
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান নিয়ে মুলতবি প্রস্তাব দিয়েও কোনো প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ তুলে এবং বিরোধী দলের প্রস্তাবের বিপরীতে সরকারি দলের প্রস্তাবের প্রতিবাদে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংসদকক্ষ থেকে বের হয়ে যান। এর আগে এই সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি ভাষণ শুরু করলে তারা ওয়াকআউট করেছিলেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংসদে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান প্রশ্নে’ বিরোধী দলের আনা মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় সরকারি দল সংবিধান সংশোধনে সর্বদলীয় বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেয়। এতে একমত হয়নি বিরোধী দল। তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য কোনো কমিটি হলে ভেবে দেখবে বলে জানায়।
বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ রায় দেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন জন-আকাঙ্ক্ষার বিষয়। তারা স্পিকারের মাধ্যমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাবেন বলে আশা করেছিলেন। এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হলো, তা স্পষ্টভাবে জানতে চান তিনি।
জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৫৩ বছরের ইতিহাসে মাত্র তিনটি মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। আলোচিত মুলতবি প্রস্তাবটির আলোচনা তার অনুপস্থিতিতে হয়েছিল। প্রাণবন্ত আলোচনার জন্য ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে বিরোধী দলের মুলতবি প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়েছিল।
স্পিকার বলেন, যে সমস্যার সমাধান আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই কেবল করা যায়, সেটি নিয়ে মুলতবি প্রস্তাব হতে পারে না। তারপরও উদারভাবে কথা বলতে চাইলে সেটি বিবেচনা করা হবে। এ বিষয়ে বিরোধী দলের আরও বক্তব্য থাকলে সে সুযোগও দেওয়া হবে।
জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আমরা প্রতিকার পেলাম না মানে দেশবাসী তাদের রায়ের প্রতিফলন পেল না, তাদের মূল্যায়ন হলো না। বিরোধী দলে বসে এই অবমূল্যায়ন আমরা মেনে নিতে পারি না। এ জন্য তার প্রতিবাদে আমরা ওয়াকআউট করছি।
তখন বিরোধী দলীয় নেতার উদ্দেশে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা, আপনি আমার বক্তব্য তো সম্পূর্ণ করতে দিলেন না। আমি আপনার পুরো বক্তব্য শুনেছি। ওয়াকআউট করা আপনাদের অধিকার। কিন্তু আমি বলতে চাই, আজ একটু পরে আরেকটি মুলতবি প্রস্তাব বিবেচিত হবে। আমার মনে হয়, সেখানে আপনি আপনাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন এবং সেখানে মন খুলে আপনারা আরও কথা পারবেন।’
শফিকুর রহমান এ সময় বলেন, নোটিশটি আমার নজরে এসেছে। মূল নোটিশটি চাপা দিতেই ওই নোটিশ সামনে আনা হয়েছে। এ জন্য দুটির প্রতিবাদেই আমরা সংসদ থেকে আপাতত ওয়াকআউট করছি।
তখন স্পিকার বলেন, ‘নোটিশই তো উত্থাপন হয় নাই। আপনি কী করে বুঝলেন, কোনটা চাপা দেওয়ার জন্য এটা করা হচ্ছে? আমি অনুরোধ করছি, একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেন। নোটিশের বিষয়বস্তু শুনুন।’
জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, এর আগে স্পিকারের অনুপস্থিতিতে নোটিশটি সংশ্লিষ্ট সদস্য পড়েছেন। তারা সেটি শুনেছেন। বুঝেশুনেই তিনি বলছেন যে দুই কারণে তারা ওয়াকআউট করছেন।
এ পর্যায়ে স্পিকার বলেন, ‘সংসদীয় রীতি অনুযায়ী আপনারা ওয়াকআউট করতে পারেন।’ এরপর বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংসদকক্ষ থেকে বের হয়ে যান।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান নিয়ে মুলতবি প্রস্তাব দিয়েও কোনো প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ তুলে এবং বিরোধী দলের প্রস্তাবের বিপরীতে সরকারি দলের প্রস্তাবের প্রতিবাদে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংসদকক্ষ থেকে বের হয়ে যান। এর আগে এই সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি ভাষণ শুরু করলে তারা ওয়াকআউট করেছিলেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংসদে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান প্রশ্নে’ বিরোধী দলের আনা মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় সরকারি দল সংবিধান সংশোধনে সর্বদলীয় বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেয়। এতে একমত হয়নি বিরোধী দল। তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য কোনো কমিটি হলে ভেবে দেখবে বলে জানায়।
বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ রায় দেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন জন-আকাঙ্ক্ষার বিষয়। তারা স্পিকারের মাধ্যমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাবেন বলে আশা করেছিলেন। এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হলো, তা স্পষ্টভাবে জানতে চান তিনি।
জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের ৫৩ বছরের ইতিহাসে মাত্র তিনটি মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। আলোচিত মুলতবি প্রস্তাবটির আলোচনা তার অনুপস্থিতিতে হয়েছিল। প্রাণবন্ত আলোচনার জন্য ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে বিরোধী দলের মুলতবি প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়েছিল।
স্পিকার বলেন, যে সমস্যার সমাধান আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই কেবল করা যায়, সেটি নিয়ে মুলতবি প্রস্তাব হতে পারে না। তারপরও উদারভাবে কথা বলতে চাইলে সেটি বিবেচনা করা হবে। এ বিষয়ে বিরোধী দলের আরও বক্তব্য থাকলে সে সুযোগও দেওয়া হবে।
জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আমরা প্রতিকার পেলাম না মানে দেশবাসী তাদের রায়ের প্রতিফলন পেল না, তাদের মূল্যায়ন হলো না। বিরোধী দলে বসে এই অবমূল্যায়ন আমরা মেনে নিতে পারি না। এ জন্য তার প্রতিবাদে আমরা ওয়াকআউট করছি।
তখন বিরোধী দলীয় নেতার উদ্দেশে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা, আপনি আমার বক্তব্য তো সম্পূর্ণ করতে দিলেন না। আমি আপনার পুরো বক্তব্য শুনেছি। ওয়াকআউট করা আপনাদের অধিকার। কিন্তু আমি বলতে চাই, আজ একটু পরে আরেকটি মুলতবি প্রস্তাব বিবেচিত হবে। আমার মনে হয়, সেখানে আপনি আপনাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন এবং সেখানে মন খুলে আপনারা আরও কথা পারবেন।’
শফিকুর রহমান এ সময় বলেন, নোটিশটি আমার নজরে এসেছে। মূল নোটিশটি চাপা দিতেই ওই নোটিশ সামনে আনা হয়েছে। এ জন্য দুটির প্রতিবাদেই আমরা সংসদ থেকে আপাতত ওয়াকআউট করছি।
তখন স্পিকার বলেন, ‘নোটিশই তো উত্থাপন হয় নাই। আপনি কী করে বুঝলেন, কোনটা চাপা দেওয়ার জন্য এটা করা হচ্ছে? আমি অনুরোধ করছি, একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেন। নোটিশের বিষয়বস্তু শুনুন।’
জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, এর আগে স্পিকারের অনুপস্থিতিতে নোটিশটি সংশ্লিষ্ট সদস্য পড়েছেন। তারা সেটি শুনেছেন। বুঝেশুনেই তিনি বলছেন যে দুই কারণে তারা ওয়াকআউট করছেন।
এ পর্যায়ে স্পিকার বলেন, ‘সংসদীয় রীতি অনুযায়ী আপনারা ওয়াকআউট করতে পারেন।’ এরপর বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংসদকক্ষ থেকে বের হয়ে যান।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে প্রতিবাদকারীরা ডাকসু সংগ্রহশালার ফটকের সামনের মেঝেতে দুটি এবং ভেতরের মেঝেতে দুটি ছবি সাঁটিয়ে দেন। এ সময় তারা জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি পদদলন করে প্রতিবাদ জানান।
৩ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ মনগড়া নয় বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব সাইদুর রহমান খান।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ রোগীদের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় মাসে প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩৬ জনের। দেশের ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘ
৪ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
৪ ঘণ্টা আগে