
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এক যুগেরও বেশি সময় আগে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ইসলামপন্থিদের ‘অরাজনৈতিক’ সংগঠন হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতায় ৩২ জন নিহত হয়েছিলেন বলে উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তে। এ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের প্রস্তুতিও চলছে।
রোববার (৩ মে) ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরের ওই সহিংসতার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ ঘটনায় আমরা ৩২ জন নিহত ব্যক্তির তালিকা পেয়েছি। তারা শাপলা চত্বরেই নিহত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামেও হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
ঘটনার সময় সরকারে ঊর্ধ্বতন যারা ছিলেন এবং পুলিশের যারা এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তাদেরও এ মামলায় আসামি করা হবে বলে জানান ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান এ আইনজীবী। তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের এ মামলায় ৯০ শতাংশ তদন্ত শেষ হয়েছে। বাকি কাজও শিগগির সম্পন্ন করতে পারব। এরপর তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।
২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হলে এ রায় প্রত্যাখ্যান করে তার ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে গড়ে আন্দোলন, যা গণজাগরণ মঞ্চ নামে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। ওই আন্দোলনে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ব্লগাররা।
পরে ওই বছরের ৫ মে গণজাগরণ মঞ্চের বিপরীতে ‘নাস্তিক’ ব্লগারদের শাস্তির দাবিতে মতিঝিলে সমাবেশ আয়োজন করে হেফাজতে ইসলাম। ওই সমাবেশ ঘিরে দিনভর চলে সহিংসতা, যা চলে রাত পর্যন্ত। পরে রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে তাদের মতিঝিল থেকে সরানো হয়।
ওই ঘটনার পর মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এক প্রতিবেদনে জানায়, শাপলা চত্বরের অভিযানে ৬১ জন নিহত হয়েছিলেন। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, সে দিন সারা দিনের সহিংসতায় ১১ জন নিহত হলেও রাতের অভিযানে কেউ মারা যাননি।
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সপ্তাহ তিনেক পর ২০ আগস্ট শাপলা চত্বরের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ জমা পড়ে। এ ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশীদসহ আরও অনেকের নাম উঠে এসেছে।
মামলার আসামিদের মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তারও হয়েছেন— সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।
গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে গত ৫ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। ওই দিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য প্রসিকিউশন দুই মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। সে আবেদন মঞ্জুর করে ট্রাইব্যুনাল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৭ জুন দিন নির্ধারণ করে দেন।

এক যুগেরও বেশি সময় আগে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ইসলামপন্থিদের ‘অরাজনৈতিক’ সংগঠন হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতায় ৩২ জন নিহত হয়েছিলেন বলে উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তে। এ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের প্রস্তুতিও চলছে।
রোববার (৩ মে) ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরের ওই সহিংসতার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ ঘটনায় আমরা ৩২ জন নিহত ব্যক্তির তালিকা পেয়েছি। তারা শাপলা চত্বরেই নিহত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামেও হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
ঘটনার সময় সরকারে ঊর্ধ্বতন যারা ছিলেন এবং পুলিশের যারা এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তাদেরও এ মামলায় আসামি করা হবে বলে জানান ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান এ আইনজীবী। তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের এ মামলায় ৯০ শতাংশ তদন্ত শেষ হয়েছে। বাকি কাজও শিগগির সম্পন্ন করতে পারব। এরপর তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।
২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হলে এ রায় প্রত্যাখ্যান করে তার ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে গড়ে আন্দোলন, যা গণজাগরণ মঞ্চ নামে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। ওই আন্দোলনে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ব্লগাররা।
পরে ওই বছরের ৫ মে গণজাগরণ মঞ্চের বিপরীতে ‘নাস্তিক’ ব্লগারদের শাস্তির দাবিতে মতিঝিলে সমাবেশ আয়োজন করে হেফাজতে ইসলাম। ওই সমাবেশ ঘিরে দিনভর চলে সহিংসতা, যা চলে রাত পর্যন্ত। পরে রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে তাদের মতিঝিল থেকে সরানো হয়।
ওই ঘটনার পর মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এক প্রতিবেদনে জানায়, শাপলা চত্বরের অভিযানে ৬১ জন নিহত হয়েছিলেন। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, সে দিন সারা দিনের সহিংসতায় ১১ জন নিহত হলেও রাতের অভিযানে কেউ মারা যাননি।
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সপ্তাহ তিনেক পর ২০ আগস্ট শাপলা চত্বরের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ জমা পড়ে। এ ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশীদসহ আরও অনেকের নাম উঠে এসেছে।
মামলার আসামিদের মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তারও হয়েছেন— সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।
গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে গত ৫ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। ওই দিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য প্রসিকিউশন দুই মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। সে আবেদন মঞ্জুর করে ট্রাইব্যুনাল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৭ জুন দিন নির্ধারণ করে দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুবাইয়ে আটকের পরই ১৪৪ পৃষ্ঠার মামলার নথি আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, খ্যাতিমান হকি খেলোয়াড় ও সংগঠক আবদুস সাদেক আর নেই। আজ শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
৬ ঘণ্টা আগে
জৈন ধর্ম মানুষের মুক্তির জন্য নৈতিকতার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে। এই ধর্ম অনুযায়ী, বন্দি অবস্থা থেকে আত্মার মুক্তির উপায় তিনটি— সম্যগ দর্শন বা সত্যের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, সম্যগজ্ঞান বা সংশয়শূন্য ও ভ্রমমুক্ত বিশদ জ্ঞান এবং সম্যগ চারিত্র বা হিত আচরণে প্রবৃত্ত হওয়া এবং অহিতকর আচরণ থেকে সম্প
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের দুই ছেল এবং আত্মীয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় নবগঠিত কয়েকটি ইউনিয়নের নামকরণের অভিযোগের পর এবার তার নামে একটি স্কুলের নামকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষা সচিবের কাছে পাঠানো এক পত্রে এই প্রস্তাব নাকচ করেছেন তিনি।
১৯ ঘণ্টা আগে