
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গ্যাস সংকটের মুখে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ইউরিয়া সার কারখানায় উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) আওতাধীন পাঁচটি কারখানার মধ্যে বর্তমানে চালু রয়েছে কেবল শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।
এদিকে বেসরকারি খাতের কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানিও (কাফকো) উৎপাদন বন্ধ রাখায় দেশের মোট ছয়টি বড় কারখানার মধ্যে পাঁচটিতেই সারের উৎপাদন স্থবির হয়ে পড়েছে।
গ্যাস সংকটের কারণে বর্তমানে ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার, চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার, যমুনা ফার্টিলাইজার এবং আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডে সার উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিসিআইসির পরিচালক (উৎপাদন ও গবেষণা) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘১৫ দিনের জন্য বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। এরপর কী সিদ্ধান্ত হবে, জানি না।’
এর বাইরে বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। ফলে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে দেশের ছয়টি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে পাঁচটিতেই বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ।
মনিরুজ্জামান বলেন, বিসিআইসির পাঁচটি ইউরিয়া কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হয়। চালু থাকা শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানার দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন।
এদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভবাবে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশনা জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
বৃহস্পতিবার জারি করা নির্দেশনায় প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার কমানো, গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার পরিহার এবং পাইপলাইনে লিক রোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া জ্বালানি তেল সাশ্রয়ের জন্য ব্যক্তিগত যানবাহনের পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

গ্যাস সংকটের মুখে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ইউরিয়া সার কারখানায় উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) আওতাধীন পাঁচটি কারখানার মধ্যে বর্তমানে চালু রয়েছে কেবল শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।
এদিকে বেসরকারি খাতের কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানিও (কাফকো) উৎপাদন বন্ধ রাখায় দেশের মোট ছয়টি বড় কারখানার মধ্যে পাঁচটিতেই সারের উৎপাদন স্থবির হয়ে পড়েছে।
গ্যাস সংকটের কারণে বর্তমানে ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার, চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার, যমুনা ফার্টিলাইজার এবং আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডে সার উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিসিআইসির পরিচালক (উৎপাদন ও গবেষণা) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘১৫ দিনের জন্য বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। এরপর কী সিদ্ধান্ত হবে, জানি না।’
এর বাইরে বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। ফলে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে দেশের ছয়টি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে পাঁচটিতেই বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ।
মনিরুজ্জামান বলেন, বিসিআইসির পাঁচটি ইউরিয়া কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হয়। চালু থাকা শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানার দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন।
এদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভবাবে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশনা জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
বৃহস্পতিবার জারি করা নির্দেশনায় প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার কমানো, গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার পরিহার এবং পাইপলাইনে লিক রোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া জ্বালানি তেল সাশ্রয়ের জন্য ব্যক্তিগত যানবাহনের পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পরে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কার্যালয়ে দিনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ও কার্যক্রমে যেন কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে, সে লক্ষ্যেই স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে বঙ্গভবনের কার্যক্রম।
৩৩ মিনিট আগে
বিআরটিএ জানিয়েছে, জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি মানদণ্ড সংস্থাটির স্থানীয় কার্যালয় ও ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। নতুন রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেস সনদ নবায়নের আবেদন করার সময় সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ কার্যালয়ে জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডিভাইসটির কার্যকারিতা দেখাতে হবে।
৪১ মিনিট আগে
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সারা দেশে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব উদ্যোগের আওতায় কঠোর আইন প্রয়োগ, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং, পেশাগত সংস্কার এবং একাধিক সংস্থার সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
ড. ইজাজ বলেন, সমুদ্রে ভাসমান এফএসআরইউ টার্মিনাল দিয়ে কখনোই একটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। কারণ যেকোনো ঝড়ো আবহাওয়া বা কারিগরি দুর্ঘটনা পুরো সরবরাহ অচল করে দিতে পারে। এ পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে অবিলম্বে অন্তত ১৫ দিনের একটা স্ট্র্যাটেজিক বাফার স্টক বা জরুরি মজুত সক্ষমতা গড়ে তুলতে
২ ঘণ্টা আগে