জন্য সময় প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।
ট্রাইব্যুনালের পিপি এস ইউ এম নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতে বাদী সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাদীর আংশিক জেরাও হয়েছে। তিনি ভিকটিম। আদালতে তিনি তার ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেছেন।’
আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা ও মামলার বাদী জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি ন্যায়বিচার চাই। আসামিপক্ষ সময় ক্ষেপণের চেষ্টা করছে। সরকারের কাছে আবেদন যেন দ্রুত বিচার হয়।’
বাদীর আইনজীবী মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, ‘সারা দেশ এই মামলার বিচারের দিকে চেয়ে আছে। একটি পক্ষ বিচার বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে। বাদীর আংশিক জেরা সম্পন্ন হয়েছে।’
সময়ক্ষেপণের অভিযোগের বিষয়ে চিন্ময় দাসের আইনজীবী অপূর্ব ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘আজ আদালতে শুনানিতে জানিয়েছি, এই মামলা থেকে চিন্ময় দাসের অব্যাহতি চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এখনো কোনো আদেশ পাইনি। তাই চিন্ময় দাশের পক্ষে জেরা করতে সময় চেয়েছি। আদালত সময় মঞ্জুর করে পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।’
গত বছরের ২৫ অগাস্ট চিন্ময় দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ‘সারাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে’ সেদিন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আলোচিত এই হত্যা মামলাটি বিচারের জন্য গত ৭ জানুয়ারি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠান। ১৯ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহের এক মামলায় চিন্ময়ের দাসের জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হলে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন তার সমর্থকরা। আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে চিন্ময়কে কারাগারে নিয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীরা আদালত সড়কে রাখা বেশ কিছু মোটরসাইকেল ও যানবাহন ভাঙচুর করে। এরপর আদালতের সাধারণ আইনজীবী ও কর্মচারীরা মিলে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে রঙ্গম কনভেনশন হল সড়কে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
ওই ঘটনায় ২৯ নভেম্বর নগরীর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন। ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫/১৬ জনকে সেখানে আসামি করা হয়। আসামিরা সবাই ছিলেন নগরীর রঙ্গম কনভেনশন হল সংলগ্ন বান্ডেল সেবক কলোনির বাসিন্দা।
তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মাহফুজুর রহমান মোট ৩৮ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তাতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে প্রধান আসামি করা হয়।
ঘটনার সময় পুলিশ হেফজতে থাকা চিন্ময়কে কেন প্রধান আসামি করা হলো, সেই ব্যাখ্যায় তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সেদিন জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর তিনি আদালত প্রাঙ্গণে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। তার বক্তব্যের কারণে অন্য আসামিরা উত্তেজিত হয়ে আইনজীবীর ওপর হামলা চালায় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।’
তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘হুকুমদাতা হিসেবে চিন্ময় দাস এই মামলার প্রধান আসামি। ইতোপূর্বে গ্রেপ্তার আসামিদের জবানবন্দি ও জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে হামলার ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, অভিযোগপত্রে তাদের আসামি করা হয়েছে।’

আর্থকোয়েক ট্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ১ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ২৯ মিনিটে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের হোমালিন এলাকায়, যা ভারতের মণিপুর সীমান্তের কাছাকাছি।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সংস্কার কমিশনে নিজেদের প্রস্তাব তুলে ধরেছে বিএনপি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মতের অমিল থাকবে স্বাভাবিক, সেই কমিশন থেকে বেরিয়ে এসে কোন কোন বিষয়ে একমত-দ্বিমত তা আমরা জানিয়েছি। পরে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবের পর অন্যতম বড় শ্রমবাজার হচ্ছে মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে এপ্রিল মাসের ৮ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত এ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং আমি (আরিফুল হক চৌধুরী) দেশটি সফর করেছি এবং মালয়েশিয়ার সরকার ও আমাদের ম
১৯ ঘণ্টা আগে
এই ঘটনা দুঃখজনক এবং এটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যের সাথে যা হয়েছে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক, যদি ঘটনাটা সত্য হয়ে থাকে। এ বিষয়ে আমি অনুরোধ করবো সংসদ সদস্য যদি কোনো জিডি অথবা মামলা সংশ্লিষ্ট থানায় না করে থাকেন, এখনো তিনি ইচ্ছা করলে সেই বিষয়ে ওনার অভিযোগ সংশ্লিষ
১৯ ঘণ্টা আগে