
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর আদাবরে ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠক শেষে আবুল বাসার বাদশা (৪৫) নামে এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় আদাবর নবোদয় ইউনিট-বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আদাবর থানার নবোদয় কাঁচাবাজার এলাকায় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত বাদশা ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের গফুর মিয়ার ছেলে। তিনি আদাবরের নবোদয় হাউজিংয়ের বি ব্লকে থাকতেন এবং নবোদয় ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন রাতে ব্রাজিল বনাম জাপানের ফুটবল খেলা দেখার সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক বাঁশি বাজিয়ে হইচই করেন। এ সময় আদাবর থানা বিএনপির সদস্য হাবিব স্থানীয় ব্যবসায়ী মজনুর ছেলে নীরবকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এই ঘটনার পরদিন নীরবের ভাই রিপনের সাথে ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের হাতাহাতি হয়। এই নিয়ে সাদ্দাম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন।
পুরো বিরোধটি মীমাংসার জন্য বুধবার রাতে নবোদয় বাজারে একটি বিচার-সালিশ বসে। সালিশ শেষ হওয়া মাত্রই মাসুম, রবিন, নাহিদ, রিপন, নীরব ও পারভেজসহ বেশ কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্য ধারালো ছুরি ও চাপাতি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা সাদ্দাম ও আবুল বাসার বাদশাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বাদশার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে রাত সাড়ে ১১টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খেলাধুলার তুচ্ছ বিরোধ থেকে ঘটনার সূত্রপাত হলেও পরে তা এই হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা এলাকার চিহ্নিত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য এবং স্থানীয় ১০০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
রাজনীতি/এসআর

রাজধানীর আদাবরে ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠক শেষে আবুল বাসার বাদশা (৪৫) নামে এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় আদাবর নবোদয় ইউনিট-বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আদাবর থানার নবোদয় কাঁচাবাজার এলাকায় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত বাদশা ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের গফুর মিয়ার ছেলে। তিনি আদাবরের নবোদয় হাউজিংয়ের বি ব্লকে থাকতেন এবং নবোদয় ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন রাতে ব্রাজিল বনাম জাপানের ফুটবল খেলা দেখার সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক বাঁশি বাজিয়ে হইচই করেন। এ সময় আদাবর থানা বিএনপির সদস্য হাবিব স্থানীয় ব্যবসায়ী মজনুর ছেলে নীরবকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এই ঘটনার পরদিন নীরবের ভাই রিপনের সাথে ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের হাতাহাতি হয়। এই নিয়ে সাদ্দাম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন।
পুরো বিরোধটি মীমাংসার জন্য বুধবার রাতে নবোদয় বাজারে একটি বিচার-সালিশ বসে। সালিশ শেষ হওয়া মাত্রই মাসুম, রবিন, নাহিদ, রিপন, নীরব ও পারভেজসহ বেশ কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্য ধারালো ছুরি ও চাপাতি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা সাদ্দাম ও আবুল বাসার বাদশাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বাদশার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে রাত সাড়ে ১১টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খেলাধুলার তুচ্ছ বিরোধ থেকে ঘটনার সূত্রপাত হলেও পরে তা এই হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা এলাকার চিহ্নিত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য এবং স্থানীয় ১০০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
রাজনীতি/এসআর

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে অংশ নেওয়া বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সব ক্ষুদে ক্রীড়াবিদকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাদের খেলাধুলায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেকোনো দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি খাটাতে চান নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশে। যদি জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্যতম শঙ্কাও থাকে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ তো দূরের কথা, দেশীয় উদ্যোক্তারাও বিনিয
৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী নগরের একটি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। এ দিন পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র এবং খাদ্য ও পুষ্টি প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনু
৪ ঘণ্টা আগে