
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তেল ও গ্যাস কোম্পানি শেভরন ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যে নিট মুনাফা করেছে, তার ৫ শতাংশ শ্রমিক-কর্মচারীদের দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
কোম্পানিটির সাবেক-বর্তমান ৫৮২ জন শ্রমিক-কর্মচারীর রিট আবেদনে চূড়ান্ত শুনানির পর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শেষে এই রায় দেন।
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ওমর সাদাত। শেভরনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান খান। ২০১৩ সালের পর নিট মুনাফার ৫ শতাংশ শ্রমিক-কর্মচারীদের দিতে শেভরনকে কেন নির্দশ দেওয়া হবে না এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের নিট মুনাফার ৫ শতাংশ না দেওয়া কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, মর্মে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী ওমর সাদাত।
তিনি বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী শেভরনের নিট মুনাফার ৫ শতাংশ শ্রমিক ও কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করার কথা। কিন্তু শেভরন ২০১৩ সালের পর তা আর করেনি। এ অবস্থায় কিছু শ্রমিক-কর্মচারী মুনাফার ওই অংশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। এই রিটে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন উচ্চ আদালত। ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত শেভরন যত নিট মুনাফা করেছে, তার ৫ শতাংশ কোম্পানিটির শ্রমিক-কর্মচারীদের দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবী ওমর সাদাত আরো বলেন, এর আগে ২০০৬ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শেভরন বকেয়া পরিশোধ করেছিল। এখন কোম্পানিটিকে ২০১৪ পাওনা পরিশোধ করতে হবে।
রিট আবেদনকারীদের মধ্যে কেউ কেউ এখনো চাকরিতে আছেন। তবে বেশিরভাগই আর চাকরিতে নাই। যারা নাই, তারা যে পর্যন্ত চাকরিততে ছিলেন, সেই সময় পর্যন্ত মুনাফার টাকা পাবেন বলে জানান এই আইনজীবী।
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুসারে বিদেশি বিনিয়োগ বা অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সব কোম্পানিকে নিট মুনাফার ৫ শতাংশ কর্মচারীদের দিতে বাধ্য।
কিছু কোম্পানি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা মেনে চলছে না জানিয়ে ওমর সাদাত বলেন, আদালত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন যে, তারা (শেভরন) যদি বাংলাদেশে ব্যবসা চালাতে চায়, তবে অবশ্যই কোম্পানিটিকে বাংলাদেশের শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। তবে শেভরনের কাছ থেকে কর্মচারীরা কী পরিমাণ টাকা পাবেন তা বলতে পারেননি আইনজীবী।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তেল ও গ্যাস কোম্পানি শেভরন ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যে নিট মুনাফা করেছে, তার ৫ শতাংশ শ্রমিক-কর্মচারীদের দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
কোম্পানিটির সাবেক-বর্তমান ৫৮২ জন শ্রমিক-কর্মচারীর রিট আবেদনে চূড়ান্ত শুনানির পর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শেষে এই রায় দেন।
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ওমর সাদাত। শেভরনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান খান। ২০১৩ সালের পর নিট মুনাফার ৫ শতাংশ শ্রমিক-কর্মচারীদের দিতে শেভরনকে কেন নির্দশ দেওয়া হবে না এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের নিট মুনাফার ৫ শতাংশ না দেওয়া কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, মর্মে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী ওমর সাদাত।
তিনি বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী শেভরনের নিট মুনাফার ৫ শতাংশ শ্রমিক ও কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করার কথা। কিন্তু শেভরন ২০১৩ সালের পর তা আর করেনি। এ অবস্থায় কিছু শ্রমিক-কর্মচারী মুনাফার ওই অংশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। এই রিটে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন উচ্চ আদালত। ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত শেভরন যত নিট মুনাফা করেছে, তার ৫ শতাংশ কোম্পানিটির শ্রমিক-কর্মচারীদের দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবী ওমর সাদাত আরো বলেন, এর আগে ২০০৬ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শেভরন বকেয়া পরিশোধ করেছিল। এখন কোম্পানিটিকে ২০১৪ পাওনা পরিশোধ করতে হবে।
রিট আবেদনকারীদের মধ্যে কেউ কেউ এখনো চাকরিতে আছেন। তবে বেশিরভাগই আর চাকরিতে নাই। যারা নাই, তারা যে পর্যন্ত চাকরিততে ছিলেন, সেই সময় পর্যন্ত মুনাফার টাকা পাবেন বলে জানান এই আইনজীবী।
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুসারে বিদেশি বিনিয়োগ বা অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সব কোম্পানিকে নিট মুনাফার ৫ শতাংশ কর্মচারীদের দিতে বাধ্য।
কিছু কোম্পানি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা মেনে চলছে না জানিয়ে ওমর সাদাত বলেন, আদালত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন যে, তারা (শেভরন) যদি বাংলাদেশে ব্যবসা চালাতে চায়, তবে অবশ্যই কোম্পানিটিকে বাংলাদেশের শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। তবে শেভরনের কাছ থেকে কর্মচারীরা কী পরিমাণ টাকা পাবেন তা বলতে পারেননি আইনজীবী।

রোববার (২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে শিক্ষক নেটওয়ার্ক জানায়, জুলাই অভ্যুত্থানবিরোধিতার অভিযোগ তুলে একদল শিক্ষক ২৩১ জনের তালিকা উপাচার্যের কাছে জমা দিয়েছেন
৫ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রচেষ্টারই প্রতিফলন এই সফর।
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানান, ফটিকছড়ি থানার জামাল হত্যা মামলায় পাঁচ দিন এবং অস্ত্র উদ্ধারের মামলায় আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রোববার সকাল ১১টার দিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা জাতীয় জাদুঘরের সামনে জড়ো হয়ে সড়কে অবস্থান নেন। পরে পুলিশ বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সড়কের বিপরীত পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করে।
৬ ঘণ্টা আগে